Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Fri July 20 2018 ,

ফুল নেবেন স্যার ফুল?

Published:2015-08-16 20:52:23    
বাংলাসংবাদ২৪: এই তোদের ফুলের দাম কত? এক আটি ৫০ টাকা স্যার। স্যার আমারটা নেন। না স্যার আমারটা নেন। ২০ টাকায় দিবি? না স্যার। ৩০ টাকা নে। না স্যার ৪০ টাকা দেন। এক আটি দে। আবারো হট্টগোল, স্যার আমার টা নেন। না স্যার আই আগে বলেছি, আমারটা নেন। এই বলতে বলতে দু-জনের মাঝে মারামারি। এই দ্বারা দ্বারা। তোরা দু-জনে দুই আটি দে। এবার দু-জনেই শান্ত। আরেকজন এসে স্যার একটা বেলুন নেবেন? না নিব না। নেন স্যার। 
 
এভাবেই সারাদিন ওরা রাস্তায় জ্যাম বাধলেই গাড়ির ভীড়ে, দুই গাড়ীর চিপায় চিল্লাতে থাকে। খামারবাড়ী থেকে সংসদের পাশদিয়ে মিরপুর রোডে এমন অসংখ্য শিশুদের ফুল বিক্রি করতে দেখা যায়। ওরা তাকিয়ে থাকে কখন জ্যাম বেধে গিয়ে গাড়ীর লম্বা লাইন দাড়িয়ে যাবে। আর তখনই ফুল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু। এমনি তিন বালকের সাথে দেখা বাংলাসংবাদের প্রধান প্রতিবেদকের। গাড়ী  দাড় হতেই শুরু হয়ে গেল উপরোক্ত কথপোকথন। ফুল ক্রয় শেষে এবার নাম শোনার পালা। তোর নাম কি? জনি স্যার। তোর? ফাহাত। তোরা পড়ালেখা করিস না। না স্যার। কেন? পড়ালেখায় টাকা দরকার হয়। আমার তো বাবা নেই। কে টাকা দেবে। মা? নেই স্যার। ঘুমাস কোথায় ঐ বিমানের পাশে (ফুটপাতে)। খাস কি? সারাদিন ফুল বিক্রি করলে ৪০/৫০ টাকা দেয়। তা দিয়েই ভাত কিনে খাই। এতো কম টাকা দিয়ে ভাত? ময়লা ভাত খাই স্যার। ৫টাকা দিয়েও হয়। তরকারী সহ ১০ টাকা। 
 
তোদের ছবি তুলবো। লাইন হয়ে দাড়িয়ে থাক। জি স্যার। তোলেন। বলতে বলতে সিগনাল ছেড়ে দিল। ওদের ছবি তুলতেই হবে। মটর বাইকের সামনে দাড়িয়ে স্যার ছবি তোলেন। ওদের দাবিতে বাধ্য হয়েই তোলা ছবি। 
 

আরও সংবাদ