Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Mon September 24 2018 ,

ব্যভিচারের হতে সাবধান

Published:2013-11-17 11:43:58    



“রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাপাচারীকে চিকিতসকের দৃষ্টিতে দেখতেন যেমন রোগীকে দেখা হয়। পুলিশের মতন তিনি অপরাধীকে দেখতেন না। ইনশা আল্লাহ নিচের ঘটনাটি থেকে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাবেঃ

একজন কুরাইশ যুবক একদিন রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এসে ব্যভিচারের অনুমুতি চাইলো। সাহাবীরা ক্রুদ্ধ হয়ে তাকে শাস্তি দিতে উদ্যত হলেন; কিন্তু রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন। শান্ত সমাহিত চিত্তে তিনি যুবকটিকে তার আরো কাছে আসতে বললেন।
তারপর বললেন, “তুমি কি তোমার মায়ের জন্য এটা (ব্যভিচার) মেনে নেবে?”
যুবকটি জবাব দিলো, “না।”

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “(অন্য) লোকেরাও তাদের মায়ের জন্যে এটা অনুমোদন করবে না।”
অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারবার তাকে জিজ্ঞাসা করলেন সে তার কন্যা, বোন ও চাচীর জন্য এটা অনুমোদন করবে কিনা? প্রতিবারই যুবক বললো, “না।”

তারপর তিনি যুবকটির হাত ধরে বললেন, “আল্লাহ তার (তরুণের) পাপ মার্জনা করুন, তার অন্তর পবিত্র করুন এবং তাকে সহিষ্ণু করুন (তার এই কামনার বিরুদ্ধে)।” [আহমদ, তাবারানী]

এই সহৃদয় অনুভূতি সুস্পষ্ট সদিচ্ছা ও মানুষের জন্মগত সুমতির প্রতি আস্থার পরিচায়ক যা মানুষের খারাপ বৃত্তিগুলোকে বিদূরিত করতে সক্ষম। আর খারাপ প্রবৃত্তি ক্ষণস্থায়ী। সুতরাং, তিনি ধৈর্যের ও যুক্তির সাথে তার সাথে আলাপ করে তার ভুল চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন।"
বাংলাসংবাদ২৪/এনআ/১৭/১১/১৩

আরও সংবাদ