Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

কুষ্টিয়ার-৩, ৪ আসনের বিএনএফ প্রার্থী আবদুল্লাহ জিয়া

Published:2013-11-16 11:12:58    

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: স্বাধীনতার সুতিকাগার কুষ্টিয়ার মাটিতে দাঁড়িয়েই স্বাধীন বাংলার সরকার গঠিত হয়। স্বাধীনতার ৪২ বছরে কুষ্টিয়া’র উল্লেখযোগ্য তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। নেতা এসেছে নেতা গিয়েছে। প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি কতটুকু মিলেছে, প্রশ্নের জবাব নেই।

সংগত কারণেই কুষ্টিয়ার মানুষ নতুন, তরুণ নেতৃত্ব খুঁজছে। এরই ধারাবাহিকতা রাখতে এবার কুষ্টিয়ার জনমানুষের দৃষ্টি নতুন কিছুর দিকে। নব্য নিবন্ধন পাওয়া বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ এর কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনএফ আহবায়ক আবদুল্লাহ জিয়া জীবনের প্রথম সংসদ নির্বাচনে একসাথে কুষ্টিয়া-৩, সদর এবং কুষ্টিয়া-৪, কুমারখালী+খোকসা উপজেলাধীন ২টি সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচন করার গৌরব অর্জন করতে যাচ্ছেন।

দলীয় শৃংখলা, পার্টির চীফ কো-অর্ডিনেটর/প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদ এর প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা পার্টির বিনিয়োগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিনিয়োগ এবং নিরলস শ্রম-মেধার মাধ্যমে পার্টির প্রচার, প্রচারণা বৃদ্ধিতে ভুমিকা রাখা এবং বিএনএফ চীফ এর  নেতৃত্ব ১০০ ভাগ অনুসরণ করার ফলেই তাকে এ পুরষ্কার দেয়া হচ্ছে এটি জানা গেছে।

বিএনএফ চীফ কো-অর্ডিনেটর/প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট প্রবীণ সাংবাদিক ভাসানীর হক কথা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, বর্তমান সময়ে দেশের সিনিয়র রাজনীতিবিদ, কালুরঘাট যুদ্ধের অন্যতম নায়ক, শহীদ জিয়া’র রাজনৈতিক সহযোগী, মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর, বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এর ভূয়শী প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ ভাসানী, বঙ্গবন্ধু, শহীদ জিয়া’র উত্তরসুরী যদি খুঁজতে চায় তাহলে তা আমাদের মহান নেতার মাঝে খুঁজে পাবে। বর্তমানে দেশের এমন একজনও নেই যে ভাসানী, বঙ্গবন্ধু এবং শহীদ জিয়া’র সানিধ্য একসাথে কাছে থেকে পেয়েছেন। আবুল কালাম আজাদ’কে মওলানা ভাসানী কাছে ডেকে দীক্ষা দিয়েছেন। একমাত্র তাকেই ভাসানীর হককথা পত্রিকা প্রকাশনার অনুমতি দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু তাকে চট্রগ্রাম থেকে ঢাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করেছেন এবং পড়াশোনার সকল ব্যয়ভার তিনি নিজে বহন করেছেন। শহীদ জিয়া তাকে তাঁর রাষ্ট্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন এবং তাকে সংসদ নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নও দিয়েছেন। কিন্তু তিনি মওলানার আদর্শে আদর্শী হয়ে নিজে শুধু একজন রাজনীতিবিদ হিসেবেই থাকতে চেয়েছেন। এতে বোঝা যায় ৩ নেতার রাজনৈতিক মিশ্রন অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এর মাঝে পরিলক্ষিত হয়।

একসাথে ২ আসনে নির্বাচন করার ইচ্ছা কেন হলো বা কেন আপনাকে ২টি আসনে নির্বাচনের সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কুষ্টিয়াকে ভৌগলিক বিচারে বিভাগের আবেদন করছি প্রায় ৩ বছর যাবৎ। সেক্ষেত্রে কুষ্টিয়াসহ ঢাকা শহরেও বিভিন্ন প্রচার করেছি। কুষ্টিয়ার জনমানুষের নিকট এ বিভাগ বাস্তবায়নের আন্দোলনটি ব্যাপকতা পেয়েছে এটি যেমন বিএনএফ চীফ জানেন তেমনি তিনি যেহেতু আমার মাঝে রাজনৈতিক আদর্শ দেখেছেন সর্বোপরি তিনি দেখেছেন আমি ২টি আসনে নির্বাচন করলে বিজয়ী হতে পারব, সাথে তিনি যে আমাকে তার ন্যায়নিষ্ঠ শিষ্য মনে করেন তার তেলেসমাতি দেখাতেই হয়ত তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে আমি মনে করি।

২ টি আসনে নির্বাচিত হলে আপনি কুষ্টিয়াবাসীর জন্য কি করবেন, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে ১টি মাত্র কাজ করব আর তাতেই আমার ১০০টি কাজ হয়ে যাবে। যেমন, কুষ্টিয়া’কে বিভাগ ঘোষনার কাজটি সর্বাত্বক প্রচেষ্টা দিয়ে করব। কুষ্টিয়া বিভাগ ঘোষনা হলে সরকারী ব্যবস্থাপনা শুরুর আগেই প্রতিটি মানুষের জীবনের রং আরো রঙিনভাবে রাঙায়িত হবে, বিভিন্ন বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীগণ কুষ্টিয়ার মাটিতে তাদের শিল্প ও কলকারখানা স্থাপন করবে। সে সকল কলকারখানায় লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হবে। যেমন দেখুন, রংপুর বিভাগ ঘোষনা হবার সাথে সাথে কিভাবে রঙিন হয়ে উঠেছে সেখানকার মানুষ। মঙ্গাযুক্ত উত্তরবঙ্গ বর্তমানে উন্নয়ন, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে কয়েকধাপ এগিয়ে।  

আপনার নেতা আবুল কালাম আজাদ এর কাছে দেশবাসী কি পেতে পারে বলে আপনি মনে করেন, প্রশ্নের জবাবে আবদুল্লাহ জিয়া আরো বলেন, তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দুরদর্শীতার যে পরিচয় আমি পেয়েছি তাতে আমি মনে করি, নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার ধ্বনি দিয়ে বাংলার ৯০ ভাগ মুসলমানের দীল ঈমানী রঙ্গে রঙ্গিণ করে নাস্তিক্যবাদীদের আস্ফালনকে দুমড়ে মুচড়ে একাকার করে দিতে চান তিনি। দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন করার দৃঢ় প্রত্যয়ে শহীদ জিয়ার ১৯ দফা বাস্তবায়ন করে তিনি চান তাঁর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে।


বাংলাসংবাদ২৪/আজমীর/এমএস

আরও সংবাদ