Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Wed September 26 2018 ,

বারান্দার সৌন্দর্য

Published:2013-10-01 12:04:18    

বারান্দার সৌন্দর্য
আইকে: একটি সুন্দর ঘর মানেই তো তার সাথে বারান্দা থাকা চাই। বারান্দা ছাড়া ঘর যেন একেবারেই বেমানান। তাই ঘরের সাথে অবশ্যই বারান্দা থাকতে হবে। হোক সে ছোট বা বড়। সারাদিনের ক্লান্তি কাটাতে অথবা অবসর সময় সুন্দরভাবে কাটাতে বারান্দার জুড়ি নেই। এখানে কিছুক্ষণ সময় কাটাতে পারলে মনে হয় শরীর-মন দুই-ই চাঙ্গা হয়ে যায়। আর তাই আমাদের মন-প্রাণকে আরো বেশি প্রফুল্ল রাখতে সে অবসর কাটানোর স্থানটিকে আরো বেশি রোমাঞ্চকর করে গড়ে তুলতে সে পরিবেশটিকে পরিপাটি করে তার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে হবে। এসবের জন্য চাই সুন্দর একটি পরিকল্পনা।
ছোট বারান্দাতে ছোট ছোট টব বা টবের গাছ ভালো লাগে, অতিরিক্ত টব বা বড় বড় ঝাকড়া গাছ ভালো লাগবে না। টবের বর্ডারগুলোতে রুচিভেদে এক কালার অথবা নানা রঙে রঙিন করে নকশা তৈরি করতে পারেন। টব রাখতে নানা রকম স্ট্যান্ড পাওয়া যায়। বারান্দাগুলো সাধারণত অর্ধেক দেয়াল বাকি অর্ধেক গ্রিল থাকে। ইচ্ছে করলে মাঝামাঝিতে কতগুলো রঙের চিকন রাউন্ড শেপ করে নিতে পারেন, তাতে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হবে, নিচে ময়লা হওয়া বা মাটি গলে পড়ার কোন ভয় থাকবে না। বারান্দার ছাদের অংশে কতগুলো আংটা তৈরি করে তাতে ছোট ছোট ফুলের টবগুলো শিকায় করে আংটাতে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন তাতেও দেখতে বেশ সুন্দর লাগবে। কিছু কিছু লতা গাছ আছে যা বারান্দার এক পাশে ছড়িয়ে দিলে বেশ ভালো লাগবে। টবে যখন পানি দিতে যাবেন তখন একটু সময় নিয়েই যাবেন, মাঝে মাঝে গাছের পাতাগুলোতে পানি দিয়ে আলতোভাবে পরিস্কার করে দিবেন। পাতাগুলোর এই সবুজ আভা সত্যিই তখন দেখতে বেশ অপরূপ লাগে। বারান্দার একপাশে ছিমছাম চেয়ারে টেবিলের ব্যবস্থা করতে পারেন। দেহ ক্লান্ত, মাথায় হাজারো চিন্তার কারখানা, এরই মধ্যে এক কাপ গরম চা, বারান্দায় বসা সবুজের আভা সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক মনোরম পরিবেশ।
বারান্দার এক পাশ বা মাঝে দিয়ে ছোট একটি গেইটের মতো তৈরি করতে পারেন। ডিজাইন পুরো গ্রিলই থাকবে শুধু একটি আটকানো সিস্টেম রাখলেই হবে। বারান্দার গ্রিল বারান্দার দেয়ালের মাঝামাঝিতে গাঁথুনি দেয়া হয় বলে বাহির অংশে কিছুটা স্থান থেকে যায়। আমরা ইচ্ছে করলে বারান্দার ভেতরের নকশাটি তার বাহির অংশেও করতে পারি। বারান্দার মাঝে বা একপাশে যে ছোট হাত ঢুকানোর গেইটটি থাকবে তা দিয়ে অনায়াশে বারান্দার বাহির অংশও মনের মতো করে সাজানো যাবে। বারান্দাকে আরো বেশি নান্দনিক করতে ফ্লোরে দুই ধরনের টাইলস লাগাতে পারেন। ফ্লোরের মাঝে বেশ গাড় আর তার সাথে মানায় হালকা রংয়ের টাইলস দেয়ালে, ফ্লোরের উভয় পাশে লাগালে বেশ লাগবে।
বারান্দাটি যদি একটু বড় হয় তাহলে একপাশে দোলনার ব্যবস্থা করতে পারেন। ইজি চেয়ারকেও স্থান দিলে মন্দ হবে না। বারান্দাকে সব সময় ফ্রি রাখার চেষ্টা করবেন, অতিরিক্ত জিনিসপত্রকে স্থান না দেয়াই ভালো। তবে বেশি বড় হলে এবং সেখানে যদি বেশি সময় কাটানো সম্ভব না থাকে তাহলে পছন্দমতো স্থানে কর্নার স্ট্যান্ডকে স্থান দিতে পারেন। তাতে রাখতে পারে রঙিন মোমবাতিগোছা, হালকা রুচিমতো শোপিস আর গোটা কয়েক বই। সত্যিই সময় ভালোই কাটবে। নানা ফুলের পাশাপাশি বেশ কিছু সুগন্ধি ফুলকে স্থান দিতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই ফুলের সুঘ্রাণ আর সৌন্দর্যের বিকাশ, বিকেলে বই পড়া, এক কাপ চা আর প্রকৃতির মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলা- এসব কিছু সুন্দর পরিপাটি বারান্দার জন্য।


বাংলাসংবাদ২৪/আরু
 

আরও সংবাদ