Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

নির্বাচনী হাওয়া: জেলার নাম কিশোরগঞ্জ

Published:2013-10-30 20:37:19    

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা কিশোরগঞ্জ। জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৬টি। বিগত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত জেলার সব কটিতেই আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট প্রার্থীরা জয়ী হন। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপ্রধান, স্পিকার, মন্ত্রী-এমপি এখান থেকে নির্বাচিত হলেও সামগ্রিক উন্নয়ন হয়নি হাওড় অধ্যুষিত এ জেলাটির। আসছে ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষ তাই এমন প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে চান, যারা হবেন সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত। ইতোমধ্যে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনী তৎপরতা শুরু করে দিয়েছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এ্যাডভোকেট এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এ জেলার বাসিন্দা হওয়ায় এই জেলার প্রতি রাজনীতি সংশ্লিষ্টদের আলাদা দৃষ্টি থাকে।

স্ব স্ব আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে নেতারা ইতোমধ্যেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাসহ দলের সমর্থন পেতে লবিং ছাড়াও মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ করছেন তারা। পাশাপাশি ছবিসহ নানা বক্তব্যসংবলিত ডিজিটাল ব্যানার-প্ল্যাকার্ড আর পোস্টার-লিফলেটে ছেয়ে গেছে কিশোরগঞ্জের অলিগলি।

এদিকে আওয়ামী লীগের এ দুর্গের নির্বাচনী অঙ্ক পাল্টে দিতে ৫টি সিটি কর্পোরেশনের ফলে উজ্জীবিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারণা, গত নির্বাচনের মতো এবারও জেলার সব আসনে ভাল ফল করবে তারা। তবে নেতাদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাওয়া না পাওয়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব থাকায় তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করেন, এ জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

এদিকে মহাজোটের শরিক দল জাপাকে একটি আসনে মনোনয়ন দেয়া নিয়ে বেকায়দায় পড়তে পারে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে বিএনপিতে রয়েছে দলীয় কোন্দল। সাংগঠনিক অবস্থা জোরদার করে এবারের নির্বাচনে ভাল ফল অর্জনে কাজ করছে তারা। সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, দুর্নীতিবাজ-কালো টাকার মালিক ও অসৎ প্রার্থীরা ভোটযুদ্ধে খুব একটা সুবিধা করতে পারবেন না। কারণ দুর্নীতিবাজ ও অসৎ প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে সংসদে গেলে দেশের ভাবমূর্তিসহ এলাকার উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হবে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের ওপর নির্ভর করবে প্রধান দুই দলের নির্বাচনী সাফল্য।

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর)


বিগত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চারদলীয় জোট প্রার্থী বিএনপি নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ হিলালীকে পরাজিত করে টানা তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ভিভিআইপি প্রার্থী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে সামনে রেখেই আগামী নির্বাচনের জন্য তৎপরতা এবং ঘর গোছাতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে সরকারের বিগত সময়কালের সাফল্য ও স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরার চেষ্টা করছে দলটি।
অন্যদিকে কোন্দলে জর্জরিত বিএনপি হাফ ডজনেরও বেশি প্রার্থী প্রচারে নেমে মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে। তাদের ডিজিটাল ব্যানার-প্ল্যাকার্ড আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে দুই উপজেলার ব্যস্ততম সড়ক থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত। এ আসনে বিএনপির প্রার্থিতা নিয়েই স্থানীয়দের মাঝে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ, জল্পনা-কল্পনা। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিগত নির্বাচনে দলটির প্রার্থী সাবেক এমপি মাসুদ হিলালী, সাবেক ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ রেজাউল করিম খান চুন্নু, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলসহ আরও অনেকে মাঠে রয়েছেন। এ ছাড়া এ আসনে ঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এবং ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম প্রার্থী হতে পারেন বলেও শোনা যাচ্ছে। বিকল্পধারা বাংলাদেশ থেকে দলটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইউসুফ এবং কমিউনিস্ট পার্টি থেকে এ্যাডভোকেট এনামুল হক নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া)

বিগত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আবদুল মান্নান তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চারদলীয় জোট প্রার্থী বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলী ভূঁইয়াকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে শুরু হয়েছে নির্বাচনমুখী তৎপরতা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আবদুল মান্নান ছাড়া আরও অন্তত হাফ ডজন নেতা দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট এম এ আফজল, আয়কর আইনজীবী আবুল ফজল আনার, পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রেণু, বিশিষ্ট শিল্পপতি মাঈনুজ্জামান অপু প্রমুখ। এ ছাড়া এ আসন থেকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিন আহমেদ প্রার্থী হতে পারেন বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।


অন্যদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিগত নির্বাচনে দলটির প্রার্থী ইদ্রিস আলী ভূঁইয়া, পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান খোকন, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আশফাক আহমেদ জুন, কটিয়াদী পৌরসভার মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুইডেন প্রবাসী শহীদুজ্জামান কাকন প্রমুখের নাম শোনা যাচ্ছে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালামের নামও আলোচনায় রয়েছে। অন্যদিকে দল থেকে বহিষ্কৃত সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব) আখতারুজ্জামান রঞ্জন সম্প্রতি সবাইকে চমকে দিয়ে নিজেকে বিএনপির বিকল্পহীন প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন।
 
অন্যদিকে জাতীয় পার্টির বদরুল আমিন বাচ্চু ও এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম শওকত জনসংযোগ ও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া এ আসনে সিপিবির প্রার্থী হিসেবে জেলা সিপিবি সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল)

বিগত নির্বাচনে মহাজোট প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টি নেতা, সাবেক ভূমি-উপমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চারদলীয় জোট প্রার্থী জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাকে পরাজিত করেন। জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুকে এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যে দলের প্রধান এইচএম এরশাদ ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে জোটের দরকষাকষিতে জাপা প্রার্থীকে মহাজোটের প্রার্থী করা হলেও আসছে নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর অংশগ্রহণের দাবিকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ নেতারা ঘর গোছানোর পাশাপাশি নির্বাচনমুখী তৎপরতা বেশ জোরেশোরেই শুরু করেছে।
 
এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন- সাবেক সংসদ সদস্য ড. মিজানুল হক, করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শিল্পপতি নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের ঢাকা বিভাগের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আইটি ব্যবসায়ী শেখ কবির আহম্মেদ, বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের সদস্য সচিব অধ্যাপক আসাদুল হক, জেলা কৃষকলীগ নেতা শিল্পপতি মোঃ এরশাদ উদ্দিন প্রমুখ।
অন্যদিকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে ২০০১ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোট প্রার্থী জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা তৎপরতা চালিয়ে চালাচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম)

বিগত নির্বাচনে সাবেক স্পীকার আবদুল হামিদ এ্যাডভোকেট তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চারদলীয় জোট প্রার্থী, জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে পরাজিত করে টানা ৭ বারের মতো এ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ২৪ এপ্রিল আবদুল হামিদ এ্যাডভোকেট রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেয়ার পর শূন্য আসনে গত ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে তাঁরই বড় ছেলে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক নির্বাচিত হন। সে হিসেবে আগামী নির্বাচনে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিকের প্রার্থিতা অনেকটাই নিশ্চিত। অন্যদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের আগাম তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। আর এ দুজনকে ঘিরেই চলছে এ আসনের নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ।

কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী)

বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা শিল্পপতি আফজাল হোসেন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চারদলীয় জোট প্রার্থী বিএনপি নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান মঞ্জুকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন ছাড়াও কয়েকজন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে সাবেক আমলা ও বাজিতপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলাউল হক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অজয় কর খোকন।
 
অন্যদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক এমপি মজিবুর রহমান মঞ্জু, জেলা বিএনপির অপর সহসভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, জেলা বিএনপির সহসভাপতি মুহাম্মদ সালেহুজ্জামান খান রুনু, বাজিতপুর পৌর মেয়র এহেসান কুফিয়া প্রমুখের নাম শোনা যাচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর)

বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তৎকালীন অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চারদলীয় জোট প্রার্থী বিএনপি নেতা আলম গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফুল আলমকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি পদে জিল্লুর রহমান নির্বাচিত হলে এ আসনে ওই বছরেই ৩ এপ্রিল উপনির্বাচনে তাঁরই ছেলে নাজমুল হাসান পাপন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিসিবি সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপন দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন, এটা অনেকটাই নিশ্চিত।

অন্যদিকে ভৈরব পৌরসভার সাবেক মেয়র এ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ নিজেকে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ভৈরব ও কুলিয়ারচরের বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে জেলা বিএনপির সহসভাপতি শরীফুল আলমের প্রার্থিতা অনেকটা নিশ্চিত বলে দাবি করছেন তার কর্মী-সমর্থকরা। এ ছাড়া দল থেকে বহিষ্কৃত ১৯৯৬ সালের ১২ জুন ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মোঃ গিয়াস উদ্দিনও দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলাসংবাদ২৪/কমলনয়ন/এইউ/ইএফ

আরও সংবাদ