Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Tue December 18 2018 ,

  • Advertisement

নিজামী ছিলেন অপরাধের রিং লিডার : তুরিন আফরোজ

Published:2013-11-06 18:13:27    

ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামী অপরাধের রিং লিডার ছিলেন বলে যুক্তি পেশ করেন প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ।

বুধবার চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ নিজামীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের যুক্তি উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন।

আদালতে তুরিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ একটি সত্য বিষয়। আর এ সত্যের উপর দাড়িয়ে আজ বিচার পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, আদালতে আজ নিজামীর বিরুদ্ধে চারটি বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেছি। নিজামী তৎকালীন সময়ে যুবক-তরুণদেরকে উস্কানি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল।

তুরিন আফরোজ বলেন, নিজামী সাহেব ভালো কিছু করতে পারতেন। কিন্তু তিনি মানুষকে বিপথগামী করেছিলেন। তাই আদালতে আমরা বলেছি নিজামী ছিলেন অপরাধের রিং লিডার। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময় যত অপরাধ সংগঠিত হয়েছে নিজামী তার প্রধান ছিলেন বলেও আদালতে যুক্তি পেশ করেন এ প্রসিকিউটর।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তি তর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষ হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে আসামীপক্ষ তাদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করবেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে ৪ জন সাফাই সাক্ষী নিজামীর পক্ষে সাক্ষ্য দেয়। সাক্ষিদের জেরা করে প্রসিকিউশন। নিজামীর বিরুদ্ধে গত বছরের ২৬ আগস্ট থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত  সাক্ষী হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যাপক, সাংবাদিক ও ইতিহাসবিদসহ মোট ২৬ সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করেছে। আসামীপক্ষ এসব সাক্ষিদের জেরা করেছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ১৬টি অভিযোগ এনে গত বছরের ২৮ মে নিজামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, লুট, ধর্ষণ, উস্কানি ও সহায়তা, পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র এবং বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ মোট ১৬টি ঘটনায় এ অভিযোগ আনা হয়।

এর আগে একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন মতিউর রহমান নিজামীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে একই বছরের ২ আগস্ট এক আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।



বাংলাসংবাদ২৪/সাকিল আহমেদ/বিএইচ

আরও সংবাদ