Widget by:Baiozid khan

ঢাকা Thu November 22 2018 ,

  • Advertisement

এবার সিটি নির্বাচন নিয়ে অধিকারের মন্তব্য

Published:2015-05-02 22:44:05    

বাংলাসংবাদ: ব্যাপকভাবে কেন্দ্র দখল, জাল ভোট ও সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জনগণের ভোটাধিকার ভয়াবহভাবে নস্যাৎ করে আওয়ামী লীগ সরকার সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রহসনমুলক নির্বাচন হলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই নির্বাচনকে ‘সুষ্ঠু ও অবাধ’ বলছেন। এই নির্বাচনে জনগণের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে বলে আজ শনিবার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’।

প্রতিবেদনে অধিকার আরো বলেছে- নির্বাচনের আগে রাস্তায় নামলেই গ্রেফতার ও বাধার সম্মুখিন হয়েছেন ২০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। এছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনের সমর্থিত প্রার্থীদের ওপরও হামলা চালিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। গণমাধ্যম কর্মীদের ওপরও হামলা ও তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়া হয়েছে। নানা ধরণের অনিয়ম ও সহিংস ঘটনা ঘটলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিষ্ক্রিয় ছিল এবং অনেক জায়গায় সরকার সমর্থকদের সহায়তা করেছে। ৫০০ ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালনে থাকলেও তাদের অধিকংশই ছিলেন নিস্ক্রিয়।

সিটি নির্বাচনে হতাশা ব্যক্ত করে অধিকার বলেছে, নির্বাচনের আগের রাতেই অনেক কেন্দ্র দখল হয়ে গিয়েছিল। চট্টগামে ৭১৯ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে জাল ভোট ও সরকার সমর্থকদের তাণ্ডব দেখা গেছে। সব দলের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনে অথবা জাতিসংঘের সরাসরি তত্ত্বাবধানে অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে পুন:প্রতিষ্ঠানর দাবি জানিয়েছে অধিকার।

মানবাধিকার প্রতিবেদনে অধিকার উল্লেখ করেছে- জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ৭৭টি। এরমধ্যে ক্রসফায়ারে ৫৯ জন, গুলিতে ১৩ জন, পিটিয়ে একজন, শ্বাসরোধে একজন ও অন্যান্যভাবে দুইজন নিহত হয়েছেন। এই চার মাসে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ২৭ জনের পায়ে গুলি করেছে। গুম হয়েঠে ৩৫ জন। বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছে ১৭ জন বাংলাদেশী, আহত ১৭ জন ও অপহরণ হয়েছে ১৬ জন। এই চার মাসে নানভাবে ৫৩ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে ১৩২ জন এবং আহতর সংখ্যা তিন হাজার ৫১১ জন। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৫৪ জন নারী। ধর্ষণের শিকার ১৫৮ নারী-শিশু, যৌন হয়রানির মিকার ৫৩ জন, অ্যাসিড সহিংসতার শিকার ২০ জন ও গণপিটুনিতে মৃত্যু ৪২ জনের।

উল্লেখ্য, তিন সিটির নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে আলোচনা চলছে ২৮ তারিখ থেকেই, নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র দখল গণমাধ্যম কর্মীদের বাঁধা দেয়ে সহ সরকারি দলের সমালোচনা করে আসছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থা।  

বাংলাসংবাদ২৪/ইএফ

আরও সংবাদ