A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: Missing argument 1 for content::currentissue()

Filename: controllers/content.php

Line Number: 152

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Undefined variable: id

Filename: controllers/content.php

Line Number: 169

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পর এবার সম্প্রচার আইন: পাশ হবে আগামী সংসদে
Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পর এবার সম্প্রচার আইন: পাশ হবে আগামী সংসদে

Published:    
Image

মোঃ কামরুজ্জামান: 

বেতার, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোকে ‘নিয়মের মধ্যে’ রাখতে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনায় সম্প্রচার কমিশন গঠনের বিধান রেখে ‘সম্প্রচার আইন-২০১৮’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে দেশে–বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেই সরকার সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর জন্য নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে নতুন এ আইন চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, দশম জাতীয় সংসদের আসন্ন শেষ অধিবেশনে পাশ করা হবে এ আইন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়কে এ ধরণের নির্শনাও দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, আগামী ২১শে অক্টোবর সমাপনী অধিবেশনের প্রথম কার্য়দিবসে তথ্যমন্তী হাসানুল হক ইনু বিলটি সংসদে উত্থাপন করবেন এবং ওদিনই স্পিকার বিলটি যাচাই বাছাইয়ের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠিয়ে দেবেন। পরবর্তী দু-একদিনের মধ্যে কমিটি বিলটি চূড়ান্ত করে সংসদে উপস্থাপন করবে এবং সে দিনই বিলটি জাতীয় সংসদে পাশ হবে। আর এভাবে সরকার গণমাধ্যমের ন্যূনতম স্বাধীনতার শেষ সুযোগটুকুও বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা করছে।

মন্ত্রী সভায় অনুমোদিত প্রস্তাবিত এ আইনে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে উৎসাহ সৃষ্টি করতে পারে বা আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি করতে পারে এমন অনুষ্ঠান বা বক্তব্যও প্রচার করা যাবে না। এতে আরো বলা হয়েছে, সম্প্রচার ও অনলাইন মাধ্যমে সরাসরি বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশবিরোধী ও জনস্বার্থবিরোধী বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। আলোচনা অনুষ্ঠানে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য বা উপাত্ত প্রচার করা যাবে না।

প্রস্তাবিত আইনটিতে বলা হয়েছে, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, নাশকতা ও সহিংসতা উৎসাহিত করে অথবা জনশৃঙ্খলা বিনষ্টের আশঙ্কা সৃষ্টি করে, অশ্লীল বা বিদ্বেষমূলক কোনো তথ্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া সম্প্রচার আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, সম্প্রচার ও অনলাইন মাধ্যমে কোনো আলোচনা (টক শো) অনুষ্ঠানে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য–উপাত্ত প্রচার করা যাবে না। যেকোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত, গোপনীয় ও মর্যাদাহানিকর তথ্য এবং জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো বিদ্রোহ, নৈরাজ্য ও হিংসাত্মক ঘটনা প্রচার নিষিদ্ধ করে বলা হয়েছে, কেউ তা করলে অপরাধ হিসেবে শাস্তি পেতে হবে।

গণমাধ্যম–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর স্পষ্ট ব্যাখ্যা না থাকায় এর অপব্যবহার হওয়ার আশঙ্কা আছে।

মন্ত্রী সভায় অনুমোদীত এ আইনে টকশোতে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন ও প্রচার এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও রাষ্ট্রীয় আদর্শ-নীতিমালা পরিপন্থী কিছু প্রচার করলে সম্প্রচার কর্তৃপকে সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে।

আর সম্প্রচার লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য ঘোষিত কেউ সম্প্রচার কার্যক্রম চালালে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেয়া যাবে।

চার বছর আগে ২০১৪ সালে জারি করা জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালায় এ ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করার পর গণমাধ্যম–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু এত দিন পর এসে সম্প্রচার আইনের খসড়াতেও ঘুরিয়ে–ফিরিয়ে ওই নীতিমালার বিধিনিষেধগুলো রাখা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে সরকার সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে না। এসব দেখভাল করার জন্য সাত সদস্যের কমিশন কাজ করবে। ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে কমিশনের হাতে। এই কমিশন সম্প্রচার লাইসেন্স ও অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধন দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এক ব্রিফিংয়ে বলেন, প্রস্তাবিত আইনে সাত সদস্যের একটি সম্প্রচার কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে, যার সদস্যদের নিয়োগ দেয়া হবে সার্চ কমিটির মাধ্যমে। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ দেবেন। গণমাধ্যম পরিচালনার জন্য গঠিত সম্প্রচার কমিশন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স প্রদান করবে।

গণমাধ্যম–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর স্পষ্ট ব্যাখ্যা না থাকায় এর অপব্যবহার হওয়ার আশঙ্কা আছে। সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এই দুটি আইনের খসড়া সম্পর্কে সরকারকে বেশ কিছু সুপারিশ ও আপত্তি জানিয়েছিল। সেগুলোর বেশির ভাগই উপেক্ষা করা হয়েছে।

সংবাদ ও বিজ্ঞাপন প্রচারে বিধিনিষেধ

সম্প্রচার ও অনলাইন মাধ্যমে সরাসরি বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশবিরোধী ও জনস্বার্থবিরোধী বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। আলোচনা অনুষ্ঠানে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য বা উপাত্ত প্রচার করা যাবে না। দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ভাবধারার পরিপন্থী অনুষ্ঠান বা বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন সামরিক, বেসামরিক ও সরকারি তথ্য প্রচার করা যাবে না। এ ছাড়া বিজ্ঞাপনে শিশুদের পরনিন্দা, বিবাদ ও কলহের দৃশ্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজে অংশগ্রহণের দৃশ্য দেখানো যাবে না। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে উৎসাহ সৃষ্টি করতে পারে বা আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি করতে পারে এমন অনুষ্ঠান বা বক্তব্যও প্রচার করা যাবে না। এসব বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড পেতে হবে।

সম্প্রচার আইনে খসড়ায় বলা হয়েছে, কোনো লাইসেন্স বা নিবন্ধন সরকারের অনুমোদন বা সম্মতি ছাড়া হস্তান্তর করা হলে তা বাতিল বা অকার্যকর হয়ে যাবে। কোনোভাবেই ৪০ শতাংশের বেশি লাইসেন্স হস্তান্তর করা যাবে না। সাজা পেয়েছেন এমন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, ঋণখেলাপি, একবার লাইসেন্স বা নিবন্ধন বাতিল হয়েছে এমন ব্যক্তিরা লাইসেন্স পেতে আবেদন করতে পারবেন না। ভোক্তারা তাদের অসুবিধার বিষয়ে সম্প্রচার বা অনলাইন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ বা নালিশ করতে পারবে। এ জন্য যথেষ্টসংখ্যক কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, নাশকতা ও সহিংসতা উৎসাহিত করে অথবা জনশৃঙ্খলা বিনষ্টের আশঙ্কা সৃষ্টি করে, অশ্লীল বা বিদ্বেষমূলক কোনো তথ্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে এবং সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা করা যাবে।

খসড়া অনুযায়ী, সাত সদস্যের কমিশন সম্প্রচারকারী ও অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি সহায়ক নির্দেশিকা প্রস্তুত করবে। জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা এবং জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা লঙ্ঘন করে কোনো সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালালে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কমিশন শাস্তি আরোপ, মামলা এবং প্রয়োজনে আরও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করবে।

সম্প্রচার কার্যক্রম বলতে দেশ ও বিদেশ থেকে স্যাটেলাইট অথবা টেরিস্ট্রিয়াল পদ্ধতিতে অথবা কেব্লের মাধ্যমে বাংলাদেশে সম্প্রচারিত সব ধরনের টেলিভিশন, বেতার ও অন্যান্য বিষয়বস্তু প্রচারকে বোঝাবে। ইন্টারনেটভিত্তিক রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্র বা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে সম্প্রচারের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত স্থির ও চলমান চিত্র, ধ্বনি ও লেখ বা মাল্টিমিডিয়ার অন্য কোনো রূপে উপস্থাপিত তথ্য–উপাত্ত প্রকাশ বা সম্প্রচার কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে। অনলাইন গণমাধ্যমও এর আওতায় পড়বে।

আইনটি সম্পর্কে নোয়াব প্রশ্ন রেখেছিল, সম্প্রচারকারীদের সহায়ক নির্দেশিকা কি জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা–২০১৪ থেকে ভিন্ন কিছু হবে? এ বিষয়টি আইনে পরিষ্কার করা হয়নি।

নোয়াব বলেছিল, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন–২০০৯ কার্যকর থাকার পরও ভোক্তার নালিশ গ্রহণ ও নালিশ নিষ্পত্তিকরণ–সংক্রান্ত ধারাগুলো পরিষ্কার নয়। নালিশ ছাড়াও কমিশনের বিশ্বাস জন্মালে সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও কোনোভাবে কাম্য নয়। কিন্তু খসড়া আইনে বিষয়টি রাখা হয়েছে।

নোয়াব বলেছিল, ইন্টারনেট যুক্ত করায় মনে হয় ছাপা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণও এই আইনের আওতাধীন। খসড়া আইনেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়নি।

গণমাধ্যমকর্মী আইন

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আগে গণমাধ্যমকর্মীরা চলতেন ‘দ্য নিউজপেপার এমপ্লয়িজ (চাকরির শর্তাবলি) আইন-১৯৭৪’–এর আওতায়। পরে তাঁদের শ্রম আইনের অধীনে আনা হয়। শ্রম আইনের অধীনে গণমাধ্যমকর্মীদের ‘শ্রমিক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নতুন আইন পাস হলে গণমাধ্যমকর্মীরা আর শ্রমিক থাকবেন না, তাঁদের গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে অভিহিত করা হবে।

এই আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রতিটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে কর্মীদের কল্যাণের স্বার্থে ভবিষ্য তহবিল গঠন করতে হবে। এই তহবিল একটি ট্রাস্টি বোর্ড পরিচালিত করবে, যেখানে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিক এ গণামাধ্যমের কর্মীদের সমান প্রতিনিধিত্ব থাকবে। প্রতিটি গণমাধ্যমকর্মীকে যেকোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে কমপক্ষে ৩৬ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। অতিরিক্ত কাজের জন্য ‘অধিক কাল ভাতা’ পাবেন।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, বেসরকারি টেলিভিশন, বেসরকারি বেতার ও অনলাইন গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য পৃথক ওয়েজ নির্ধারণ করবে। গণমাধ্যমকর্মী (চাকরির শর্তাবলি) আইনের বিভিন্ন ধারা অমান্য করলে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও আদায়ে ছয় মাস জেল হবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে নোয়াব ৭ অক্টোবর গণমাধ্যমকর্মীদের আইনের খসড়ার ওপর মতামত পাঠায়। গতকাল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়া আইনটিতে দেখা যায়, নোয়াবের বেশির ভাগ প্রস্তাবই গ্রহণ করা হয়নি।

নোয়াব বলেছিল, গণমাধ্যমকর্মীর সংজ্ঞায় নিবন্ধিত সংবাদপত্রের মালিকানাধীন ছাপাখানার শ্রমিকদের অন্তুর্ভুক্ত করা ঠিক হবে না। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছাপাখানা সংবাদপত্রের মালিকানাধীন নয়। কিন্তু গণমাধ্যম আইনের খসড়ায় ছাপাখানার শ্রমিকদের গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে রাখা হয়েছে।

নোয়াব বলেছিল, প্রচলিত মজুরি বোর্ড অনুযায়ী চিকিৎসা ভাতা পরিচালিত হওয়া উচিত। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসা ভাতা সরকারি প্রতিষ্ঠানের সুবিধার মতো হতে পারে না। কিন্তু খসড়া আইনে সরকারি কর্মচারীদের সুবিধা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নোয়াব সরকার মনোনীত ব্যক্তি কে হবেন, তা সুস্পষ্ট করতে বলেছিল। তা ছাড়া একাধিক আইন থাকায় এ ধরনের মীমাংসার বিধান গ্রহণযোগ্য নয় বলে মত দিয়েছিল। কিন্তু খসড়ায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে সরকার মনোনীত ব্যক্তি কে হবেন, তা স্পষ্ট করা হয়নি। এ ছাড়া বলা হয়েছে, এই পদ্ধতিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সেটাই হবে চূড়ান্ত।

এই আইন লঙ্ঘনকারীদের অপরাধ ও দণ্ড এবং আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা সম্পর্কে নোয়াব আপত্তি জানিয়ে বলেছিল, এটা কিছুটা স্বৈরতান্ত্রিক এবং সুশাসনের পরিপন্থী। কিন্তু খসড়ায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা, সুযোগ–সুবিধা স্থগিত করাসহ জেল–জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

 

  • user

    প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক বলেন, রাজনৈতিক গণ্ডির বাইরে এসে স্বাধীনভাবে কোনো কাজ করার ক্ষমতা দুদকের নেই। তাই তাদের কাছে আমার কোনো প্রত্যাশা নেই। তাদের সবকিছুই রাজনৈতিকভাবে কাউকে না কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য করেন। দুদককে শক্তিশালী করার পরিবর্তে সরকার এ প্রতিষ্ঠানটিকে গৃহপালিত একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। এখানে সবকিছুই রাজনৈতিক বিবেচনায় করা হয়।

  • user

    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এম আকবর আলি খান বলেন, খবরটি স্বস্তিদায়ক। এটাকে ভালো বলতে হবে। আশা করি স্বল্প সময়ের মধ্যে তদন্ত শুরু হবে। দুদক ঠিকভাবে এ কাজটি করতে না পারলে এর দায়ভার তাদের ওপরই বর্তাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

  • টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, অনুসন্ধানের জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে শুনে ভালো লাগছে। তবে তদন্ত শুরুর পর ঠিকমতো তদন্ত করতে হবে। কোনোভাবেই কারো দ্বারা প্রভাবিত হওয়া যাবে না। তিনি বলেন, নিরপেক্ষ তদন্তের ক্ষেত্রে দুদকের সামনে চ্যালেঞ্জ হল সরকার ও রাজনৈতিক চাপ। আর এই চাপ উপেক্ষা করে প্রতিষ্ঠানটিকে গ্রহণযোগ্য তদন্ত করতে হবে। তা করতে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে দুদক ভাবমূর্তি সংকটে পড়বে।

  • user

    তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু : বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পাকিস্তানের দেওয়া বক্তব্য দুঃখজনক । এ বিষয়ে বিদেশীদের নাক গলানো উচিত নয় । যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ বা এ বিষয়ে বিদেশীদের পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ নেই । এ বক্তব্য ও প্রস্তাবের জন্য পাকিস্তোনের প্রকাশ্যে ক্ষামা টাওয়া উচিত বাংলাদেশের কাছে । তাদের উচিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সহায়তা করা এবং তথ্য সরবরাহ করে বিচার নিশ্চিত করা। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরী নিসার আলি খান সম্প্রতি বলেছেন কাদের মোল্লা পাকিস্তানের মানুষ এবং তিনি পাকস্তানের পুরোনো বন্ধু। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে কাদের মোল্লা পাকিস্তানের পক্ষে ছিল বলে আজ বাংলাদেশ তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়েছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। পাকিস্তান নিজেদের অখণ্ডতা রক্ষা করতে বাঙ্গালীদের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে যায় সেই সময়ে। কাদের মোল্লাসহ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সদস্যরা পাকিস্তানের হয়ে পাকিস্তানী বাহিনীকে সমর্থন দিয়েছিল। ফলে ৪২ বছর পর বাংলাদেশ সরকার তাদের বিচারের মুখোমুখি করেছে এবং বিচারের রায় কার্যকর করছে যা দুঃখজনক। এটা পরিষ্কার বিচারিক হত্যা। এ ব্যাপারে পাকিস্তান সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান নিসার আলি।

  • user

    অধ্যাপক ড. আমেনা মহসিন : মৌলিক ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কারণেই ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ইস্যুতে শক্ত ভূমিকা নিতে পারছে। তারা তাদের সার্বভৌমত্ব ও সম্মানের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বন্দ্বের বিষয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধ । যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় প্রতিক্রিয়া কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন। দল হিসাবে জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানে বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিবাদ করতে পারে । দু’একটি দল রাজনৈতিকভাবে সমালোচনা করতে পারে । কিন্তু পার্লামেন্টে তারা এটা নিয়ে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করেছে । এর মানে হল পাকিস্তান দুই দেশের কূটনৈতিক সমর্কটিকে পিছনের দিকে ঠেলে দিল । দীর্ঘদিন ধরে আমরা বলে আসছি পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত । সেখানকার নাগরিক সমাজের অনেকেও এই কথা বলছেন । এমন অবস্থায় পাকিস্তানের এই উদ্যোগ ঠিক নয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে যে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে তা ইতিবাচক।

  • user

    ড.বদিউল আলম মজুমদার :একাত্তরের ঘৃণ্য অপরাধের জন্য পাকিস্তানের কেউ কেউ বিক্ষিপ্তভাবে ক্ষমা চাইলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চাওয়া হয়নি। তাদের ক্ষমা চাইতে বাধ্য করতে হবে । আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী একাত্তরে গণহত্যাকারী যে ১৯৫ জন পাকিস্তানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তাদের বিচার করতে পাকিস্তান বাধ্য। কিন্তু তারা কথা রাখেনি। আমাদের সরকারকে এ বিচার সম্পন্ন করতে পাকিস্তানকে বাধ্য করতে হবে। এ সময় তিনি বিচার করতে পাকিস্তানের ওপর চাপ প্রয়োগ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও অনুরোধ জানান।

  • user

    ব্যারিস্টার রফিক-উল হক : নির্বাচনের আগেই সরকার দুই গোল দিয়ে ফেলেছে । একদলীয় নির্বাচন সবাই দিয়েছে । শেখ সাহেব যেটা দিয়েছিলেন, সেটা নির্বাচন ছিল । কিন্তু তখন সিলেকশন হয়নি । বর্তমানে যেটা হচ্ছে সেটা সিলেকশন, ইলেকশন নয় । ভোটার ছাড়া ভোট এবং ভোটারবিহীন নির্বাচন । এটা আমরা আশা করি না । এতে দিন দিন অশান্তি বাড়বে । ডেমোক্র্যাটিক (গণতান্ত্রিক) আচরণ করতে হবে । কিন্তু এখন অটোক্র্যাটিক ডেমোক্র্যাসি বা স্বৈরতান্ত্রিক গণতন্ত্র এসেছে । বর্তমান সমস্যার সমাধানে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ও সুধী সমাজকে বসে চিন্তা করা দরকার। কাউকে বাদ দিয়ে হবে না।

  • user

    ড. পিয়াস করিম : বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচনের ঘটনা সবচেয়ে প্রহসনমূলক, যা অতীতে কখনো হয়নি । আমরা এমন এক সময়ে এ ধরনের নির্বাচন দেখছি যখন বুদ্ধিজীবী দিবস । এ নির্বাচনের মাধ্যমে বুদ্ধিজীবীরা আরেকবার শাহাদতবরণ করল । যত কিছুই করুক আওয়ামী লীগ পার পাবে না।

  • user

    হোসেন জিল্লুর রহমান : ভোটারবিহীন নির্বাচনের মতো প্রার্থীবিহীন এই নির্বাচন রাজনীতিকদের জন্য মোটেই সম্মানজনক হবে না । তেমনি জনগণের জন্যও এই নির্বাচন কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারবে না । সর্বসাধারণের কাছে এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না । তাই এ ধরনের নির্বাচনের ফলাফলকে জনগণের রায় বলা বা মেনে নেয়া কারো পক্ষেই সম্ভব নয় ।

  • user

    ড.কামাল হোসেন : আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে পঞ্চদশ সংশোধনীর কথা ছিলনা। নিজেদের স্বার্থে তড়িঘড়ি করে তারা এটা করেছে। রাজনীতির সাথে এর চেয়ে বড় বেঈমানী হতে পারে না । আজকে তারা কথায় কথায় সংবিধানের কথা বলছে, এর আগে খালেদা জিয়াও সংবিধানের দোহাই দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশের জনগণ তা মেনে নেয়নি । রাজনৈতিক দলগুলো জনগণ সকল ক্ষমতার উতস, এ কথা মুখে বললেও বাস্তবে জনগন মূল্যহীন হয়ে পরেছে। ১৬কোটি মানুষ প্রতারণার স্বীকার হয়েছে । বর্তমানের আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ নয়। আওয়ামী লীগের নেতারা কালো কোর্ট পরে যেসব কাজ করছে তাতে বঙ্গবন্ধুর অমর্যাদা হচ্ছে ।

  • আ ক ম রুহুল আমিন : এই নির্বাচনের ফলাফল সুস্পষ্টটভাবে দেশের জন্য লজ্জা বয়ে আনবে। জাতীয় সংসদের ৩০০টির মধ্যে ১৫৪টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের জয়লাভ, বিএনপিসহ ১৮ দলের নির্বাচন বয়কট, সাবেক এক নায়ক এবং জাতীয় পার্টির নেতা এরশাদকে হাসপাতালে আটকে রেখে নির্বাচনে আনার চেষ্টা এসব কিছুই দেশে ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।

  • user

    ড. বদিউল আলম মজুমদার : এটা নির্বাচন নামের প্রহসন হচ্ছে। এটাকে আমরা বলতে পারি সিলেকশন। সিলেকশনকেই ইলেকশন বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। গণতন্ত্র কায়েম হওয়ার জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ হলো নির্বাচন। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া নির্বাচন হলে গণতন্ত্রের ওই প্রাথমিক পদক্ষেপ হোঁচট খায় । স্বাধীনতার মাসেও দুই দল একটা সমাধান বের করতে পারছে না। মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন, চেতনাগুলো হলো, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সামাজিক সুবিচার, সততা, আইনের শাসন, একতা এগুলো। কিন্তু এগুলো এখন অনুপস্থিত। অনেক রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা এসছে আমাদের দেশের। এখনও সেখানে রক্ত ঝরছে মানুষের। এটা ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে। ভূখণ্ড স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু তার সুফল ঘরে ওঠেনি। কিছু লোক আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। কিন্তু স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি। এ অবস্থার পরিবর্তন জরুরি।

  • user

    ড. কামাল হোসেন : দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঘোষিত তফসিল পরিবর্তন হতে পারে। আমরা আশা করি, নতুন করে জনমতের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে নতুনভাবে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

  • user

    অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু : সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের পদক্ষেপ হিসেবেই নির্বাচন কমিশন দশম জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণা করেছে। বিরোধী দলের সঙ্গে সমঝোতার অপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশন অনেক সময় নষ্ট করেছে। এ কারণে নতুন করে তফসিল ঘোষণার প্রয়োজনীয়তা কিংবা সুযোগ কোনোটাই তাদের হাতে নেই। সংসদীয় গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাচনই হচ্ছে ক্ষমতা হস্তান্তরের একমাত্র পদ্ধতি। নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া ক্ষমতা হস্তান্তরের আর কোনো সুযোগ নেই।

  • user

    খন্দকার মাহবুব হোসেন : ২৫ নভেম্বরের তফসিল দেশকে আরো সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এ তফসিল অনুসরণ করে নির্বাচন হতে পারে না। মেরুন্ডহীন এ নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্য একটি জাতীয় নির্বাচন করার ক্ষমতা নেই। সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন জনরোষ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে চাইছে। আমাদের গর্ব সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে তাদের সুনাম নষ্টের অশুভ পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।( খন্দকার মাহবুব হোসেন :বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান)

  • user

    ব্যারিস্টার রফিক উল হক : আমার মনে হয় নির্বাচন কমিশনের আর একটু ‘ওয়েট’ করা দরকার ছিল। ‘ওয়েট’ করলে ভালো হতো। সংবিধান অনুযায়ী ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। কিন্তু কেন তিনি (প্রধান নির্বাচন কমিশনার) ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলেন বোঝা গেল না। এখন তো আর সংলাপের কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। এখানে আসলে কমিশন সরকারের স্বার্থ মানে ক্ষমতাসীনদের স্বার্থ রক্ষা করেছে। কমিশন স্বাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করার চেষ্টা করেনি। এটা দুঃখজনক। আমরা সংঘাত চাই না। শান্তি চাই। তফসিল ঘোষণার পরও আমি আশা করি সব দলের অংশগ্রহণে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে।

  • user

    খন্দকার মাহবুব হোসেন : দেশের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে একদলীয় নির্বাচন করতে যাচ্ছে সরকার। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শাসন ব্যবস্থার প্রধান থাকার ফলে প্রহসনের নির্বাচন হবে এবং জনগণ তাদের ভোট দেয়ার সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। কেননা বর্তমান সরকার মুখে যাই বলুক না কেন, ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য তারা ডিজিটাল কায়দায় ভোট কারচুপি করে আবারও ক্ষমতায় আসার জন্য প্রহসনের নির্বাচন করতে চাচ্ছে। দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক মহল এই নির্বাচন গ্রহণ করবে না।

  • user

    মীর নাসির হোসেন : মীর নাসির হোসেন বলেন, রোববার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল সমঝোতার জন্য তারা আরেকটু অপেক্ষা করবেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশ সংঘাতের দিকে চলে যেতে পারে। সংলাপ নিয়ে সরকারের আচরণ আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেনি। আর নির্বাচন কমিশনও তাদের নিরপেক্ষতা ও জাতীর প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন প্রধান বিরোধী দলের নির্বাচনে অংশগ্রহণ যদি নিশ্চিত করা না যায়, তবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে। (মীর নাসির হোসেন-বণিক সমিতি এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি।)

  • user

    ড. আনু মুহাম্মদ : জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদ বলেন, প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে বাইরে রেখে সরকার একতরফা নির্বাচন করলে সে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। এতে সহিংসতা বাড়বে। ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটবে। দেশ সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মূলকথা, আবার নির্বাচন দিতে হবে। ফলে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার অপচয় হবে। নানা ধরনের অনিয়ম তৈরি হবে। দুর্নীতি বেড়ে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যে অনিয়ম করে প্রধানমন্ত্রী সরকারের টাকা খরচ করে নৌকায় ভোট চাচ্ছেন। হাস্যকর নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেছেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষ যদি এ নির্বাচনকে মেনে না নেয় তাহলে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এর গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। তিনি উল্লেখ করেন, একতরফা নির্বাচন হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বর্তমান সরকার ও তার দল। কারণ, একতরফা নির্বাচনে গেলে সরকার সম্পর্কে বিদেশে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হবে। এতে রাষ্ট্রের যে পরিমাণ ক্ষতি হবে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে আওয়ামী লীগের। এ জন্য সরকারের উচিত হবে দ্রুত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিষয়ে ফয়সালা করে ফেলা।

  • user

    মুজাহিদুল ইসলা্ম সেলিম : এভাবে তফসিল ঘোষণা করে দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এ নির্বাচন সবার গ্রহন যোগ্য হবেনা। এ তফসিল স্থগিত করে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সবদলকে নির্বাচনে ফিরিয়ে আনতে হবে।( মুজাহেদুল ইসলা সেলিম- কমিউনিস্ট পার্টির সভাপিত)

  • user

    ড. আকবর আলি খান : তফসিল ঘোষণা করায়, দেশে বড় ধরনের সংঘাত অনিবার্য। আর এ সংঘর্ষের কথা দুই দলই বলছে। সরকারি দল বলছে, তারা এক তরফা নির্বাচন করবে। বিরোধী দল বলছে, নির্বাচন প্রতিরোধ করবে। আবার সরকারি দল বলছে, বিরোধী দলের প্রতিরোধ করাকে তারা প্রতিহত করবে। এখানে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে বড় ধরনের সংঘাতের দিকে যাচ্ছে দেশ। এখানে কারও কিছু বোঝার নেই। সবই পরিষ্কার। তবে সংঘাতের পরে পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা দেখার জন্য দেশের সবার মতো আমিও অপেক্ষা করছি। (ড. আকবর আলি খান : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা)

  • user

    সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, এ সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রীই ভালো বলতে পারতেন। তবে আমি যেটা মনে করি তাহলো- শিক্ষার খাত এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে এ সরকার শুধু ধ্বংসই করেনি, আমূল পরিবর্তনের নামে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার শিক্ষাপদ্ধতিকে এরা পাঠ্যতালিকা থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করেছে। আগামীতে এদেরকেও মানুষ একইভাবে বিদায় না করলে এদেশের সুস্থ নাগরিক গড়ে উঠার ধারা বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি প্রাথমিক শিক্ষার চূড়ান্ত পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে বলেন, এটি একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। শিক্ষাব্যবস্থাকে চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য এই অসুন্দর ব্যবস্থাটিকে বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা শিশুদের পরীক্ষাটিতেও দুর্নীতি ঢুকিয়ে দিয়ে গেল। তিনি এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

  • user

    আইনজীবী ব্যারিস্টার ড. তুহিন মালিক তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীকে শেষ সময়ে হলেও এই একটি অপরাধের জন্য পদত্যাগ করা দরকার। ব্যর্থ সরকার, ব্যর্থ মন্ত্রণালয় এবং সম্পূর্ণ ব্যর্থ মন্ত্রী। ধর্মীয় বিশেষ করে ইসলামী শিক্ষার মূলে যে আঘাত এই শিক্ষামন্ত্রী এবং সরকার করেছে, এর জবাব আগামীতে এদেরকে কঠিনভাবে দিতে হবে। বাংলাসংবাদ২৪-কে এ ধরনের একটি সংবাদ করার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।

  • user

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বাংলাসংবাদ২৪-কে জানান, এই সরকার তো সব ফাঁস করারই সরকার। এরা যা দুর্নীতি করেছে, হলমার্ক থেকে কত টাকা নিয়েছে, পদ্মাসেতু দুর্নীতিতে কাকে কত টাকা দিয়েছে- এমনসব ঘটনা যখন জনগণ ফাঁস করতে শুরু করেছে, ভবিষ্যতে এদেশের শিক্ষার্থীরা এ প্রশ্নপত্র কাদের জন্য এবং কেন বার বার ফাঁস হচ্ছে- এও একদিন খুঁজে বের করবে। বর্তমান সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে। সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, বাকি ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়- সেখানেও শেষ কীর্তি রেখে গেলেন অসাংবিধানিক, অবৈধ সরকারের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী, আওয়ামী বাম নেতা নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি এই অপরাধে মন্ত্রী এবং সরকারকে এখনি সরে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

  • বিশিষ্ট সাংবাদিক, জাতীয় সংস্কৃতি কর্মী এবং সাবেক ছাত্রনেতা মোশাররফ হোসেন ঠাকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কে বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এবং আগামী প্রজন্মকে বিধর্মী শিক্ষায় বড় করে তোলার স্বপ্নদ্রষ্টা বর্তমান সরকার ও শিক্ষামন্ত্রী এর কী জবাব দেবেন আমি জানি না। দেশের নকলবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি সরকারের শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করে বলেন, আজকে যতটুকু নকলমুক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এর সিংহভাগ অবদান সাবেক প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের। আজকের যে সমাপনী পরীক্ষা এগুলোও বিএনপি সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ। বর্তমান সরকার শিক্ষানীতির নামে যে বিষয়টি জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন, সেই শিক্ষানীতিরই একটি কাজ হলো প্রশ্নপত্র ফাঁস করে দেওয়া। পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন দিলে পাসের হার বাড়ে এবং মন্ত্রী বাহবা পান। শিক্ষানীতির দ্বিতীয় কাজটি হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধর্মহীন করে ফেলা। এই দুটো কাজ সাফল্যজনকভাবে করতে পেরেছেন নাস্তিক্যবাদে বিশ্বাসী, কম্যুনিস্ট নেতা নুরুল ইসলাম নাহিদ। এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার নিন্দা জানাবার ভাষা আমার নেই।

  • user

    এরশাদঃ নির্বাচনে আসুন। সর্বদলীয় সরকারে যোগ দিন। নতুবা কী চান আসুন আলোচনা করে উপায় বের করি। বর্তমান সরকার দুর্নীতিবাজ ও ব্যর্থ সরকার। জনগণ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাদের জনসমর্থন নেই। সুযোগ হারাবেন না। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন করতে হবে। মানুষ পরিবর্তন চায়। নির্বাচনের না গেলে মানুষ রাজনীতিকদের ধিক্কার জানাবে।নির্বাচনে যদি কারচুপি করা হয়, যদি দেখি সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে না। তাহলে আমরা নির্বাচন বর্জন করবো।

  • user

    রিজভীঃ সর্বদলীয় সরকারের বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। কারণ আমাদের দাবি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার। বিএনপি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সংলাপের অপেক্ষায় থাকবে।সরকার একদলীয় নির্বাচনের নীলনকশা বাস্তবায়নে মহাজোটের নেতাদের নিয়ে সর্বদলীয় সরকার গঠন করছে। অন্যদিকে বিরোধী দলের সঙ্গে স্বেচ্ছাচারী আচরণ করছে। বিএনপি কোনো ভুঁইফোড় সংগঠন নয়। রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে অন্যায়কে কিভাবে প্রতিহত করতে হয় বিএনপির তা জানা আছে।

  • user

    মিজানুর রহমান খান: এটা হচ্ছে মন্ত্রিসভার পুনর্গঠন। সব গণতান্ত্রিক দেশেই প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের পরিবর্তন আনার এখতিয়ার রয়েছে। বর্তমান সরকারকে সর্বদলীয় সরকার বলার সুযোগ নেই। ভারতের সরকারে ১৩টি দল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই বলে ওই সরকারকে সর্বদলীয় সরকার বলা হয় না। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী প্রায় সব দলের অংশগ্রহণে যেসব সরকার গঠিত হয় সেইসব সরকারকেই সাধারণত সর্বদলীয় সরকার বলা হয়ে থাকে। তবে পুনর্গঠিত মন্ত্রিসভাকে নির্বাচনকালীন সরকার বলা হলে তা পুরো অসংগত হবে না। যদিও মন্ত্রিসভায় যারাই আসুন না কেন সব ক্ষমতা বরাবরের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেই ন্যস্ত থাকবে। পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন হবে না। কারণ নির্বাচনের সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট সেই জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারদের বদলির ক্ষমতা মন্ত্রিপরিষদের হাতে থাকবে না। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী এ ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর কাছেই থাকবে।

  • user

    বিশিষ্ট আইনিজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হকঃ রিমান্ড-সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশনা মানেন না ম্যাজিস্ট্রেটরা। কেবল ম্যাজিস্ট্রেট নন সরকারও হাইকোর্টের নির্দেশনা মানেন না। রিমান্ডে নেওয়া হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য, মারধর কিংবা শারিরীক নির্যাতনের জন্য নয়। যদি কোনও ব্যক্তিকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হয়, তবে তার উচিৎ এর প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা। রিমান্ড-সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে চলা উচিৎ।

  • বিএনপি'র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীঃ আন্দোলনরত বিরোধীজোটের নেতাকর্মীদের ভয় পাইয়ে দিতে সরকার বিএনপির শীর্ষপর্যায়ের এই নেতাদের রিমান্ডে নিয়েছে। সরকার দেখাতে চাইছে, মওদুদ আহমেদ বা রফিকুল ইসলাম মিয়ার মতো নেতাদের রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে, ফলে অন্যরা সাবধান হয়ে যাও।

  • user

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফঃ সহিংসতাকারী যত বড়ই নেতা হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে । যাদের নির্দেশে দেশের সরকারি ও বেসরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে তাদের আইনের আওতায় আনা অপরাধ নয়। দেশের মানুষ যখন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে মুখর তখন বিএনপি হরতাল দিয়ে জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। তারা হরতাল দিয়ে নির্বাচন ও যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করতে চায়। বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।

  • user

    ড. আকবর আলি খান/ সরকারি র্কমর্কতা, আরিপও সংমুধনের ফলে ব্যবসায়ী ও কালো টাকার মালকিদরে দৌরাত্ম বেড়ে যাবে। নির্বাচনের আগে আরো বড় ধরনের মনোনয়ন বাণজ্যি হবে।

  • user

    জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদঃ সংসদে গণতান্ত্রকি প্রক্রয়িায় আরপওি পাশ হয়ছে । বাতিলকৃত এই ধারাটি ছিল গণতান্ত্রিক অধকিার পরপিন্থী। আমি একটা দলে আছি বা নাই এইজন্য নির্বাচন করতে পারবো না, তা হয় না। আমার ব্যক্তি স্বাধীনতা রয়েছে, নর্বচন করা আমার গণতান্ত্রকি অধকিার।

  • user

    ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমঃ এই আইনটি সরকারী দলের নীল নকশার একটি অংশ। নিঃসন্দেহে এতে কালো টাকায় মনোনয়ন বাণিজ্যের দৌরাত্ম বেড়ে যাবে�...

  • user

    মহাজোট সরকারের অন্যতম শরিক জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ বলেছেন, আওয়ামীলীগের সাথে তিনি বেহেস্তেও যাবেন না। বিএনপি নির্বাচনে না গেলে তার দলও নির্বাচনে যাবেনা। বিরোধীদল বিহীন একতরফা নির্বাচন জাতি মেনে নিবেনা। আন্তর্জাতিক ভাবেও তা গ্রহনীয় হবেনা। একতরফা নির্বাচনে গেলে জাতি মুখে থুথু দিবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

  • user

    আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন না করলে দেশে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হবে। এ অবস্থায় নির্বচন না করার কোন বিকল্প নেই।

  • user

    প্রবীন রাজনীতিক ও সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ বলেছেন, আমি রব সাহেবের সাথে একমত। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচন হবেনা। তবে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দুইদলকেই এগিয়ে আসতে হবে।

  • user

    মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, বিরোধীদলের অনুসারী হলেই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা মানবাধিকার লঙ্ঘন।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রফেসর ড. এমাজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বিএনপি’র নেতাদের গ্রেফতার করে একদলীয় নির্বাচন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে। সরকারের একটাই লক্ষ্য, নতুন করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা।

  • user

    রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. পিয়াস করিম বলেন, গোটা দেশ উদ্বেগ উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে। বিশিষ্টজন ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের মধ্যে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

  • user

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি নেতাদের জাতীয় শৃঙ্খলার স্বার্থেই গ্রেফতার করা হয়েছে। সহিংসতাকারী যতো বড় নেতাই হোক, জাতীয় শৃঙ্খলার স্বার্থে তাদের গ্রেফতার করা হবে।

  • user

    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা যখন এমন কথা বলেছেন। তখন বুঝাই যাচ্ছে শেখ হাসিনা কতটুকু যোগ্য। সুতরাং এ ব্যাপারে আমি কোন মন্তব‌্য করতে চাই না।

  • আওয়ামী সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী পরিষদের নেতা ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন নেতা ছিলেন তখন তার সমকক্ষ কেউ ছিল না। কিন্তু তার উত্তরসূরী হিসেবে শেখ হাসিনা অনেক যোগ্যতা অর্জন করেছেন। নূরে আলম সিদ্দীকির বক্তব্য যথার্থ এবং গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মত দেন তিনি।

  • অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে। ইতিপূর্বে হয়েছে। তাই আলোচনা শুরু হওয়া দরকার। তারপর দেখা যাবে এর শেষ কি হয়।

  • সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ফেরদৌস আক্তার ওয়াহিদা বলেন, আলোচনা করে কোন লাভ নেই। যেখানে দুদুলই তাদের দাবিতে অনড়। আবার দুই নেত্রীর মাঝে যখন আলেচনা হচ্ছে না। সেখানে মহাসচিবদের মাঝে আলোচনাই কোন লাভ নেই।

  • user

    নৌ পরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, “আলোচনার পথ রুদ্ধ হয়নি। আলোচনা হতে পারে। খুন-খারাবি, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা বন্ধ করে দয়া করে আলোচনায় আসুন।”

  • আন্দোলন সংগ্রাম, হরতাল, জ্বালাও-পোড়াও আর অবরোধ। এর পাশাপাশি আলোচনা করে কোনো বিষয়ের উপর সমঝোতায় আসা সহজ নয়। যারা আন্দোলন করছেন, তারা আন্দোলনে থেকে শক্তিমত্তা প্রদর্শন করে আলোচনায় বসলে তাদের মধ্যে যেমন সমঝোতার মানসিকতা থাকবে না ঠিক তেমনি সরকারের পক্ষেও কথিত আন্দোলনের কাছে বা আন্দোলনের হুমকির কাছে নতি স্বীকার করে আলোচনায় বসলে সুস্থ পরিবেশ খুঁজে নেওয়া কঠিন হবে। সমঝোতায় আসার পূর্বশর্ত হচ্ছে মুক্ত আলোচনা। বিশেষ ইস্যুর উপর শর্তহীন আলোচনা না হলে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আলোচনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন অনেক আগে থেকেই। বিরোধী জোট কখনো সুস্থ মানসিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিষয়টি মূল্যায়ন করেনি। চূড়ান্ত পর্যায়ে যে কথা বলা যায় তাহলো- আলোচনার জন্য সরকারপ্রধান একবার ফোন করেছেন, আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সেই আমন্ত্রণে যারা সাড়া দেননি বা আসেননি তাদেরই এখন সরকারপ্রধানকে ফোন করে জানানো উচিত, কারা কোনদিন কোন সময়ে আসতে পারবেন এবং তারাই বলবেন, তারা আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তাহলেই সংলাপ শুরু হতে পারে। এবং সে আলোচনা হবে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী কিভাবে করা সম্ভব তার উপর। দেশবাসী আসলে তা-ই চায়। বেনজির আহমদ সভাপতি, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ এবং সংসদ সদস্য ঢাকা ২০, ধামরাই

  • সরকার এবং সরকারপ্রধান আলোচনা করতে চান- এমন কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না। আলোচনার নামে তারা শুরু করেছেন নাটক এবং সিনেমা। দেশের ৯৯ ভাগ মানুষ নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীন নির্বাচন চায়। আওয়ামী লীগের আনা সংশোধনী অনুযায়ী সাংবিধানিক নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই। সংবিধানকে সংশোধন করতে হবে। কী করলে ভালো হবে, তার জন্য সর্বদলীয় অথবা দ্বিদলীয় অথবা দুই জোটের মাঝে আলোচনা করতে হবে এবং তাহলেই একটি সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আলোচনার সব ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী এবং তার দল ও সরকারের দায়িত্ব। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, তিনি এবং তার জোট আলোচনার জন্য প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী যখন ডাকবেন তখনই তিনি যাবেন। আর সে ডাকের উদ্দেশ্য যদি হয় সিনেমা আর থিয়েটার তাহলে দেশের যে কোনো পরিস্থির দায়-দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। আমরা আন্দোলনে আছি নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকারের জন্য। এ আন্দোলন আমরা করেই যাবো। আমাদের সাথে জনগণ আছে। শামছুজ্জামান দুদু বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল

  • user

    বিএনপি আলোচনা করবে, হরতাল করবে আর মানুষ মারবে, আবার আলোচনার কথাও বলবে- এটা কোনো রাজনীতি হতে পারে না। জননেত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেত্রীকে আলোচনার বসার জন্য ফোন করেছিলেন। দেশের মানুষ সেই ফোন আলোচনা শুনেছেন। হরতালের নামে তিনি প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা বলেছেন, ২৯ তারিখের পরে তারা আসবেন। প্রকারান্তরে দেশকে একটি নৈরাজ্যের দিকে ঢেলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বিএনপি জামায়াত জোট এবং তাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি মনে করেছিলেন, ২৪ অক্টোবর বর্তমান সরকারের সাংবিধানিক মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে এবং ২৫ অক্টোবর মহাসমাবেশ করে তিনি দেশ দখল করবেন। সংবিধানে সরকারের মেয়াদ কখন শেষ হবে- এটাও যে জোটনেত্রী জানে না, তার সঙ্গে কোনো বিষয়ে সমঝোতায় আসা যাবে- এটা অনেকেই মনে করেন না। তারপরও সরকার এবং আওয়ামী লীগ আলোচনার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে চায়। ইতোমধ্যে মহাজোটের সব নেতা বলেছেন, যেহেতু প্রধামন্ত্রীর আলোচনার প্রথম উদ্যোগটি বিরোধী দলীয় নেত্রী ব্যর্থ করেছেন, নতুন করে উদ্যোগ নিতে হলে এখন বিরোধী দলীয় জোট এবং তার নেত্রীকেই নিতে হবে। আমি এ কথার সাথে একমত। হাজী মোহাম্মদ সেলিম সাবেক সংসদ সদস্য এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ

  • user

    মিল্কি হত্যা প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেছেন, নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। এ সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে বিরোধী পক্ষ কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রচারণা চলাবে।

  • user

    মিল্কি হত্যার প্রধান আসমী তারেক ও শাহ আলমকে র‌্যাবের ক্রসফায়ের নিহত প্রসঙ্গে হান্নান শাহ্ বলেন, কেঁচো খুরতে গিয়ে সাপ বেরিয়ে আসার ভয়ে উপরি মহলের নির্দেশে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে।

  • user

    ক্রসফায়ারে যুবলীগ নেতা তারেক ও শাহ আলমের মৃত্যুর ঘটনায় র‌্যাবের বক্তব্যকে সঠিক ও যুক্তিযুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, 'দেশে ক্রসফায়ারের ঘটনা নতুন কিছু নয়। সন্ত্রাস দমনে র‌্যাব অনেকদিন ধরে ভূমিকা রাখছে।'

  • বিএনএফ এ সভাপতি অধ্যাপক জাহানারা বেগম বলেছেন, ক্রসফায়ারে যারা মরেছে এবং যারা মেরেছে দু’জনেই খারাপ। তদন্ত করলে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে। তবে, প্রধান খুনি এ ধরনের হত্যাকান্ডের স্বীকার হবে তা গ্রহন যোগ্য নয়। সে-তো র‌্যাবরই হেফাজতে ছিল। তার মৃত্যু মানে, র‌্যাবই তার নিরাপত্তা দিতে পারে নাই। বিচার বর্হিভূত কোন হত্যাকান্ডই আমরা সমর্থন করি না।

  • user

    সংসদে যোগ দিয়ে বিএনপি পুরো সময় থাকলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ যেকোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আগে তারা অধিবেশনে আসুক। কিভাবে আলোচনার প্রস্তাব গ্রহন করা হবে, সেটা তখন বিবেচনা করা হবে- শিরীন শারমিন চৌধুরী।

  • user

    সংসদে আসুন। বক্তৃতা করুন। সেই সঙ্গে অন্যের কথা শুনুন। বিগত দিনের মতো প্রায় দুই ঘণ্টা বক্তৃতা করে চলে যাবেন না। নিজে যেমন সমালোচনা করবেন তেমনি অন্যের সমালোচনার তীরও আপনার উপরে আসবে এবং তা সহ্য করতে হবে। তুচ্ছ কারণে সংসদ বর্জন করবেন না- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

  • user

    বর্তমান সংবিধানের অধীনেই নির্বাচন হবে তা ঠিক আছে। তবে সে নির্বাচন হবে নতুনভাবে সংবিধান সংশোধনীর পর- ব্যারিষ্টার মওদুদ।

  • user

    শুধু সদস্যপদ রক্ষার জন্য নয়, সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিএনপি তাদের সব দাবি দাওয়া আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করুক- মোহাম্মদ নাসিম।

  • user

    অবাক হইনি, কারণ এসব অনেক দিন থেকেই টুকটাক শুনছি- রকিবুল হাসান

  • ‘অবশ্যই বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আজকে একটি স্যাড ডে। তবে আমার কাছে খালেদ মাহমুদ ও খালেদ মাসুদের সম্পৃক্ততাটা ঠিক পরিষ্কার নয়। আশরাফুলেরটা কয়েক দিন ধরেই আলোচনায় আছে, রফিকেরও টাকাপয়সা সম্পৃক্ততা বুঝলাম- ফারুক আহমেদ

  • user

    আমি একটা ঘোরের মধ্যে, ‘এতটা অবাক হয়েছি...কী আর বলব...খুব কঠিন একটা সময়- আকরাম খান

  • যখন মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে যাচ্ছে। এই সময় এমন খবর অবশ্যই হতাশার- আতাহার আলী খান

  • user

    সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন না। অতীতে আমরা মার্শাল ‘ল’, জরুরি অবস্থা ও ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেছি। আমাদের আন্দোলন চলবেই। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে- রুহুল আমিন গাজী।

  • user

    সরকার ঘোষণা দিয়েছে সারাদেশে এক মাসের জন্য সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ। শেষ সময়ে এসে সরকার উন্মাদ হয় জানি। কিন্তু এমন উন্মাদ হতে অতীতে কোনো সরকারকে দেখা যায়নি। আমরা সরকারের গদি নিয়ে কাড়াকাড়ি করিনি। আমরা আমাদের অধিকার আদায়ে নেমেছি। এ সরকার সাংবাদিকদের ওপর চরম অত্যাচারের যে নজির সৃষ্টি করেছে অতীতে এমন আর দেখা যায়নি। হেফাজতের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের সংবাদ প্রচার করায় সরকার দিগন্ত ও ইসলামিক টিভি বন্ধ করেছে- শওকত মাহমুদ।

  • সাংবাদিক নির্যাতনে এই সরকার অতীতের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। রুটি-রুজির দাবি ও নির্যাতনের প্রতিবাদে পথে নেমেছিলাম। উল্টো একের পর এক গণমাধ্যম বন্ধ করা হয়েছে। যাতে সরকারের দুঃশাসন প্রকাশ না পায়- ডিইউজের সভাপতি আবদুস শহিদ।

  • user

    অগণতান্ত্রিক সরকারের সর্বশেষ সংযোজন দেশে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা। গণতান্ত্রিক অধিকার হরণকারীদের শেষ রক্ষা আগে কখনো হয়নি। এ সরকারেরও হবে না। মাহমুদুর রহমানের মুক্তি ও বন্ধ মিডিয়া চালু না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে- ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান।

  • জাতিসংঘের রাজনীতিবিষয়ক সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো বলেন, আমি এখানে কোনো কিছু চাপিয়ে দিতে আসিনি। আমি এসেছি মহাসচিব বান কি মুনের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নিয়ে। এ বার্তা পৌঁছাতে গিয়েই আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া, প্রধানমন্ত্রীর দুই উপদেষ্টা, রাজনৈতিক দলের সিনিয়র নেতারা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সুশীল সমাজের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকে আমার মনে হয়েছে, সংকট নিরসনে সব দলেরই সদিচ্ছা রয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় একটি পদ্ধতি বের করতে সক্ষম।

  • user

    গোটা দেশবাসী বিশ্বাস করে একটি অর্থবহ সংলাপের বিরাজমান রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান হবে। আমরাও চাই দেশে শান্তি ফিরে আসুক ও গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাক এবং সব সমস্যার সমাধান হোক- মির্জা ফখরুল।

  • বাইরের লোক নয়, রাজনৈতিক সংকটের সমাধান দুই দলকেই করতে হবে- সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার।

  • আগামীকাল ১৮দলের হরতাল : বাধা দিলে কঠোর কর্মসূচি