Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Fri September 21 2018 ,

নাম নিয়ে কথা। নানান কথা। নামেই পরিচয়

Published:2013-09-25 22:30:15    

ঢাকা : আমাদের বাংলাদেশে ৮৪ হাজার গ্রাম, প্রায় ৭ হাজার ইউ: ও পৌরসভা, ৫১৪ টি উপজেলা ও থানা, ১০টি সিটি কর্পোরেশন, ৬৪টি জেলা, হাজার হাজার সড়ক ও মহা সড়ক, সব কিছুরই একটা না একটা নাম রয়েছে।

ঢাকা মহানগরিতে প্রায় ৫২ হাজার অলিগলি রয়েছে, হাট বাজার রয়েছে, এবং নদি পারাপারের জন্য রয়েছে নাম করা কিছু ঘাট।

মানুষের নামের কথা আমাদের এখানে নয়, আমরা প্রতিনিয়ত এই কলমটিতে ঢাকা সহ দেশের ভিবিন্ন এলাকার নাম, রাস্তার নাম, পথ ঘাটের ও হাটের পরিচিতি ধারাবাহিক ভাবে লেখার উপকরন হিসেবে পাঠক কে জানাতে চাই। যে কারনে যে নাম।

কেন বিচিত্র সব নাম নিয়ে স্হানিক পরিচয় ইতপূর্বে উপকরন হয়ে আছে, আসেন প্রথমেই আমরা ফেরতে চাই আমাদের রাজধানীর ঢাকা আসা যায় এমন মুখের সংখ্যা ৮টি স্হল পথ, তার একটিকে নিয়ে আমাদের আজকের কথা।

নারায়নগঞ্জ :-

নামটি সকলেরই জানা, ঢাকা সিটি কর্পোরশনের লাগোয়া প্রতিবেশি নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরশন, চট্টগ্রাম থেকে একটি মহাসড়কে আসতে আসতে লোকাল যাত্রিরা হঠাৎ শোনেন সাইনবোর্ড, সাইনবোর্ড নামেন এই সাইনবোর্ড থেকেই ঢাকা জেলা শুরু এখন আপনি প্রবেশ করলেন ঢাকা জেলায় এবং বাংলাদেশের রাজধানীতে, ডুকার প্রবেশ ধারেএই জায়গাটির নাম সাইনবোর্ড, কেন এর নাম সাইনবোর্ড? এর নাম কিন্তু সাইনবোর্ড ছিলনা, মূলত এর নাম ছিল জালকুঁড়ি, মাতুয়াইলের পান্থ সিমানা, জালকুঁরির কথাটি পরে বলি, এটা পরের দিনের জন্য থাক, নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি শড়ক মিলিত হল ঢাকা – চট্টগ্রাম, মহাসড়কের ডানে চট্টগ্রাম এবং বায়ে রাজধানী ঢাকা। সামনে বিশাল জলাশয় খোলাজায়গায় নারায়নগঞ্জ থেকে আসা যাত্রিদের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য একটি সরকার পরিচালিত ব্যাংকের প্রচারনা মূলক একটি সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছিল।

ধারনা করা যায় ১৯৭৫ সালের শেষের দিকে তখনো ঢাকা – চট্টগ্রাম এবং নারায়নগনঞ্জ – চট্টগ্রাম মহাসড়ক দু’টি নির্মানাদিন ছিল। এই জায়গার লোকাল যাত্রিরা চট্টগ্রাম যেতে এবং ঢাকায় আসতে উঠা নামা উল্লেখ যোগ্য কোন লোকালয় নাথাকায় এবং জায়গাটির নাম বাসের হেল্পাররা সহজে চেনানোর জন্যে ফাঁকা জায়গায়  লাগানো এবং সবাই যেন বুঝতে পারে এই জন্যই বাসের হেল্পাররা সেই জায়গায় আসা মাত্রই যাত্রিদের ডাকতে শুরু করে সাইনবোর্ড সাইনবোর্ড নামেন।

সেখানে এখন প্রায় অর্ধশতাদিক সাইনবোর্ড ঝুলানো রয়েছে, কিন্তু সেই সরকার পরিচালিত ব্যাংকের প্রচারনা মূলক সাইনবোর্ডটি লাগানো নেই।

এখন এই সাইনবোর্ড নামটি বাংলাদেশের তিনটি স্হানে রয়েছে একটি হচ্ছে ঢাকা - ময়মনসিংহ সড়কের গজিপুরে এবং ভালুকার ত্রিশালের মাঝখানে  এবং অপর টি হচ্ছে কুষ্টিয়া থেকে রাজবাড়ি আসার পথে ডাহক মুড়ের পরেই বাস যাত্রিদের নামতে হয় সাইনবোর্ডে। ঢাকায় ঢুকার প্রথম স্হল গেটের সাইনবোর্ড নামটি এই ভাবেই পরিচিতি লাভ করে।

এরপর আমরা আসব মাতুয়াইলে এবং অবশ্যই আপনাদের জানাব জালকুঁরির নাম কিভাবে হল।

(আজ এই পর্যন্তই থাক)


বাংলাসংবাদ২৪/ইসরাফিল