Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Tue September 25 2018 ,

টেণ্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ্বতা আবশ্যক

Published:2017-10-25 10:26:30    
টেণ্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ্বতা আবশ্যক

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(): https:// wrapper is disabled in the server configuration by allow_url_fopen=0

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: file_get_contents(https://api.facebook.com/method/fql.query?format=json&query=SELECT+url%2C+normalized_url%2C+share_count%2C+like_count%2C+comment_count%2C+total_count%2C+commentsbox_count%2C+comments_fbid%2C+click_count+FROM+link_stat+WHERE+url+%3D+%27http%3A%2F%2Fbanglasongbad24.com%2Fcontent%2Ftnews%2F541%27): failed to open stream: no suitable wrapper could be found

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 32

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Trying to get property of non-object

Filename: singlecontent/tcontent.php

Line Number: 35

সরকারি টেন্ডার (দরপত্র) ও কেনাকাটায় অস্বচ্ছতার কারণে যে বড় ধরনের দুর্নীতির আশ্রয় নিতে পারে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট অসাধু কর্মকর্তা, তা বলাই বাহুল্য। ফলে সরকারি কেনাকাটা ও টেন্ডার থেকে শুরু করে যে কোনো প্রকল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বক্ষেত্রে ই-টেন্ডারিং পদ্ধতি বাধ্যতামূলক এবং এতেও কোনো ফাঁকফোকর থাকলে সেটা বন্ধ করার উদ্যোগ নেয়া দরকার। দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সঙ্গে একমত হয়ে বলতে হয়, সরকারি কেনাকাটা ও দরপত্রের অস্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এটি দেশে নানা পর্যায়ের দুর্নীতির বড় উৎসে পরিণত হয়েছে। এ থেকে মুক্ত হতে হলে স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে সর্বনি¤œ দরদাতাকে দিয়ে মানসম্মত কাজ আদায়ের উদ্যোগ নেয়ার বিকল্প নেই।
দেশে টেন্ডার প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতার কারণে কেবল যে দুর্নীতি হচ্ছে তা-ই নয়, এটি অন্যান্য অনেক অপরাধেরও জন্ম দিচ্ছে। এটা কারোই অজানা নয়, অস্বচ্ছ টেন্ডার তথা দরপত্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ আয়ের সুযোগ থাকায় রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি সরকারদলীয় ছাত্রনেতারাও এতে জড়িয়ে পড়েছে। শুধু তা-ই নয়, যে কোনোভাবে টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ বাগিয়ে কমিশন পাওয়ার জন্য রাজনৈতিক-ছাত্রনেতাদের একাধিক গ্রুপের কোন্দল-দ্বন্দ্বে এ পর্যন্ত বহু মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রনেতা হত্যার পেছনেও টেন্ডার দুর্নীতির মাধ্যমে কমিশন বাণিজ্যের সংশ্লিষ্টতার কথা এসেছে। আমরা মনে করি, কেবল দুর্নীতি-অনিয়ম রোধেই নয়, হাঙ্গামা, মারামারি ও দলাদলির মতো বিপজ্জনক খেলা বন্ধ এবং সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতার জন্য ই-টেন্ডারিংয়ে জোর দেয়া দরকার।
আমাদের সংবিধান রাষ্ট্রকে এমন অবস্থা সৃষ্টির তাগাদা দিয়েছে, যেখানে সাধারণ নীতি হিসেবে কোনো ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করতে পারবে না। এটি নিশ্চিত করার উদ্যোগ রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। এজন্য সরকারি কাজ- কেনাকাটা, টেন্ডার-দরপত্র, নিয়োগসহ সবক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাধীন প্রতিষ্ঠান দুদক ও প্রতিযোগিতা কমিশন নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে পর্যবেক্ষণ বাড়ালে দুর্নীতি-অনিয়ম কমে আসতে বাধ্য। অবশ্য, সরকারি টেন্ডার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে ই-টেন্ডারিং চালু করা হয়েছে, এমনকি সব সরকারি কাজে সুশাসন ও জবাবদিহিতার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; কিন্তু সর্বক্ষেত্রে তা এখনও বাস্তবায়ন করা যায়নি। দুদকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পর্যবেক্ষণ বাড়ালে, কেবল মুখের কথায় থেমে না থেকে উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের পাশাপাশি টেন্ডারে অস্বচ্ছতার সঙ্গে যেসব কর্মকর্তা জড়িত, তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা ও বিচারের আওতায় আনা গেলে এ খাতের দুর্নীতি কমে আসবে বলে আশা করা যায়।