Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Sat February 16 2019 ,

  • Techno Haat Free Domain Offer

টেস্টের টিকিট যুবলীগ ছাত্রলীগের দখলে!

Published:2015-04-29 13:26:40    
খুলনা টেস্টের প্রথম দিন গ্যালারি ছিল দর্শকে পরিপূর্ণ, যা দেখে সবাই খুশি হয়েছেন। খুলনার মানুষের ক্রিকেটপ্রেম নিয়ে প্রশংসা করেছেন। প্রথম দিনের চিত্র সুখকর হলেও জানা গেছে, পরের দিনগুলোর সিংহভাগ টিকিট যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ নেতাদের দখলে চলে গেছে। মঙ্গলবার ইউসিবিএল ব্যাংকের খানজাহান আলী রোড শাখায় গিয়ে দেখা গেছে, সরকারি দলের নেতাকর্মীরা জোর করে ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে টিকিট নিয়েছেন।সকাল ১০টায় ব্যাংকের সামনে দেখা যায় দর্শকদের লম্বা লাইন। প্রথম দিনের টিকিট যারা পাননি, তারা দ্বিতীয় দিনের টিকিট সংগ্রহ করতে ব্যাংকের সামনে ভিড় করেছেন। প্রত্যেককে একটি করে টিকিট দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু ভেতরে গিয়ে দেখা গেছে বিপরীত চিত্র। সকাল সোয়া ১০টার দিকে মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন দুজন অনুসারীসহ ব্যাংকে প্রবেশ করেন। তারা ব্যাংক কর্মকর্তাদের চাপ প্রয়োগ করে দ্বিতীয় দিনের বিভিন্ন মূল্যের প্রায় পাঁচশ টিকিট নেন। শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন বলেন, তিনি কোনো টিকিট নেননি। প্রথম দিন টিকিট না পাওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তারা তাকে কিছু টিকিট দিয়েছেন। তিনি টিকিটের মূল্যের বেশি টাকা পরিশোধ করেছেন।দুপুরের ওই শাখায় আসেন মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অহেদুজ্জামান ডলার। তিনি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ২০০ টিকিট নিয়ে যান। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত টিকিট নিতে ব্যাংকে আসেন সোনাডাঙ্গা থানা যুবলীগের আহ্বায়ক আবদুস সালাম ঢালী, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান সাগরের পক্ষে পল্টু নামের আরেক যুবলীগ নেতা, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশার পক্ষে টিকিট নিতে আসেন আরেক ব্যক্তি। প্রত্যেকের চাহিদা ছিল ২০০ থেকে ৩০০ টিকিট। এর মধ্যে পল্টু নামের একজন ব্যাংকের শাখা প্রধানকে প্রকাশ্যে হুমকি দেন। পরে যুবলীগের প্রত্যেকেই ব্যাংক থেকে একটি করে মোটাখাম নিয়ে বেরিয়ে যান। বেলা আড়াইটার দিকে শ্রমিক লীগের প্যাডে মহানগর সাধারণ সম্পাদক দেবনাথ রণজিৎ কুমারের সই করা ২৫০টি টিকিটের চাহিদাপত্র ব্যাংক ব্যবস্থাপকের কাছে জমা দেন তার দুই কর্মী।সোনাডাঙ্গা থানা যুবলীগের আহ্বায়ক আবদুস সালাম ঢালী বলেন, সবাই টিকিট চায়, না দিতে পারলে তো রাজনীতি থাকে না। আমরা কী করব? শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবনাথ রণজিৎ কুমার বলেন, শ্রমিকদেরও খেলা দেখতে ইচ্ছে করে। আমি টাকা দিয়ে টিকিট কিনে আনতে পাঠিয়েছি। জোর করে নয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্যাংকের শাখা প্রধান মাহবুব ফারুকী নিরুত্তর থাকেন।

আরও সংবাদ