Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

দিবস নিয়ে রাজনীতি, রাজনৈতিক বেহায়াপনা নয় কি?

Published:2017-02-21 18:17:34    
দিবস নিয়ে রাজনীতি, রাজনৈতিক বেহায়াপনা নয় কি?

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F527%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

২১শে ফেব্রুয়ারী, ১৬ই ডিসেম্বর, ২৬ শে মার্চ সহ অনেক দিবসই পালিত হয় বাংলাদেশে। কিছু দিবস সার্বজনিন। কিছু দিবস দলীয়, কিছু দিবস গোষ্টি ভিত্তিক আবার কিছু দিবস সার্বজনিন হলেও কুক্ষিগত করার প্রচেষ্টায় থাকেন ক্ষমতাশীনরা। আবার কিছু দিবস আছে জোড় পূর্বক অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টাও থাকে তাতে। আবার কিছু দিবস আছে এক জোট ডাকে এক নামে, অন্যজোট ডাকে ভিন্ন নামে। যেমন ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ আবার একই দিনকে বলা হচ্ছে ’গণতন্ত্র রক্ষা দিবস’। একটু চোখ কান খোলা মানুষ এসব ভালভাবেই বোঝেন যে, আসলে কে কি করতে চান, কে কি বলতে চান। বর্তমানে দিবসের দ্বন্দ কিছুটা কমেছে। কারন হিসেবে বলা যায়, দেশের রাজণীতি এখন একমুখী। বিরোধীপক্ষ সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে কথা বলছে মেপে মেপে। রোষানলের ভয়ে প্রকম্পিত বিরোধী রাজনীতিকদের কথাবার্তা সরকারে থাকা ব্যাক্তিদের কথার সাথে হুবহু মিলে যাচ্ছে। টেলিভিশন টকশোগুলোতেও একই চিত্র। সরকারদলীয় টকারদের অনুমতি নিয়েই বলতে গেলে মস্তক অবনত চিত্তেই সম্ভাষন করে অত্যান্ত বিণয়ের সাথে একটু খানি ভিন্নমত পোষন করছেন। এতো অমায়িক ভাব যেন মনে হয়, দুগ্ধ পানরত শিশু ঘুমিয়ে গেলে মা সন্তানের মুখ থেকে স্তন সরিয়ে নিলেন। হঠাৎ কোন অনুষ্ঠানে দুই মেরুর রাজনীতিকদের মাঝে দেখা হলে পরিবেশটা এতটাই উৎসবমুখর হয়ে উঠে যে, মনেহয় সম আদর্শের দুই ব্যাক্তি দীর্ঘদিন পরে এক জলসায় দেখা হয়ে গেল আরকি। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও খবর প্রকাশ হয়েছে, সবাই এখন নিজেকে আওয়ামীলীগ পরিচয় দিতে কমফোর্ট ফিল করেন। সত্যিই, কি সাংবাদিক, কি ব্যাবসায়ী, কি রাজনীতিক, কি চামার, মুচি, টাউট বাটপার সবাই এখন আওয়ামীলীগ হয়ে গেছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে সবাই যদি আজ আওয়ামীলীগ হয় তাহলে শেখ মুজিব হত্যার পর তার জানাজায় এক কম লোক ছিলো কেন? আসল কথা সেটা নয়। বাংলাদেশের মানুষের চরিত্র বলতে কিছু নেই। যেদিকে বৃষ্টি সেদিকেই ছাতা ধরার প্রবণতা। 


রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে খারাপ সময় যাচ্ছে জামায়াতের। হত্যা, ফাঁসি, গুম, নির্যাতন, ভৎসনা, বিচার বহির্ভূত হত্যা যেন এই দলের পিছু ছাড়ছেনা। জন্মের পর থেকে শোনা গেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সরদারদের সরদার রাজাকার হলো গোলাম আজম। গোলাম আজমের আদর্শের উল্টো মেরুর সরকার যখন বর্তমান, তখন বেচারা রাজাকার বিদায় নিলেন দুনিয়া থেকে। তাও আবার যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া চলাকালে, বন্দি অবস্থায়। জাতির পিতার হত্যার পর তার জানাজায় লোক সংখ্যার বিবেচনায় ধারণা ছিল, এই সময়ে গোলাম আজমের জানাজা পরার কোন লোক থাকবেনা। কিন্তু বাস্তাবে কি হয়েছে দেশীয়, আন্তুর্জাতিক ও সামাজিক গণমাধ্যমের বদৌলতে সবার কাছে তা পরিস্কার হয়েছে। এখানে জামায়াতের কাছে অন্যান্যদলের নেতাকর্মীদের আদর্শিক প্রশিক্ষন নিতে হবে সেই ইঙ্গিত বহন করে কিনা তা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। দাবী উঠেছে খালেদা গ্রেফতার হলে বাংলাদেশে কোন নির্বাচন হবেনা। এসব কথা ডাহা মিথ্যা। ওয়ান ইলেভেনের সময় বিএনপি ও আওয়ামীলীগ যেভাবে বিভক্ত-বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করেছিল তাতে তৎকালীন সময়ে থাকা সরকারের কর্তাব্যাক্তিগণ অথর্বের পরিচয় না দিয়ে আর কিছু দিন হাল ধরে রাখতে পারলে খালেদা-হাসিনার নেতৃত্ব যে কোথায় যেত তা আজ ১৬ কোটি হুজুগে বাঙ্গালী ঠিকমতো টের পেতো। যে কেউ ক্ষমতার মসনদ একবার পেলে রীতিমতো প্রতিপক্ষতে কোনঠাসাঁ করা যায় তা বর্তমান অবস্থাই  প্রমাণ করে। এ যেন ইদুঁরের গর্তে বিরোধীদের ঢুকিয়ে দিয়ে গর্তের মুখে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে গুতো মারতে থাকার মতো অবস্থা। 


আজ ২১ শে ফেব্রুয়ারী। আমাদের জাতীয় জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন আজ। মহান শহীদ দিবস। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও আজ। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে বিক্ষোভরত ছাত্র-জনতার ওপর চালানো হয় গুলি। শহীদ হন বরকত, সালাম, রফিক, জব্বারসহ অনেকে। তাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি বাংলা ভাষার অধিকার। প্রতি বছর এই দিনে শ্রদ্ধাভরে সব রাজনৈতিক দল, তথাকথিত সামাজিক সাংস্কৃতিক দল সকলে মিলে পর্যায়ক্রমে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সেখানে গিয়ে শহীদদের আতœার মাগফেরাত কামনার বিষয়টি রাজনীতিকদের কাছে প্রাধান্য পায়নি। তারা প্রত্যেকে রাজনৈতিক দাবি-দাওয়া আদায়ের সুযোগ নিয়েছেন। বিভিন্ন দিবসে রাজনৈতিক শীর্ষ ব্যাক্তিদের মুখেও হুশিয়ারী উচ্চারণ করতে দেখা গেছে অমুক দিবসে চাঁদাবাজি করলে কঠোর ব্যাবস্থা নেয়া হবে। তাতে বোঝা যায় দিবসকে ঘিরে যে রাজনীতি ও স্বার্থবাদী আচরণ প্রচলিত তা একেবারেই পরিস্কার। জামায়াতে ইসলামীও ভাষা দিবসে গণমাধ্যমে প্রেসবিজ্ঞপ্তি প্রেরণ করে দাবী জানিয়েছেন, গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক হিসেবে স্বিকৃতি প্রদান করা হোক। ফলে রাজনৈতিক বেরাজালে দিবসগুলো আবদ্ধ না রেখে দিবস হোক সংশ্লিষ্ট গোষ্টী ও শ্রেণী পেষার মানুষের জন্যই। এই প্রত্যাশা ত থাকতেই পারে সাধারণ মানুষের?