Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Tue September 25 2018 ,

হামাসের দাবি ছিল যৌক্তিক; যুদ্ধবিরতি ভাঙার জন্য যা

Published:2014-08-09 13:55:29    
হামাসের দাবি ছিল যৌক্তিক; যুদ্ধবিরতি ভাঙার জন্য যা

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F306%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার কতগুলো নির্দেশনা আছে যা যেকোনো গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রের মানুষের জন্য অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। পৃথিবীর সব গণতন্ত্রপন্থী দার্শনিক, লেখক, সাংবাদিক ও রাজনীতিকরা ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন বা মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে গণতান্ত্রিক বিকাশের অপরিহার্য অঙ্গ বলে মনে করেন। কিন্তু সরকার যে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা করেছেন তারমধ্যে এমন কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন যা পরিষ্কারভাবে মানুষের চিন্তাভাবনা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করবে। এটা অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক এবং ভয়ঙ্কর। এছাড়া কিছু বিষয় আছে যা বিমূর্ত।

এসব কথা বলেছেন ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের সম্পাদক এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক ভাষ্যকার নূরুল কবির।

তিনি বলেন, যখনই কোনো চিন্তার স্বাধীনতাকে কোনো রাষ্ট্র খর্ব করতে চায় তখন সে তার নির্দেশনাগুলোকে ইচ্ছা করেই বিমূর্ত করে রাখে যাতে সেগুলোকে ব্যাখ্যা করে যেকোনো দিকে নিয়ে যাওয়া যায়। যেমন ধরুন কি কি করা যাবে এবং কি কি করা যাবে না বলতে যেসব ব্যবস্থার কথা সরকার বলেছে সেখানে পুলিশ মিলিটারিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপারে কোনো কটাক্ষ করা যাবে না। তো এমনিতেই তো কাউকে কটাক্ষ করার প্রয়োজন পড়ে না, কোনো মানুষ সম্পর্কে অবমাননাকর কোনো বক্তব্য দেয়ারও প্রয়োজন পড়ে না বা উচিত নয়।

নূরুল কবির বলেন, একটা বিষয় দেখুন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জনগণের করের পয়সায় প্রতিপালিত হয়। তারা যদি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে যায়, গুম-খুন-অপহরণের সঙ্গে জড়িয়ে যায় তাহলে কেন তাদের ব্যাপারে কথা বলা যাবে না!  তারা যদি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়, তারা যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে, তারা যদি ভিন্নমতের  লোকদের অযথা গ্রেফতার করে, খুন করে বা গুম করে সে সবের বিরুদ্ধে  কেন কথা বলা যাবে না! এসবের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রতিবাদ করা এমনকি তাদের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করা যেকোনো গণতন্ত্র পরায়ণ নাগরিকের কর্তব্য। সম্প্রচার নীতিমালায় বলা হচ্ছে এই কর্তব্য তারা পালন করতে পারবে না।

সরকার কেন একথা বলছে সে প্রসংগে বিশিষ্ট এ সাংবাদিক বলেন, এর কারণ হচ্ছে এই সরকার নিজেদেরকে এবং দেশের জনগণকে এমন একটি সংকটের মধ্যে ফেলেছে যেখানে একটি অনির্বাচিত এবং জনবিচ্ছিন্ন সরকার টিকে আছে এসব পুলিশ-র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সুবিধাবাদী আমলাদের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে। তবে মিডিয়াতে কিছু কিছু মানুষ তাদের বিরোধীতা করছে সেই কন্ঠস্বরগুলোকে বন্ধ করার জন্য সরকার সম্প্রচার নীতিমালায় নানাধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। আর এর লক্ষণগুলো হচ্ছে- দুটো টেলিভিশন সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। একটি কাগজ বন্ধ করেছে। বিরোধীমতের লোকদের ওপর  নানাধরণের অত্যাচার করছে। আসলে সরকার ভিন্নমতের লোকদের কন্ঠরুদ্ধ করার জন্য নানারকমের অবৈধ নির্দেশনা দিয়েছে এবং হুমকি-ধমকি দিয়ে টেলিভিশন বা সম্প্রচার কর্তৃপক্ষকে শুধুমাত্র সরকারের পক্ষে কাজ করাতে চায়।

যারা সম্প্রচার নীতিমালাকে সমর্থন করছে তাদের বিষয়ে নূরুল কবির বলেন,  সম্প্রচার নীতিমালা সরকার করেছে এবং সরকারের পক্ষে তার দলীয় অনেক বাহিনী ও সংগঠন আছে। বাংলাদেশের সাংবাদিকমহলের একটি অংশ আওয়ামী লীগের মধ্যে আছে। তবে তাদের নেতাদেরও আমি এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করতে শুনেছি। তারপরও কেউ কেউ এমনভাবে প্রতিবাদ করেছেন যে দেখি কি হয়! তবে যারা পরিস্কারভাবে এর বিরোধীতা করেন না আমি মনে করি তারা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্পষ্ট তো নয়ই এবং তাদের অবস্থান অগণতান্ত্রিক।

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে নূরুল কবির বলেন, গাজায় এখন আর যুদ্ধ বিরতি নেই। হামাসের দিক থেকে যেসব দাবি দেয়া হয়েছিল তার প্রত্যেকটি অত্যন্ত যৌক্তিক। আর হামাসের যৌক্তিক দাবিগুলো ইসরাইল মেনে না নিয়ে উল্টো চাইল্ডিশ দাবি করেছে। ইসরাইলের দাবি হচ্ছে- তাদের আগ্রাসনকে মোকাবেলা করার জন্য সামান্য যেসব অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামাস প্রতিরোধ আন্দোলন করছে তা থেকে তাদেরকে নিরস্ত্র করতে হবে। এখানে যুদ্ধ বিরতির যদি প্রশ্ন আসে তাহলে যুদ্ধ শুরু করারও প্রশ্ন আসে। সেক্ষেত্রে হামাস স্পষ্টভাবে বলেছে নিজেদেরকে নিরস্ত্র করা তো দূরের কথা- পশ্চিমাদের সহায়তায় ইসরাইলের বর্বরতার বিরুদ্ধে আরো বেশি সশস্ব্র হয়ে ওঠা দরকার। ইসরাইলের খোঁড়া দাবি কোনো অবস্থাতেই যৌক্তিক নয়। আর সে কারণে যুদ্ধ বিরতি ভেঙে গেছে। আর এজন্য ইসরাইলের যায়নিস্ট নীতি এবং ফিলিস্তিনিদের ধ্বংস করার অন্যায় পলিসিই দায়ী।

রেডিও তেহরানের সৌজন্যে