Widget by:Baiozid khan

ঢাকা Wed November 21 2018 ,

  • Advertisement

একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবেই

Published:2014-11-24 20:06:09    
একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবেই

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F324%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি বলেছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত আসছে। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য দেশে যে নির্বাচন হয়েছে, তা ইতিমধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সমাদৃত হয়েছে। এরই মধ্যে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশন (সিপিএ) এবং ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) নির্বাচনে বাংলাদেশ বিজয়ী হয়েছে।

এটা বাংলাদেশের জন্য বিরল সম্মান। এর মধ্য দিয়ে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কালো মেঘের জটলা কেটে গেছে। এরপরও আমি মনে করি, ভবিষ্যতে যখনই হোক সব দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবেই। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন জাতীয় পার্টির এই প্রেসিডিয়াম সদস্য। রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, মানুষ জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি চায় না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতির সুযোগ নেই। প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র পেতে হলে ধ্বংস প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করতে হবে। দেশ এবং দেশের জনগণ থেমে থাকতে পারে না। আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

ধ্বংসযজ্ঞের রাজনীতি মানুষের পেটের ক্ষুধা নিবারণ করে না। এ কথা বারবার ভেবে দেখতে হবে। দেশ চলছে, ভবিষ্যতে আরও ভালো চলবে। নতুন প্রজন্মের এমনটাই প্রত্যাশা। দেশের রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, ক্ষমতার পালাবদল প্রক্রিয়ায় দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে বহু মূল্যবান প্রাণ ঝরে যায়। এই দৃশ্য আমরা বারবার প্রত্যক্ষ করে আসছি। এ নির্মম রাজনীতি দেশের অগ্রগতিকে বারবার থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে এটা দিবালোকের মতো সত্য, প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও আমরা জাতি হিসেবে এগিয়ে চলছি। এটা কিন্তু কম অর্জন নয়।তিনি বলেন, প্রচলিত রাজনীতি দ্বন্দ্ব-সংশয় প্রতিহিংসা সৃষ্টি করছে।

শান্তির পরিবর্তে সমাজ জীবনে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে। তা দেশের মানুষের কঠিন বিবেচনায় আছে। রাজনীতির নামে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশেষ করে ক্ষমতার পালাবদলে যে অগি্নশিখা জ্বলে ওঠে। সমাজকে গ্রাস করে ফেলে সে ভয়াবহ দাবানল। মানুষ শান্তির রাজনীতি, কল্যাণের রাজনীতি নিরাপদে থেকে নিজস্ব অভিব্যক্তি প্রয়াস করার একটি নতুন পরিমণ্ডলে প্রবেশ করার অপেক্ষায়। সে সুযোগও আসবে। এটা সবাই বিশ্বাস করে। সময়ের ব্যবধানে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর মতো বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা ভারতসহ উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ভবিষ্যতে সমাদৃত হবে।

এমনটাই আমার প্রত্যাশা। জাতীয় পার্টি প্রসঙ্গে বলেন, জাতীয় পার্টি কখনোই হরতাল, ধ্বংসযজ্ঞের রাজনীতি বিশ্বাস করে না। আমরা যে অবস্থাতেই রাজনীতিতে থাকি না কেন, সব পরিস্থিতিতে জনগণের জয়গান গেয়ে যাই। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে আমাদের সাবেক সফল রাষ্ট্র নায়কের নয় বছরের যে উন্নয়ন সে ধারাবাহিকতাকে আরও ব্যাপকভাবে গতিশীল করে জনগণের দুয়ারে নিয়ে যাব। আগামী দিনের রাজনীতি কোন দিকে যাচ্ছে, জানতে চাইলে সাবেক এ মন্ত্রী বলেন- ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যা দেখি তা বলা উচিত হবে না।

টকু বলতে পারি, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং গণতান্ত্রিক রণকৌশলে জনগণের সমর্থন যে দল বা জোট অর্জন করতে পারবে, তারাই সরকার গঠন করবে। এর চেয়ে বেশি এ মুহূর্তে বলা সমীচীন হবে না। ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অভ্যাস আমার কখনোই ছিল না। জাল দিয়ে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করতাম নিয়মতান্ত্রিকভাবে। নদীর পাড়ের মানুষ আমি। নদীর গভীরতা দেখে বহুপথ অতিক্রম করেছি। দেশের উপকারে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যদি নিজেকে নিবেদিত করতে পারি, সে চেষ্টা আমার অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, কোন সরকার আমলে উন্নয়ন কতটুকু হয়েছে তা ভোটারদের মানদণ্ডে অবশ্যই বিবেচিত হবে।

এ দেশের মানুষ অকৃতজ্ঞ নয়। বর্তমান সরকার প্রসঙ্গে বলেন, হাতিরঝিল প্রকল্পে যখন গাড়ি যায় তখন মনে হয়, আধুনিক সভ্যতায় প্রবেশ করেছি। আবার যখন পত্রিকার পাতায় অনিশ্চয়তার খবর শুনি তখন মন ভারাক্রান্ত হয়। এর পরিত্রাণ অবশ্যই বের করতে হবে। একটি সুন্দর নিরাপদ বাংলাদেশ আমাদের সবার প্রত্যাশা। জাতীয় পার্টির মহাসচিব থাকাকালীন ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন এখন সময় কিভাবে কাটে জানতে চাইলে বলেন, নির্বাচনী এলাকা, সংসদ, পরিবার এবং স্মৃতিচারণ করে সময় কাটে।

কেন মহাসচিব পরিবর্তন হলো এমন প্রশ্নে বলেন, বড় দলে প্রতিযোগিতা থাকতে পারে। দল যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে সবার লক্ষ্য রয়েছে। দল সবার উপরে। কেন নতুন মহাসচিব নিয়েছেন তা পার্টির চেয়ারম্যানই ভালো জানেন। এ বিষয়ে আমি কোনো দিন পার্টির চেয়ারম্যানের কাছে জানতেও চাইব না। তিনি বলেন, অনেক ঘাম-পরিশ্রম করে সবাই মিলে এই দল প্রতিষ্ঠা করেছি। পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই দলের জন্য সবচেয়ে বেশি শ্রম দিয়েছেন।

জেল-জুলম অত্যাচার তার সঙ্গে লেগেই আছে। গত ২৪ বছরে এইচ এম এরশাদ কবে কখন মুক্ত ছিলেন তা আমার জানা নেই। ম্যাডাম রওশন এরশাদও তার দুই বছরের শিশু সন্তান সাদকে নিয়ে দুই বছর কারাগারে ছিলেন। পার্টির চেয়ারম্যানের মুক্তির আন্দোলনে বারবার জেলে যেতে হয় তাকে। বোমার আঘাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন অল্পের জন্য। পার্টির জন্য মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন বারবার। স্

মৃতিচারণ করলে এসব কথা মনে পড়ে। তিনি বলেন, পল্লীবন্ধুর সঙ্গে বাংলার বহুপথ অতিক্রম করেছি। একাও সফর করেছি প্রায় সব জেলা। নেতাকর্মীদের ভালোবাসা নিয়েই বেঁচে থাকব। যেখানেই থাকি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি ভালোবাসা চিরদিনই থাকবে।

সংগৃহীত/বাংলাসংবাদ/এইচ