Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

বাংলাদেশে বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলন

Published:2015-11-14 12:09:04    
বাংলাদেশে বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলন

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F432%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

আর পাঁচটি ধারণার মতো বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলনের ধারণা আমাদের দেশে বিলাত থেকে এসেছে। বিলাতে Rationalist Society প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৯৯ সালে। র‌্যাশনালিস্টরা মনে করেন যে, ধর্মের ভিত্তি হলো অজ্ঞতা ও কুসংস্কার। বিধাতার ধারণা মানুষের সৃষ্টি। বিধাতা মানুষকে সৃষ্টি করেননি। বরং মানুষই সৃষ্টি করেছে বিধাতাকে। কিন্তু এরা বিশ্বাস করতে চান না যে, কেন মানুষ বিধাতার অস্তিত্ব কল্পনার প্রয়োজন অনুভব করেছে। বিলাতে অনেক প্রথমসারির বৈজ্ঞানিক জন্মেছেন। কিন্তু এরা কেউই ছিলেন না র‌্যাশনালিস্ট। অনেকে আবার ছিলেন দস্তুরমতো আস্তিক। বৈজ্ঞানিক হতে গেলে নাস্তিক হতেই হবে, বিজ্ঞানের ইতিহাস থেকে তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। বিলাত গণতান্ত্রিক দেশ। অনেক কিছুই বলা চলে সে দেশে। কিন্তু র‌্যাশনালিস্টরা কথা বলেছেন অনেক সংযতভাবে। তাদের ধর্মের আলোচনা তাই মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তোলেনি, তাদের বিপক্ষে। কিন্তু বাংলাদেশে বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনকারীরা ধর্মের সমালোচনা করতে গিয়ে ব্লক-বুকে ইসলামের নবী সম্বন্ধে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা এ দেশের মানুষকে বিশেষভাবে ক্ষুব্ধ করে তুলেছে তাদের বিপক্ষে। যে কারণে তারা শিকার হচ্ছে খুনের। তারা ইসলাম ও তার নবী সম্বন্ধে অতি অশিষ্ট মন্তব্য না করলে, তাদের হতে হতো না খুন। ইসলাম বাংলাদেশে বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিকূলতার সৃষ্টি করছে না। বাংলাদেশে বিজ্ঞানের অগ্রগতি না হওয়ার কারণ, এ দেশের মানুষ রাজনীতিতে যতটা উৎসাহী, বিজ্ঞানচর্চায় ততটা নয়। আমাদের দেশে কবি-সাহিত্যিকদের নিয়ে পত্রিকায় যে আলোচনা হয়, বিজ্ঞান নিয়ে তা হয় না। ছেলেদের বিজ্ঞানের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে পড়ানো হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা। পাকিস্তান পরমাণু বোমা বানাতে পেরেছে। এর একটা খসড়া নকশা ডক্টর আবদুল কাদের নিয়ে আসতে পেরেছিলেন নেদারল্যান্ডস থেকে। কিন্তু বাংলাদেশকে কোনো দেশ যদি পরমাণু বোমার একটা নকশা দেয়, তবে এমন কোনো লোক আছে কি-না, যে তা বুঝে পরমাণু বোমা বানাতে পারবে, সেটা নিয়ে করা চলে সন্দেহ। পাকিস্তানে যে হারে বৈজ্ঞানিক গবেষক ও কারিগর তৈরি হতে পারছে, বাংলাদেশে তা হতে পারেনি। আমাদের দেশে বিদেশ থেকে বৈজ্ঞানিক পত্র-পত্রিকা ও বই যে রকম আসা প্রয়োজন, তা আসছে না। বৈজ্ঞানিক তৈরি হওয়ার মতো পরিবেশ নেই আমাদের দেশে। ধর্মীয় কারণে নয়, তা নেই রাজনৈতিক কারণে। কিন্তু মুক্তবুদ্ধিবাদীদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ধর্মের বিরুদ্ধে বিশেষ করে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষোদগার। তারা বোঝাতে চাচ্ছেন, ইসলাম ধর্মের কারণে বাংলাদেশে বিজ্ঞানের অগ্রগতি ব্যাহত হতে চলেছে। কিন্তু ইসলাম কি একটা বিজ্ঞানবিরোধী ধর্ম? ইতিহাস কিন্তু তা বলে না। একটি কিংবদন্তি প্রচলিত আছে এই রকম :
 
আরবরা মেয়ে খেজুরগাছের পুষ্পমঞ্জরীর ওপর পুরুষ খেজুরগাছের পুষ্পমঞ্জরী কেটে এনে তা দিয়ে পরাগ ছড়াত। এর ফলে স্ত্রী খেজুরগাছে প্রচুর খেজুর হতো। না হলে হতো না। আরবরা জানত না, কেন এ রকম হয়। তাদের কাছে এটা ছিল খেজুর দেবতার পূজার অংশ। ইসলামের নবী এভাবে খেজুর দেবতার পূজা করতে নিষেধ করেন। কিন্তু দেখা গেল যে, পুরুষ গাছের পুষ্পমঞ্জরী কেটে এনে পরাগ না ছড়ালে আগের মতো খেজুর যথেষ্ট ধরছে না। নবীজী সবকিছু শুনে বললেন, তোমরা যা করতে, তা করবে। কিন্তু খেজুর দেবতাকে পূজার মনোভাব নিয়ে নয়। খেজুর ধরার সাথে কোনো দেবদেবীর সম্পর্ক নেই।
মানুষ একসময় জানত না যে, খেজুরগাছের ক্ষেত্রে স্ত্রী ফুল এবং পুরুষ ফুল পৃথক পৃথকভাবে ভিন্ন গাছে হয় (Dioecious)। স্ত্রী গাছে খেজুর হয়। পুরুষ গাছে হয় না। এসব কথা মানুষ অবগত হতে পেরেছে অনেক পরে; খ্রিষ্টীয় সপ্তদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে। এ সময় জার্মানিতে তুরবিনজেন (Turbingen) বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আর জে ক্যামেরারিয়াস (R. J. Camerarius) প্রমাণ করেন যে, ফুল হলো গাছের জননাঙ্গ। কোনো গাছের ফুল উভলিঙ্গ। উভলিঙ্গ ফুল স্বপরাগী হতে পারে। কোন গাছের ক্ষেত্রে পুরুষ ও মেয়ে ফুল একই গাছে থাকে। এ রকম গাছকে বলে সহবাসী ((Momoecious)। এ ক্ষেত্রে পুরুষ ফুল থেকে পরাগ স্থানান্তরিত হতে পারে মেয়ে ফুলে, পতঙ্গ অথবা বাতাসের মাধ্যমে। অনেক গাছে মেয়ে ফুল ও পুরুষ ফুল ভিন্ন ভিন্ন আছে। খেজুর গাছ যার একটি বিশেষ দৃষ্টান্ত। খেজুর গাছের মেয়ে ফুলে বায়ুবাহিত হয়ে পরাগ এসে পরতে পারে অন্য গাছের স্ত্রী ফুলে। এ রকম হয় আমাদের দেশের খেজুরগাছেও। আমরা আমাদের দেশে পুরুষ খেজুরগাছের পুষ্পমঞ্জরী কেটে এনে কখনো পরাগ ছিটাই না। সব গাছের ক্ষেত্রেই পরাগের সাথে গাছের ফুলের ডিম্বকোষের মিলন হতে হয়। এই মিলনের মাধ্যমে উদ্ভব হয় ফল (ব্যতিক্রম আছে)। মেয়ে ফুলে হয় গর্ভকেশর। যার গোড়াতে হয় ডিম্বকোশ (Ovule)। পুরুষ ফুলে হয় পুংকেশর। যার মধ্যে হয় পরাগরেণু। এসব কথা আমরা এখন জানি। কিন্তু প্রাচীন যুগের মানুষ জানত না। তারা জানত, ফুল থেকে ফল হয়। ফুল হয় আগে, ফল হয় তার পরে। ফুলের ওপর ফল হওয়া নির্ভরশীল। এর কোনো ব্যতিক্রম ঘটে না। এটাই সাধারণ নিয়ম। তবে এতে দেবতা বা দেবীর মধ্যস্থতার প্রয়োজন হয়। তাই তারা করেছে এ ক্ষেত্রে দেবদেবীর পূজা।
এখন আমরা জানি, পুরুষ খেজুরগাছের পুষ্পমঞ্জরি স্ত্রী খেজুরগাছের পুষ্পমঞ্জরী ঝাঁকিয়ে প্রয়োগ করলে খেজুর কেন বেশি হয়। বাতাসে পুরুষ খেজুরগাছের পুষ্পমঞ্জরী থেকে পরাগ এসে স্ত্রী খেজুরগাছের সব ফুলকে নিষিক্ত করতে পারে না। তাই খেজুর ধরে তুলনামূলক কম। কিন্তু প্রাচীন যুগে মানুষ ভেবেছে পরাগ ছড়িয়ে খেজুর দেবতার অথবা দেবীর পূজা করার জন্য ঘটছে এমন। প্রাচীন গ্রিক ভূগোলবিদ হেরাদেতুস তার ভৌগোলিক বিবরণে (রচনাকাল, আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতক) আশিরিয়ানদের পুরুষ খেজুরগাছের পুষ্পমঞ্জরীকে কেটে এনে মেয়ে খেজুর গাছের পুষ্পমঞ্জরীতে প্রয়োগ করার কথা উল্লেখ করেছেন। আশিরিয়া হলো বর্তমান ইরাক। যেখানে প্রাচীনকালে আশিরীয় সভ্যতার উদয় হয়েছিল। মানুষের ইতিহাসে আমরা দেখি, ধর্মীয় ক্রিয়াকাণ্ডের মধ্য দিয়েই হতে পেরেছে বাস্তব বিজ্ঞানের সূচনা; মুক্তবুদ্ধির চর্চা দিয়ে নয়। খেজুরগাছের দেবতা অথবা দেবীর ধারণা লুপ্ত হতে সময় লেগেছে যথেষ্ট। মুক্তচিন্তাবাদীরা মানব ইতিহাসকে যেভাবে ব্যাখ্যা করতে চাচ্ছেন, সেভাবে মোটেও ব্যাখ্যা করা যায় না। আমি যেহেতু উদ্ভিদবিদ্যার অধ্যাপক ছিলাম, তাই খেজুরগাছের দৃষ্টান্তটি উদ্ধৃত করলাম। হয়তো দৃষ্টান্তটি অনেকের কাছে মনে হতে পারে জটিল। গাছের ক্ষেত্রে পরাগায়ণ বেশ জটিল প্রক্রিয়া। যা চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা হয় অনেক সহজ; কেবল কথার সাহায্যে নয়।
নৃতাত্ত্বিকেরা মানুষের জীবনে ধর্মের ভূমিকাকে ছোট করে দেখেন না। যেমন হ্রস্য করে দেখতে চাচ্ছেন আমাদের মুক্তমনা ব্লগাররা। বিখ্যাত ফরাসি নৃতাত্ত্বিক এমিল দুরকেইম (১৮৫৮-১৯১৭)-এর মতে বিধাতা হলেন সমাজসত্তার বেদবরূপ। ধর্মের উদ্ভব হতে পেরেছে সমাজ শৃঙ্খলা রক্ষার তাগিদে। ধর্মের ভালোমন্দ বিচার করতে হবে তা কতটা সমাজ-শৃঙ্খলা রক্ষার উপযোগী, অন্যভাবে নয়। দর্শনের ছাত্ররা বিধাতাকে এখন বিচার করছেন অন্যভাবে। তাদের কাছে বিধাতা হলেন মানুষের পরম আদর্শগুলোর মিলনকেন্দ্র (দ্রষ্টব্য, কল্যাণচন্দ্র গুপ্ত ও অমিত রায় রচিত ধর্মদর্শন গ্রন্থ। যার তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে ১৯৯০ সালে। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ পুস্তক পরিষদ, পৃষ্ঠা ৩২৩)। আমার মনে হয়, এই দৃষ্টিভঙ্গির সাথে ইসলামের কোনো বিরোধ নেই। ইসলামে আল্লাহর ৯৯টি সিফাত বা গুণের কথা বলা হয়। ইসলামে মানুষকে আল্লাহর এই সিফাতগুলো নিজেদের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করে আদর্শ মানুষ হয়ে উঠতে বলে। আল কুরআনের সূরা বাকারার ১৩৮ নম্বর আয়াতে মুসলমানদের বলা হয়েছে, আল্লাহর রঙে নিজেদের রঞ্জিত করতে। কিন্তু মুক্তমনা ব্লগাররা বলছেন, ইসলাম নাকি মানুষকে ধর্ষক হতে শিক্ষা দেয়! ১৯২৬ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে স্বামী শ্রদ্ধানন্দ অনুরূপ কথা বলার জন্য মুসলমানদের হাতে খুন হয়েছিলেন। ব্লগারদের এরকম অশ্লীল মন্তব্যে বাংলাভাষী মুসলমানদের ক্ষিপ্ত হওয়া স্বাভাবিক।
ইসলাম একটি প্রচারশীল ধর্ম। আরবের হেজাজ থেকে তা ছড়িয়ে পড়তে পেরেছে বিশ্বের নানা দেশে। বর্তমানে আরবি যাদের মাতৃভাষা নয়, এ রকম মুসলমানের সংখ্যা আরবি যাদের মাতৃভাষা, এ রকম মুসলমানদের সংখ্যার চেয়ে বেশি। অনেকে বলেন, ইসলাম প্রচারিত হয়েছে তরবারির মাধ্যমে। কিন্তু এটা যথেষ্ট সত্য নয়। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় দলে দলে বৌদ্ধরা ইসলাম গ্রহণ করেছেন। সেখানে বাইরে থেকে কোনো মুসলিম নৃপতি গিয়ে রাজত্ব করেননি। এই অঞ্চলের ইসলাম প্রচারিত হতে পেরেছে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ উপায়ে কেবল প্রচারণার মাধ্যমে। বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে বহু বৌদ্ধধর্মাবলম্বী যে বৌদ্ধধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তারও প্রমাণ মিলছে। মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি ৬০০ হিজরিতে বাংলার উত্তরাঞ্চলে তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু বাংলার পূর্বাঞ্চলে তিনি অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন না। ব্রিটিশ শাসনামলে আদমশুমারি (শুমার) আরম্ভ হয় ১৮৭১। এ সময় বাংলা প্রদেশে মুসলমানের চেয়ে হিন্দুর সংখ্যা ছিল বেশি। কিন্তু ১৮৮১ আদমশুমারিতে দেখা গেল হিন্দুর চেয়ে মুসলমানের সংখ্যা বেশি হতে। এরপর থেকে বাংলায় হিন্দুর চেয়ে মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে। ইংরেজ আমলে বল প্রয়োগ করে হিন্দুকে মুসলমান করার প্রশ্ন উঠতেই পারে না। বল প্রয়োগের মাধ্যমে ইসলাম প্রচারের তত্ত্ব তাই বাংলাদেশের মুসলিম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা কোনোভাবেই ওঠে না। কিন্তু এখন এ রকম একটা কথা প্রচারিত হতে পারছে।
মুক্তমনা ব্লগাররা যেসব কথা বলছেন, তা খুব নতুন নয়। ১৯২৬ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ‘রঙ্গীলা রসুল’ নামে একটি বই লিখেছিলেন। বইটি লেখার কারণে মুসলমানেরা তাকে হত্যা করেন। আমাদের দেশে কথিত মুক্তমনা ব্লগারদের ইসলাম সমালোচনায় থাকছে যেন সেই ‘রঙ্গীলা রসুল’ গ্রন্থেরই প্রভাব। পরিশেষ উল্লেখ করা যেতে পারে যে, বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলন ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকায় কাজী আবদুল ওদুদের নেতৃত্বে আরম্ভ হয়েছিল। কিন্তু তিনি কখনোই ইসলামের নবীর সমালোচনা করেননি। বরং গুরুত্ব দিয়েছিলেন ইসলামের মানবতন্ত্রী দিকটির ওপর এবং চেয়েছিলেন মুসলমানদের মধ্যে এই মানবতন্ত্রী ধারণার জাগরণ। সেটা ১৯৩০-এর দশকের ঘটনা। তিনি বর্তমান ব্লগারদের মতো দায়িত্বজ্ঞানহীন ছিলেন না। ছিলেন যথেষ্ট প্রজ্ঞার অধিকারী। পাকিস্তান হওয়ার পর তিনি তার ঢাকার বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে কলকাতায় চলে যান। কারণ তিনি পাকিস্তান আন্দোলনকে মেনে নিতে পারেননি।
লেখক : এবনে গোলাম সামাদ, প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট