Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Fri July 20 2018 ,

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাঃ সুমনের অর্থ বানিজ্য

Published:2013-08-10 23:28:00    

ফরিদপুর: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিষ্টার ডাঃ সুমন কুমার সেন এর বিরুদ্ধে অনৈতিক অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ভর্তি রোগী সুস্থ হবার পূর্বেই অনৈতিক অর্থ সুবিধা নিয়ে নাম কর্তন, সার্টিফিকেট প্রদানে অবৈধ অর্থ আদায়, ভর্তি রোগীদের সাথে খারাপ আচরন ইত্যাদি বিষয়ে অভিযুক্ত।

জানা যায়, গত ৫ আগষ্ট সোমবার ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের আটড়া ভাষড়া গ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত হয় ১২ জন। আহতদের মধ্যে আলেয়া বেগম (৪৫) নামের এক রোগীর অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৭ আগষ্ট ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহঃ রেজিষ্টার ডাঃ সুমন কুমার সেন আলেয়া বেগমকে গালাগাল করে হাসপাতাল ছেড়ে যেতে বলে।

অসুস্থ আলেয়া বেগমের ভাই এ ব্যাপারে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার ডাঃ শফিকউল্লাহ’র নিকট মৌখিক অভিযোগ করলে তিনি হাসপাতালের মহিলা সার্জারীর ৩ নং ওয়ার্ডে সরেজমিনে গিয়ে রোগীর অবস্থা দেখে বলেন, মাথায় আঘাতের পরিমান বেশী। অতএব রোগী সুস্থ না হলে নাম কাটা সম্ভব নয়। তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে রোগীর ভাইকে আস্বস্থ করেন।

সর্বশেষ আজ সরকারী ছুটির দিনে ডাঃ সুমন কুমার সেন ঐ রোগীর নিকটে আসেন এবং রোগীকে সিট থেকে নেমে যেতে বলেন। অসুস্থ আলেয়া বেগম সুস্থ নয় এবং ভারপ্রাপ্ত সুপার এর সাথে এ ব্যাপারে কথা বলতে ডাঃ সুমনকে অনুরোধ করলে তিনি ক্ষেপে যান। উত্তেজিত হয়ে আলেয়া বেগমকে গালাগাল করে এবং হাসপাতাল থেকে তার নাম কেটে দেয়।

এ ব্যাপারে ডাঃ সুমন সেন বলেন, রোগী পূর্ণ সুস্থ হওয়ায় তার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আমি কোন অর্থ বানিজ্যের সাথে জড়িত নই। ডাঃ সুমন সেন এর বিরুদ্ধে অন্যান্ন রোগীদের সাথে খারাপ আচরণ ও অবৈধ অর্থ বানিজ্যের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।


এ বিষয়ে হাসপাতালে সরেজমিনে গিয়ে ডাক্তার সুমনের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি ডাক্তার যা ভালো মনে করবো তাই হবে। রোগী সুস্থ হয়েছে কিনা সেটা আমি সার্টিফাই করবো কোন সাংবাদিক বা রোগীর অভিভাবক নয়। আমার মনে হয়েছে এই রোগীর হাসপাতালে থাকা আবশ্যক নয় আমি ছেড়ে দিয়েছি। ছুটির দিন এভাবে একজন মুমুর্ষ রোগীকে হাসপাতাল ত্যাগ করার সার্টিফিকেট দেওয়ায় সাংবাদিকদের সামনে অনেক রোগীই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য আলেয়া বেগমের মাথায় ৩ ইঞ্চি পরিমান লম্বা দায়ের কোপের আঘাত রয়েছে। সুস্থ হবার পূর্বেই তাকে হাসপাতাল ছেড়ে যেতে বাধ্য করায় আলেয়া বেগম ভিন্ন একটি সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভূক্তভোগী মহল ডাঃ সুমন সেনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


বাংলাসংবাদ২৪/নিপু/বিএইচ
 

আরও সংবাদ