Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

সাংবাদিকতার দায়িত্বঃসাংবাদিকরা পুলিশ নয়

Published:2016-08-23 00:46:36    
সাংবাদিকতার দায়িত্বঃসাংবাদিকরা পুলিশ নয়

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F507%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

সংকটে আবর্তিত সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকের দায়িত্ব। এ দুটি বিষয় এখন সংবাদপত্রের প্রতিটি অফিসে মুখ্য আলোচ্য বিষয়। হয়তো এই আলোচনা এক সময় থেমেও যেতে পারে। অথবা বাড়তে পারে। যাই হোক সংবাদপত্র যতটুকু সংকটে আবর্তিত তার চেয়ে বেশি বোধ হয় সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালনে দৃটান্তনীয় তেমন কিছু করতে পারছে না। এটা মারাত্মকভাবে অনুভূত হচ্ছে সংবাদপত্র জগতে। এবং সংবাদ সংশ্লিষ্ট পাঠক, রাজনীতিবিদ, গণতন্ত্র, ব্যবসা , বিজ্ঞাপন, সরকার অতঃপর সংবাদ কর্মী। বিশাল একটি জনগোষ্ঠী আজকে সাংবাদিকদের দায়িত্ব নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করছেন। বিশেষ একটি সচেতন মহল বলছেন, সাংবাদিকরা বর্তমান সময়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সীমা লঙ্ঘনকারী ব্যক্তিদের মত নিজের পেশাকে ডিঙ্গিয়ে চলার এক ব্যর্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকতা বিষয় টি দেশের মানুষের কাছে সবসমই একটি জটিল বিষয়। পেশা জীবনের শুরুতে যখন সাধারণ মানুষের কাছে কোন সংবাদ তালাশে হাজির হতাম। তখন দেখতাম তারা খুশিতে আটখানা হয়ে যেত।সমাজের অনেক উন্নতর পেশাজীবী হিসাবে সে সময় মানুষ আমাদেরকে সম্মান , শ্রদ্ধা এবং আদর করতেন অনেক অনেক বেশি। অনেক সময় নিজের মধ্যে অহংকার বোধ এসে যেত। আবার নিজের সচেতনতা থেকেই "আমি কি হয়ে গেলাম' এই চিন্তা থেকে নেমে আসতাম সহজেই। ঐ বাতাস চলে গেলেই , তাল গাছ যেমন আকাশে উড়ার স্বাদ থেকে মাটিতেই দাঁড়িয়ে থাকে সংবরন অবস্থায় সংবাদ করার জন্য অগ্রজেরা আমাদের পরামর্শ দিতেন নির্দেশ দিতেন। ব্রীফ করতেন এবং লিখা গুলো সেভাবেই সম্পাদনা করে পরদিন আবার প্রকাশিত সংবাদটি আবার পড়তে বলতেন। তারা বলতেন সাংবাদিকের দায়িত্ব আকাশছোঁয়া। কিন্তু তাদের পেশা এবং জীবন মাটিতে লেগে থাকা। ১৮৩৮ সালে যখন সংবাদপত্র বিশ্বের গুটিকয়েক দেশে, গুটিকয়েক মানুষের মধ্যে চলাচল করতো। অতঃপর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ভয়াবহতা। সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকের ভূমিকাতে বর্ণনা করতে গিয়ে বৃটেনের একমাত্র প্রধান মন্ত্রী যিনি চারবার নির্বাচিত হয়ে ছিলেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অন্যতম দার্শনিক হিসেবে খ্যাত রাজনীতিক চার্চসীল , যখন সংবাদপত্রকে তার রচনায় ফোর্থস্টইট হিসেবে উল্লেখ্য করলেন, তখন পৃথিবীময় সংবাদপত্র একটি বিশেষ অবস্থানে উন্নীত হয়। সাংবাদিকতায় হয়ে পড়েন সম্মানিত মানুষ। তারপর থেকেই সারা বিশ্বময় সংবাদপত্রের উত্তরণ ঘটতে থাকে দ্রুত। বাড়তে থাকে এ পেশার পেশাজীবী। সংবাদপত্রের উপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার কারিকলামটির বয়স খুব একটা বেশি নয়। ফলে এই বিষয়ের উপর লেখা। বই-পুস্তক-এর সংখ্যাও তেমন নেই। তাছাড়া বাংলা ভাষায় সাংবাদিকতার বই-পুস্তকের সংকট বলতে হবে আকাশ্চুম্বি। ফলে এদেশে সাংবাদিকতা পেশাটি বিকশিত হয়েছে অনেকটা গভীর বনজঙ্গলে আপনা আপনি বেড়ে ওঠা মুল্যবান গাছের মতই । বিনা চাষে যেমন আগাছা বাড়ে । বিনা যত্নে যেমন অনেক বৃক্ষ বহু ফলদান করে। ঠিক তেমনি এ দেশের সংবাদ পত্র এবং সাংবাদিকদের বিকাশ এবং প্রকাশ। হয়তো সেই কারণেই সংবাদপত্র নামের বিশাল বৃক্ষটি আজকে বাংলাদেশে অসংখ্য ডালপালা বিকশিত হলেও, তার অধিকাংশই অযত্নে, বেড়ে উঠার ফলে পুষ্টিহীন শিশুর মত শুধু বাড়ছে এবং একসময় অনেক কিছু বলার স্বাদ থাকলেও না লিখে রক্ত শুন্যতায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে সাংবাদিক এবং সংবাদপত্র। ঠিক এ অবস্থায় সংবাদপত্রে এবং সাংবাদিকের দায়িত্ব নিয়ে কোন কিছু লেখা অবশ্যই কঠিন বিষয় । তারপরেও জীবনের সবকটা সময় এই পেশার সঙ্গে থাকার কারণে বেশকিছু দিন ধরে মনে হচ্ছে, আর কিছু করি বা না করি, এখনই বোধহয় সংবাদপত্র এবং সাংবাদিক এই বিষয় টিকে প্রাতিষ্ঠানিক একটি পর্যায়ে উন্নীত করার চিন্তা থেকে সাংবাদিক এবং সংবাদপত্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং তাদের জনসম্পৃক্ততা নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে কিছু লিখা প্রয়োজন । একজন সাংবাদিকের জীবন মূলতঃ একটি ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোরের মত। একটি ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোরে গেলে সেখানে চুলের ফিতা থেকে জুতার ফিতা পর্যন্ত সবকিছু যেমন পাওয়া যায়। ঠিক তেমনি একজন সাংবাদিকের মেধা সীমা হতে হবে জুতার ফিতা থেকে মাথার ফিতা পর্যন্ত । তাকে সবকিছু ভালোভাবে জানতে হবে বা সবকিছুর জ্যাক বা জুয়েল হতে হবে এমনটি নয়, তবে অবশ্যই একজন সাংবাদিককে সবকিছু জানতে হবে। আজকে এই সবকিছু জানার প্রয়োজনীয়তাটির কথা বলে প্রথম পর্বটি শেষ করতে চাই। এই লেখাটি ধারাবাহিক ভাবে লেখা আমি মনে করি অবশ্যই এটা এখন সময়ের দাবী । কেননা সাংবাদিককে বুঝতে হবে তিনি সাংবাদিক । তিনি পুলিশ নন, তিনি বিচারক নন, তিনি ব্যবসায়ী নন, তিনি পর্যটক নন,তিনি মসজিদের ঈমাম নন অথবা ফাদার বা পুরোহিত নয়, তিনি শিক্ষক নন এবং তিনি রাজনীতিবিদ নন, তিনি মন্ত্রী বা মন্ত্রীর চামচা নয়। তিনি একজন সাংবাদিক। তার দায়বদ্ধতা সংবাদপত্রের নীতিমালায় এবং পাঠকের প্রশ্নমালায় । তিনি সংবাদ সৃষ্টি করবেন না। তিনি ঘটমান ঘটনা বর্ণনা করবেন।ক'দিন আগে ক্ষমতাসীন দলের একজন তরুণ নেতা এবং বিরোধী দলের একজন প্রবীণ নেতা সাংবাদিকদের কাছে পৃথক পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, আপনারা সত্য কথা লিখুন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করুন। সঠিক সংবাদ প্রকাশ করুন। রাজনীতিবিদের কাছ থেকে এদেশের সাংবাদিকদের উপদেশ নিতে হবে এবং তাদের পরামর্শে আমাদেরকে লিখতে হবে , এই দুঃখজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছি আমরাই । সাংবাদিকরা রাজনৈতিক আদর্শে আজকে প্রকাশ্যে তিন ধারায় বিভক্ত হয়ে গেছে । এবং বিভক্ত সাংবাদিকদের দলীয় কর্মী মনে করে নেতারা উপদেশ দেন। এবং বলেন, আপনারা সত্য কথা বলুন,আপনারা সত্য কথা লিখুন। রাজনীতিবিদরা মিথ্যা বলবে আর সাংবাদিকরা সত্য লিখবে এটা কি করে হয়। রাজনীতিবিদরা স্বসার্থে যা কিছু করবে আর সাংবাদিকরা সেগুলোর প্রশংসা করবে। এমনটি সংবাদপত্রের নীতিমালায় যেমন পড়ে না, ঠিক তেমনি রাজনীতির নীতিমালাতেও পড়ে না । রাজনীতিবিদরা নিজেদেরকে শিক্ষক মনে করেন। দৃটান্ত স্বরূপ তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার কথা আমরা বলতে পারি, তিনি সৃষ্টি করেছিলেন সোহরাওয়ার্দী এবং শেখ মজিবের মত রাজনীতিবিদদের। তিনি তাদের কে বলে দিতেন , কোথায় গিয়ে কি বক্ত্রতা দিতে হবে। কিভাবে বলবেন এবং কিভাবে সে সংবাদ গুলো হতো তা নিয়েও আমি এক সময় আলোচনা করব। বলছিলাম, এক সময় সাংবাদিক হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে গেলে আকাশচুম্বী সমাদরে আদৃত হতাম । আজকে সম্পাদকের পর অনেক কিছু হয়েও, অনেক কিছু লিখেও বলতে ইচ্ছে করে না। আমি সাংবাদিক। সুতরাং এখনই সময় সাংবাদিকদের পেশা এবং এই পবিত্র প্রতিষ্ঠানটিকে তার দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার প্রয়োজনেই এই লিখা বলতে দিধা নেই সাংবাদিকদের বা সংবাদপত্রের সৃষ্ট সংকট সাংবাদিকরাই সৃষ্টি করেছে অসৎ ব্যবসায়ীদের মত দ্রুত ধনী হবার লোভে এবং ক্ষমাতাসিন দল ও সরকারের অনুকম্পায় দ্রুত সম্মানিত হওয়ার মহে। আমরা এমন এক জায়গায় এখন আছি যেখানে ব্যর্থ অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদেরকে সাংবাদিকতা পড়াতে চাই। অপর দিকে প্রবীণ একজন সাংবাদিক সরকারের কার্যকলাপের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বললেন, যেখানেই সরকারের (আওয়ামীলীগ) লোক দেখবেন বলবেন চোর চোর মূলত দুটিই সাংবাদিকদের শোনার কথা ছিল না।