Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Wed September 19 2018 ,

সন্ত্রাস আতঙ্কের বদলে এখন পুলিশি আতঙ্ক

Published:2016-07-25 11:59:20    
সন্ত্রাস আতঙ্কের বদলে এখন পুলিশি আতঙ্ক

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F504%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

ঢাকা মহানগরীতে তিনশতাধীক পুলিশি চেকপোষ্ট চৌকি। মোড়ে মোড়ে পুলিশের বিশেষ টিমের অবস্থান। ভ্রাম্যমান পুলিশ মোটর বাইক নিয়ে অনবরত সায়রন বাজিয়ে সবাইকে জানান দিচ্ছে। র্যাবের টহল ব্যাপকভাবে মানুষের নজর কারছে। মাঝে মধ্যে বিজিপির টহলরত পিকআপ চলছেই। সন্দেহ হলেই থামিয়ে মটর বাইক ও প্রাইভেট গাড়ীতে থাকা ড্রাইভার ও সঙ্গীকে ব্যাপকবাবে তল্লাশি করা হচ্ছে। তল্লাশির সময় বন্দুক তাক করে আরেকজন পুলিশ সদস্যের অবস্থান। সাথে লাঠি হাতে নিয়ে মারমুখি ভঙ্গিতে অপর পুলিশ সদস্য দাড়িয়ে থাকেন। সংকেত দিলে কেউ না দাড়িয়ে চলে যাবার চেষ্টা করেন তাহলে সরাসরি গুলির নির্দেশ তো আছেই। শুধু যে ঢাকার মূল সড়কগুলোর চিত্র এমন তা নয়, বরং মহল্লার ভিতরে যেসব গলি রাস্তা রয়েছে সেখানেও পুলিশের এমন অবস্থান নগরে বসবাসরত সাধারণ নাগরিকদের বলতে গেলে বেশ ভাবিয়ে তুলেছে।
 
সম্প্রতি কিছু হামলার ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের মৃত্যের ঘটনা বাকী পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে মনে হয় অনেকটা এগ্রিসিফ করে তুলেছে। ষোল কোটি দশ লক্ষাধিক মানুষের মাঝে এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটায় মাত্র কয়েকজন। শতকরা হিসেবে তাদের কোন অবস্থানই নাই। অথচ মাত্র কয়েকজন বিচ্ছিন্নবাদী ব্যাক্তি বা সন্ত্রাসীর জন্য ভুক্তভোগী আজ সমগ্র জাতি।
 
গুলশান ২ এর ৭৯ নম্বর সড়কে অবস্থিত হলি আর্টিজান রেষ্টুরেন্ট ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় বোমা হামলায় চারজন পুলিশ সদস্য নির্মমভাবে নিহত হয়েছে। এতে গোটা ডিপার্টমেন্ট হতভম্ব অন্যদিকে গর্বিতও। কারণ শোলাকিয়ায় হামলাকারীরা যদি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঈদগাহ মাঠে প্রবেশ করে বোমা বিস্ফোরণ করতো তাহলে হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষের হত্যার ঘটনাও ঘটতে পারতো। সেটা রক্ষা করতে গিয়ে দুইজন পুলিশ সদস্যের প্রাণ হারাতে হয়েছে।
 
হলি আর্টিজানে হামলাকারীদের জীবিত উদ্ধার করেনি অভিযান পরিচালনাকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মাত্র তের মিনিটে শেষ হওয়া অভিযানে রেষ্টুরেন্টের ভেতরে অবস্থান নেয়া জঙ্গিরা কোন প্রতিক্রিয়াও দেখাতে সাহস পায়নি। আগের রাতে দুইজন পুলিশ অফিসার সহ মোট তেইশজন দেশি-বিদেশি নাগরিককে হত্যা করা জঙ্গিদের তছনছ করে দিতে সামর্থ হয়েছে অভিযান পরিচালনা কারীরা। এ যেন ‘ছাড়পোকা মাড়তে কামানের ব্যাবহার’। হত্যা হওয়া দুই জঙ্গি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে শুরু হয়ে গেছে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর চড়াই-উৎরাই। বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৯২ এর মাধ্যমে দেশের প্রথম অনুমোদন পাওয়া বেসরকারী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে পুলিশের তল্লাসী চৌকি বসিয়ে প্রত্যেক ছাত্র-শিক্ষককে কম হেনস্থা করা হচ্ছেনা। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যাক্তিরা মুখে ফেনা তুলছে এসব বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ব্যাপক নজরদারী চালানো হবে। যা ইতোমধ্যে এসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্র-অভিবাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎকন্ঠা তৈরি করেছে। 
 
এসব ঘটনার পর ভোগান্তিতে রাজধানিবাসী, বাসা ভাড়া দেওয়া ও নেওয়া খুবই কঠিন হয়ে পরেছে। বাসার মালিকরা ফ্যামিলি বাসা ভাড়া দিতে কিছুটা সম্মত থাকলেও ব্যচেলর হলে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। 
এদিকে মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, “অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, ইতোমধ্যে ৪০ লক্ষ ভাড়াটিয়াদের তথ্য ফরম কিন্তু কালেকশন করে ফেলেছি।
“প্রাপ্ত তথ্য থেকে যাদের সন্দেহ হচ্ছে, তাদের বিষয়ে বিভিন্ন মহল্লায় যাচ্ছি। সন্দেহ হলে বা তথ্য গরমিল পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেছেন- নব্বইয়ের দশকে উচ্চ শিক্ষার চাহিদা অধিকমাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় দেশীয় ছাত্র-ছাত্রী বেশি টাকা খরচ করে বিদেশে পড়ালেখা করতে অনেকটা হুমরি খেয়ে পরতে লাগলো। তখনই বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৯২ এর মাধ্যমে ১৯৯২ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট ৫৪টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়া হয়। তখন এসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল মানসম্মত শিক্ষা প্রদান। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই অনুমোদন দেয়া হয়েছিল এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে। 
এভাবেই দেশের জনগণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে উর্ধতন কতৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়নের অভাবে নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ড হচ্ছে। এসব অপরাধ নিরসনে প্রশাসনের সকল তৎপরতায় বিব্রত ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ জনগণ।