Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Tue September 25 2018 ,

কুড়িগ্রামে মামা-ভাগ্নের ২২ বছরের রাজত্ব

Published:2013-11-02 20:29:32    

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : নাগেশ্বরী-ভুরুঙ্গামারী আসনে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে মামা ভাগ্নের রাজত্ব চলছে। ‘৯০ এর গনঅভ্যুথানে স্বৈরচারী ক্ষমতাচ্যুত হয়ে জেলে যাওয়ার পর রংপুরের ছেলেকে বাঁচাতে ‘৯১সালে এরশাদের জাতীয় পার্টি থেকে মরহুম অ.খ.ম শহিদুল ইসলাম বাচ্চু দু‘বার বিপুল ভোটে সাংসদ নির্বাচিত হন।
তার মৃত্যুর পর ভাগনে এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান ১৯৯৬ সালে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে আজ পর্যন্ত সে ধারা অব্যাহত রেখেছেন।

এবারে আসনটি কি মামা ভাগনের কবল মুক্ত হবে ? এর উত্তর খুঁজতে গত ১৫দিন উপজেলা দু‘টির ২৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সরেজমিন ঘুরে সংগৃহিত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষন করে একটি নিরপেক্ষ প্রতিবেন তৈরী করার চেষ্টা করেছি।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী ৪জন। এ কারণে দলটির অভ্যন্তরে মন কষাকষি ও দ্বন্দ লেগেই আছে। জাতীয় পার্টির বর্তমান সাংসদ এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান জাপার একক প্রার্থী। এলাকায় থাকেন না। সংসদে কথা বলেন না। একটানা ১৫ বছর সংসদ সদস্য পদে থাকলেও উপজলা দু‘টির কোথাও তেমন কোন দৃশ্যমান নজির নাই।

অপর দিকে জেলা বিএনপি‘র সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা আসনটির একক প্রার্থী হিসাবে পরপর তিন বার হেরেও হাল ছেড়ে না দেয়ায় মানুষের মধ্যে সহানুভুতির আবহ লক্ষ করা যাচ্ছে। ১৮ দলীয় জোটের শরিক জামায়েত ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা আমীর সহ-অধ্যাপক আজিজুর রহমান স্বপন দলের একক প্রার্থী।

ইসলামী শাসনতন্ত্রের একক প্রার্থী আনছার আলী রয়েল। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে যারা দৌড়ঝাপ করছেন তারা হলেন দেশবন্ধু গ্রুপের চেয়ারম্যান শিল্পপতি গোলাম মোস্তফা, নাগেশ্বরী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসলাম হোসেন সওদাগর, উপজেলা আ‘লীগ সভাপতি মোজ্জাম্মেল হক প্রধান এবং কৃষক লীগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মজিবর রহমান বীরবল।

তবে শিল্পপতি গোলাম মোস্তফার মনোনয়ন চুড়ান্ত বলে দলের নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে। তিনি নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তাছাড়া সোনাহাট স্থলবন্দর, নাগেশ্বরী পৌরসভা, কচাকাটা ও নাগেশ্বরী নানা ভবন নির্মান ও দুধকুমার নদের উপর সেতু বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাঁর একান্ত চেষ্টা বিদ্যামান।

২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোজাম্মেল হক প্রধান ও মজিবর রহমান বীরবল চেয়ারম্যান পদে ভোট করে হেরে গেছেন। এক সময় আসলাম হোসেন সওদাগর আসনটিতে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার কারনে মামলা মোকদ্দমা এবং সাধারন মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করার ফলে এখন তা শুন্যের কোটায় পৌছেছে।

মজিবর রহমান বীরবল ১৯৯২ সালে রামখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হন। পরে ঋণ খেলাপী মামলায় ২বছর ২মাসেই নির্বাচন ট্রাইবুন্যাল তা বাতিল করেন। পরে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামানত হারান। প্রধান মন্ত্রী তার বেয়াইন বলে তিনি মনোনয়ন পেতে আশাবাদী।

মোজাম্মেল হক প্রধান ১৯৯০ সালে নাগেশ্বরী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হন। পরে বিএনপি সরকার ‘৯২ সালে তা বাতিল করেন।


বাংলাসংবাদ২৪/মমিনুল/কাব্য

আরও সংবাদ