Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

সঙ্কটের মূলে গণতন্ত্রহীনতা ও সুশাসনের অনুপস্থিতি

Published:2016-07-19 09:31:35    
সঙ্কটের মূলে গণতন্ত্রহীনতা ও সুশাসনের অনুপস্থিতি

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F502%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

গণতন্ত্র ও সুশাসন একে অপরের পরিপূরক। গণতন্ত্রের জন্য যেমন সুশাসন অপরিহার্য, অনুরূপ সুশাসন ছাড়াও গণতন্ত্র নিশ্চিত সম্ভব নয়। আমাদের এ বাংলাদেশ ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনামলে ‘বাংলা’ নামে বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গসমেত একটি পৃথক প্রদেশ ছিল। সে সময় বাংলায় মুসলমানেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকায় তাদের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির কথা বিবেচনায় নিয়ে ব্রিটিশরা ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববাংলা ও আসাম সমন্বয়ে একটি পৃথক প্রদেশ সৃষ্টি করেছিল। ১৯০৫ সালে এই বাংলা বিভাজনের পূর্বে কলকাতা সমগ্র বাংলার রাজধানী ছিল। বাংলার বিভাজন বা বঙ্গভঙ্গকে বাংলায় বসবাসরত সংখ্যালঘু হিন্দু জনগোষ্ঠী তাদের স্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় প্রথম থেকেই এর বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে। হিন্দু জনগোষ্ঠীর তীব্র আন্দোলনের মুখে মাত্র ছয় বছরের মাথায় ব্রিটিশরা বঙ্গভঙ্গ রহিত করতে বাধ্য হয়। ব্রিটিশ শাসনাধীন থাকাবস্থায়ই বাংলার মুসলমানেরা অনুধাবন করতে সক্ষম হয় যে, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত বা আকাক্সক্ষার চেয়ে অনেক সময় শাসনকার্য পরিচালনায় স্বার্থান্বেষী সংখ্যালঘিষ্ঠদের মতামত বা আকাক্সক্ষা প্রাধান্য পায়। 
 
বঙ্গভঙ্গ রদের কারণে বাঙালি মুসলমানদের যে ক্ষতি হলো, তা পূরণে ব্রিটিশরা ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। ব্রিটিশদের সে ঘোষণাও হিন্দু জনগোষ্ঠীর তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। ব্রিটিশরা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অনড় থাকায় অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলো। দেখা গেলো, শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থী সব ক্ষেত্রেই মুসলিমদের চেয়ে হিন্দুদের প্রাধান্য এখানেও। 
ব্রিটিশ শাসনকালের শেষ দিকে বাংলায় আইন পরিষদের দু’টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উভয় নির্বাচনে মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। ১৯৪৭-এ ভারতবর্ষ বিভাজনের সময়ও বাংলা ও আসামে মুসলিম লীগই ক্ষমতাসীন ছিল। ব্রিটিশদের প্রস্তাব অনুযায়ী উপমহাদেশ বিভাজনের মধ্য দিয়ে মুসলিম ও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ সমন্বয়ে দু’টি পৃথক রাষ্ট্র সৃষ্টির কথা বলা হলেও বাংলা ও পাঞ্জাবের ক্ষেত্রে তা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। সে সময় বাংলা ও পাঞ্জাব মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ হওয়া সত্ত্বেও উভয় প্রদেশে যে রক্তক্ষয়ী সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সংঘটিত হয়, তা প্রদেশ দু’টির বিভাজনের কারণ হিসেবে দাঁড় করানো হয়। বাংলা ও পাঞ্জাব বিভাজনে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত ও আকাঙ্ক্ষার চেয়ে সাম্প্রদায়িকতার মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ জনগোষ্ঠীর মতামত ও আকাক্সক্ষা অধিক গুরুত্ব পেয়েছিল।
বঙ্গভঙ্গ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথকে এমনভাবে আলোড়িত করেছিল, তিনি বাংলার অখণ্ডতাকে অক্ষুণœ রাখার জন্য ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালো বাসি’ গানটি রচনা করেছিলেন; কিন্তু ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ বিভাজনের সময় দেখা গেল কবিগুরুর আশীর্বাদধন্য ভক্তরা তার আদর্শচ্যুত হয়ে বাংলা বিভাজনে অনড়। যা হোক, ধর্মীয় জাতিসত্তার ভিত্তিতে সৃষ্ট পাকিস্তান ২৩ বছরের মাথায় ভেঙে যায়। পাকিস্তানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অধিবাসীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল; কিন্তু রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে তারা পাকিস্তানের পশ্চিম অংশের অধিবাসীদের চেয়ে পিছিয়ে ছিল। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের পার্লামেন্ট বা জাতীয় পরিষদের যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাতে কার্যত পূর্ব পাকিস্তানভিত্তিক দল আওয়ামী লীগ প্রায় একচেটিয়া বিজয়ী হয়ে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসনক্ষমতা পরিচালনার অধিকার লাভ করলেও তাদের সে গণতান্ত্রিক অধিকার দেয়া হয়নি। জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়কে আমাদের পাশের ভারত তাদের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখে। কিছু দিন পরে এ দেশের জনগণ স্বাধীনতার দাবিতে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হলে ভারত আমাদের পাশে এসে দাঁড়ায়। মুক্তিযুদ্ধের শেষপর্যায়ে ভারত-পাকিস্তান প্রত্যক্ষ যুদ্ধের মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটির অভ্যুদয় হয়। 
পূর্ব বাংলার পাকিস্তানের সাথে অন্তর্ভুক্তি ভারতের নেতাদের কাছে ছিল অগ্রহণযোগ্য। ভারতবর্ষ বিভাজনের পরই ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওয়াহের লাল নেহরু দলীয় সভায় বক্তৃতাকালে অনেকটা আস্থার সাথে বলেছিলেন, পূর্ব পাকিস্তান আমাদের সাথে চলে আসা সময়ের ব্যাপার মাত্র। অনেকের মতে, ’৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় যেন পাকিস্তান থেকে পৃথক হওয়ার পথে অগ্রসর হয় সে লক্ষ্যে নির্বাচন-পরবর্তী জানুয়ারি মাসে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র (জঅড)-এর পরিকল্পনায় কাশ্মিরের শ্রীনগর থেকে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাই করে পাকিস্তানের লাহোরে নিয়ে বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়। এটা বিমানটির শেষ ফ্লাইট ছিল এবং এরপর বিমানটিকে উড্ডয়ন অনুপযোগী ঘোষণা করার কথা ছিল। সুকৌশলে এমন একটি বিমান ছিনতাই করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের উভয় অংশের বেসামরিক বিমান যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি। সে ছিনতাই মিশনে যে ভারতীয় নাগরিক পাকিস্তানের কথিত চর হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিল, পরে দেখা গেল সে ভারতীয় কাশ্মির থেকে নির্বাচিত একজন বিধায়ক। 
তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এ দেশের মানুষের মূল যে অভিযোগ ছিল তা হলো শোষণ ও বঞ্চনার; কিন্তু আজ এটাই প্রতীয়মান, পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাসনামলে আমরা যতটুকু শোষণ ও বঞ্চনার শিকার হয়েছি, স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তীকালে আমাদের পড়শিদের শোষণ ও বঞ্চনা এর চেয়ে কম নয়। 
বিপথগামী সেনাসদস্যদের হাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানের নিহত হওয়ার ঘটনা এ দেশের অগ্রযাত্রাকে স্তিমিত করে দেয়ার নিমিত্ত যে বিদেশী ষড়যন্ত্রের অংশ, সে সত্যটি আজ দেশের সাধারণ জনমানুষ অনুধাবন করতে সক্ষম। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ৪৫ বছর অতিক্রম করার পর দেখা গেল, বিভিন্ন সামাজিক সূচকে দেশটির অবস্থান পাকিস্তান ও ভারতের আগে। সামাজিক অগ্রগতি অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সার্বিকভাবে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত। এ প্রেক্ষাপটে আজ বাংলাদেশ বহুমুখী ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সম্মুখীন।
যেকোনো দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনমতের প্রতিফলনে বিজয়ী দলের মাধ্যমে যদি সরকার পরিচালিত হয় তা দেশের স্থিতিশীলতাকে সুসংহত করার পাশাপাশি অগ্রযাত্রা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে। স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র বিভিন্নভাবে দেশী ও বিদেশী স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক বিপন্ন হওয়ার কারণে এর স্থিতিশীলতা বিনষ্ট এবং অগ্রযাত্রা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে। 
বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি সৃষ্টির পর এটি প্রথমত, সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা, অতঃপর রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা এবং আবারো সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থায় পরিচালিত হয়ে আসছে। এ দেশে এখন পর্যন্ত জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি পদের দু’টি এবং সংসদের ১০টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি পদের উভয় নির্বাচন রাষ্ট্রপতি ক্ষমতায় থাকাকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং উভয় নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতিই বিজয়ী হয়েছেন। ১০টি সংসদ নির্বাচনের ছয়টি দলীয় সরকারের অধীন এবং অপর চারটির দু’টি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন ও অবশিষ্ট দু’টির একটি কর্মরত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন অস্থায়ী সরকারের অধীন এবং অপরটি সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ১০টি নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ক্ষমতাসীনদের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচনেই ক্ষমতাসীনেরাই বিজয়ী হয়েছেন। অপর দিকে, অন্যদের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচনেই প্রধান বিরোধী দলের বিজয় ঘটেছে। নির্বাচনী ফলাফলের এমন চিত্র থেকে যে ধারণা পাওয়া যায়, তাতে এ বিষয়টি অনেকটা স্পষ্ট যে, এ দেশে ক্ষমতাসীনদের অধীনে অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারে না। 
বাংলাদেশের বর্তমান যে রাজনৈতিক সঙ্কট তা হলো, মেয়াদের অবসান বা অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে কোন ধরনের সরকারের অধীনে কী পদ্ধতিতে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতঃপূর্বে এ বিষয়টি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছিল; কিন্তু পরে বিচারপতিদের অবসরের বয়স বৃদ্ধি করে নিজের অনুগত লোককে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার মানসে সংবিধান সংশোধন এবং এ সরকার গঠনসংক্রান্ত সব বিকল্পের যবনিকা পাত না ঘটিয়ে তা গঠন করায় এবং সর্বোপরি প্রধান বিরোধী দলের কাছে এ সরকারের কার্যকলাপ পক্ষপাতদুষ্ট বিবেচিত হওয়ায় এ সরকার বিতর্কের মধ্যে পড়ে যায়। এ দুর্বলতাগুলোকে অবলম্বন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একনিষ্ঠ সমর্থক আওয়ামী লীগ জনমতকে উপেক্ষা ও অবজ্ঞাপূর্বক একতরফাভাবে এ সরকারব্যবস্থার রহিতসাধন করেছে। এটা করার পর যে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এটি সাংবিধানিক ও আইনগত দিক থেকে কোনোভাবেই সিদ্ধ নয়। এ নির্বাচনটি আমাদের দেশের সাধারণ জনমানুষসহ আন্তর্জাতিক মহলে পাশের রাষ্ট্র ভারত ব্যতীত অপর কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য হয়নি। নির্বাচনটি অনুষ্ঠানের পূর্বক্ষণে দেখা গেছে, বিশেষ বিমানে ভারতের সে সময়কার পররাষ্ট্র সচিব ঝটিকা সফরে ঢাকায় এসে নির্বাচনী মাঠ থেকে জাতীয় পার্ট যাতে সরে না যায়, সে দূতিয়ালিতে ব্যস্ত। 
আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ শান্তিপ্রিয় এবং তারা দেশটিকে উন্নত ও সৃমদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চায়। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য গণতন্ত্র ও সুশাসন অপরিহার্য। আমাদের দেশের ক্ষেত্রে বাস্তবতার নিরিখে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিকল্প নেই। এখন সে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কোন ধরনের সরকারের অধীনে কী পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে সেটি নির্ধারণের দায়িত্ব বড় দু’টি রাজনৈতিক দল বিশেষত ক্ষমতাসীন দলের। আর এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তা যে, আমাদের স্থিতিশীলতা, অগ্রযাত্রা, উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে ব্যাহত করবে অন্তত দেশের স্বার্থে সে সত্যটি উপলব্ধি করে ক্ষমতাসীন দলসহ সবার উচিত সঙ্কট সমাধানে ঐকমত্যে পৌঁছে জটিলতা ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটানো। 
লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক
E-mail: iktederahmed@yahoo.com