Widget by:Baiozid khan

ঢাকা Wed November 21 2018 ,

  • Advertisement

মাগুরার কৃষক আব্দুল গফুরের আবিস্কার

Published:2013-09-18 18:09:07    

মাগুরা প্রতিনিধি : প্রকৃতি থেকে নেয়া গাছ গাছড়া দিয়ে বাড়তি ফসল উৎপাদনে সহায়ক কার্যকারি বালাই নাশক তৈরি করেছেন মাগুরা সদর উপজেলার গৃহ গ্রামের আব্দুল গফুর।

আব্দুল গফুরের দাবি এই সংমিশ্রন ফসলী ক্ষেতে দিলে মাটির উর্বরতা শক্তি বেড়ে যাবে। রাসায়নিক সার কম লাগবে। পাশপাশি ছাত্রাকসহ অন্যান্য যেসব কারনে মরিচসহ পচে মরে যায় তা প্রতিরোধ হবে। এ ছাড়া ফসল বাড়বে দেড় থেকে দুই গুন।

আব্দুল গফুরের প্রাকৃতিক এই সাংমিশ্রনে আছে নিম, চিরতা, আশ্বমুল, জারপাল, একাঙ্গী, ঘোরবস, আলকুশি, ভাষ, খৈল,  কালোজিয়াসহ ৩১টি উপাদান। প্রতি এক বিঘা জমিতে এই সংমিশ্রন দুই কেজি পরিমান দেয়া লাগে। কলা, পান, পেপে জাতিয় ফসলে এই মিশ্রন ২ বার এবং ধান, শসা, মরিচ, কচুসহ এই জাতিয় ফসলে বছরে একবার দিলেই যথেষ্ট। পেশায় কৃষক আব্দুল গফুর ২০১০ সালে নিজ উদ্ভাবিত এই সংমিশ্রনটি প্রথম নিজের ক্ষেতে ব্যবহার করে ভালো ফল পান।

এখন মাগুরা, নড়াইল, ঝিনাইদহ, যশোর গোপালগঞ্জ, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলায় তার এই প্রাকৃতিক সংমিশ্রন কৃষকরা ব্যবহার করছেন।

প্রকৃতিক এই সংমিশ্রনটির নাম দেয়া হয়েছে বারুদ। মানবদেহের বিভিন্ন অসুখে ব্যবহৃত গাছগাছড়ার কথা মাথায় রেখে ফসলের জন্য এই সংমিশ্রনটি আবিস্কার করেন নিতান্তই খেয়ালের বশে। যা প্রায় শতভাগ উপকারি হওয়ায় এখন ক্রমশ বানিজ্যিক গরুত্ব পাচ্ছে। তবে অর্থনৈতিক ভাবে অসচ্ছল হওয়ায় এটিকে বানিজ্যিক ভাবে বাজারজাত করতে পারছেন না আব্দুল গফুর।

তিনি মনে করেন, সরকারি পৃষ্টপোষকতা পেলে এটাকে খুব স্বল্প দামে কৃষকের হাতে পৌছে দিতে পারবেন তিনি। সেক্ষেত্রে বালাই নাশ ও উৎপাদন বৃদ্ধি ক্ষেত্রে কৃষকের খরচ কমে আসবে অর্ধেকে। কমবে রাসায়নিক সারের নির্ভরতা। একারনে এটির সরকারি স্বীকৃতি দাবি করে আব্দুল গফুর ইতিমধ্যে কৃষি বিভাগে আবেদন করেছেন।


বাংলাসংবাদ২৪/তুহিন/ইসরাফিল