Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Sat September 22 2018 ,

জয়ের ফেসবুক ষ্ট্যাটাস পুলিশকে উস্কে দেবে

Published:2016-04-16 14:28:26    
জয়ের ফেসবুক ষ্ট্যাটাস পুলিশকে উস্কে দেবে

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F491%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ২০১৫ সালের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বাংলাদেশের পুলিশ কম মানুষ হত্যা করেছে।
 শুক্রবার রাত পৌনে আটটায় জয় তার অফিসিয়াল ফেসবুকে পেজের দেয়া এক স্ট্যাটাসে এমন দাবি করেছেন।
 ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার বরাদ দিয়ে জয় লিখেছেন, এটা তাদের জন্য যারা মার্কিন মানবাধিকার সংস্থাকর্তৃক আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমালোচনাকে অনেক বড় কিছু মনে করছেন। এই হলো বাস্তবতা যে, ২০১৫ সালে মার্কিন পুলিশ তাদের দেশে ৯৮৬ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। 
 ‘তাই, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুলনা করলে, আমাদের পুলিশ কম হত্যা করেছে এবং আমরা অপহরণ বা নির্যাতনকে কোনোভাবেই অনুমোদন করি না।’
সজিব ওয়াজেদ জয় বর্তমানে বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রব্যাবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশই বলতে হবে। তাকে দেশের মন্ত্রী, আমলা, পুলিশ সহ নানা বাহিনী প্রধান ও কর্মকর্তাগণ দেশ প্রধানের ছেলে হিসেবে বেশিই রেসপেক্ট করে থাকেন। এটা একধরনের মানষিক চাপও বলা যায়। আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক দুই ভাবেই জয়ের মেজাজ দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনা সংশ্লিষ্ট উইংগুলো প্রভাবিত হবে এটাই স্বাভাবিক। অনেক সময় পুলিশের পক্ষে জয়কে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো সাফাই গেয়ে যাওয়ার ইতিহাসও কম নয়।  
গতবছর  ৪ মে যুক্তরাষ্টের পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে ফ্রেডি গ্রে মেরুদন্ডে মারাত্মক জখম হন। মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল ম্যারিলিন মোসবি জানিয়েছেন, সমন্বিত, পুঙ্খানুপঙ্খ ও স্বাধীন তদন্ত শেষে এটাকে হত্যাকান্ড বলেই প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জানান, পুলিশ ভ্যানে ফ্রেডিকে নেয়ার সময় তার হাতে পায়ে বেড়ি বাঁধা হয়, কিন্তু তাঁর সিট বেল্ট বেঁধে দেয়া হয়নি। যা ছিলো বেআইনী। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তুলকালাম হয়ে উঠে মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোর নগরী। খুব দ্রুততম সময়ে সর্বস্তরের মানুষের বিক্ষোভ রূপ নেয় রক্তাক্ত সংঘর্ষ ও দাঙ্গায়। এক পর্যায়ে জারি করা হয় কারফিউ। ঐ হত্যাকান্ডে অভিযোগে ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল এবং তাদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছিল খুব দ্রুততম সময়ে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো দেখা যায়নি বরং উল্টো সংগঠিত ঘটনার ক্ষেত্রে সরকারের কর্তব্যক্তিরা একযোগে পুলিশের সাফাই করেন। ফলে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় সত্য উৎঘাটনের কাজ মুখ থুবরে পরে। এই ধরনের ইতিহাস কি জয়গণ বাংলাদেশে সৃষ্টি করতে পারবেন?
 
সম্প্রতি গুলি চালিয়ে ও শারীরিক নির্যাতন করে গত ১১ মাসে ৫৬ বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমাস্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। অপহরণের শিকার হয়েছেন ৮৭ বাংলাদেশি। অপহরণের পর ফিরে আসতে পেরেছেন মাত্র ২৭ জন।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ও অধিকার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এছাড়া গুলি ও নির্যাতনে আহত হয়েছেন শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিক। 
 
গত বেশকিছু দিন মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ সালের প্রথম আট মাসে ১১৩টি বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আর অধিকারের তথ্যে বলা হয়েছে প্রথম নয় মাসে ১৩৬টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছে। ২০১৩ সালে এটি ছিলো ১৭৯টি।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১৯ মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিবেদনে সম্প্রতি উঠে এসেছে  বিচারব্যবস্থায় আস্থা হারাচ্ছে মানুষ।গত চার বছরে বাংলাদেশে গুম ও সীমান্তহত্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। সীমান্তে হত্যা হয়েছে ২৭০ জন বাংলাদেশী। বিচারবহির্ভূত হত্যা হয়েছে ৪৬২ জন এবং গুম হয়েছেন ১৫৬ জন মানুষ।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ২০১৩ সালে মানবাধিকারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছনের দিকে চলে গেছে কারণ সরকার সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর কঠোর দমন-পীড়নে নিয়োজিত ছিল।
উপরোক্ত তথ্যগুলো  জনাব সজিব ওয়াজেদ জয়ের কাছে যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন মনে না হয় তাহলে পুলিশ কতৃক মানুষ হত্যা সংক্রান্ত জয়ের সংখ্যাতত্ত্ব মানুষ হত্যা বাড়াবেই মাত্র, কমবেনা।