Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Wed December 19 2018 ,

  • Advertisement

দেহের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ক হিসেবে গাঁদা ফুল

Published:2013-11-30 12:10:27    

বাংলাসংবাদ: শীত আসার সময় হয়ে এসেছে। আর সময় হয়েছে নানা রকমের ও রংয়ের ফুল ফোঁটার। ফুল মানুষকে সহজেই কঠিন থেকে কোমলে বদলে দেয়। আর সেই ফুল যদি হয় বাহারি রংয়ের তাহলে তো কথাই নেই।

তবে শীতের সব ফুলের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ফুল হলো গাঁদা ফুল যা কিনা বিয়ে বা গাঁয়ে হলুদ ইত্যাদি অনুষ্ঠান ছাড়াও মানুষের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই কথাটি অবশ্য অবাক করার মতো একটি কথা তবে তাতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই কথাটি আসলেই সত্য।
 
তাহলে আমরা এখন জেনে নেই গাঁদা ফুলের সাহায্যে আমাদের দেহের কিকি রোগ কিভাবে নিরাময় করা যায়।
 
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস:
গাঁদা ফুলের উজ্জ্বল কমলা ও হলুদ পাপড়িতে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যারোটিনয়েড। এই ফুলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র‍্যাডিকেল জনিত কোষের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে ডিএনকে বাঁচায়।। ধূমপান, দূষণ ইত্যাদির ফলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। শরীরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করলে ফ্রি র‍্যাডিকেলের এই ক্ষতির থেকে শরীরেকে রক্ষা করে। এছাড়াও গাঁদা ফুলের প্রাইমারী ক্যারোটিনয়েডে আছে লুটেইন ও জিয়াক্সান্থিন যা চোখের রেটিনাকে ভালো রাখে এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে।
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

গাঁদা ফুলের উপস্থিতিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে থাকে ১৯৯৮ সালের জার্নাল অফ নিউট্রিশনে একটি গবেষণায় উল্ল্যেখ করা হয়েছে যে গাঁদা ফুল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এই গবেষণায় ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলেছে যে গাঁদা ফুলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লুটেইন ব্রেস্ট ক্যান্সার টিউমারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। গবেষনায় আরো দেখা যায় যে লুটেইন টিউমার এর সংখ্যা কমানোর পাশাপাশি নতুন টিউমার কোষ গঠনেও বাঁধা দেয়। গবেষণায় আরো বলা হয়েছে যে গাঁদা ফুল লিউকোমিয়া ও কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক।

ক্ষত সারায়:
কোথাও কেটে গেলে কিংবা ছিলে গেলে গাঁদাফুলের রস দিলে রক্ত পড়া বন্ধ হয় এবং বেশ দ্রুত ক্ষত সেরে যায়। পোড়া ত্বকেও গাঁদা ফুলের রস লাগালে তাৎক্ষনিক প্রশান্তি মেলে। ব্রাজিলের গবেষকরা ইঁদুরের উপর গবেষনা করে দেখছেন যে ক্ষত স্থানে গাদাফুলের রস লাগালে সেই খানে নতুন স্কিন টিস্যু জন্মে ক্ষত স্থানটি দ্রুত সেরে যায়। ২০১১ সালে ব্রাজিলিয়ান ম্যাগাজিন Cirurgica Brasileira তে এই গবেষনাটি প্রকাশিত হয়।

ত্বকের যত্নে:
রোদে পোড়া ত্বকে গাঁদা ফুলের রস লাগালে কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্বালা ভাব চলে যায় এবং ত্বক শীতল হয়ে যায়। এছাড়াও গাঁদা ফুলের অ্যান্টি অক্সিডেন্টের কারণে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে না সহজে। গাঁদাফুল হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক। তাই ব্রণের উপর গাঁদা ফুলের রস লাগালে দ্রুত ব্রণ সেরে যায়।
যেভাবে ব্যবহার করা যায় গাঁদাফুল

    গাঁদা ফুলের পাপড়ি শুকিয়ে গুঁড়ো করে জাফরানের বদলে ব্যবহার করা যেতে পারে।
    গাঁদা ফুলের পাপড়ি সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে চা বানিয়ে খাওয়া যায় ও মুখ ধোয়া
    যায়। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
    


বাংলাসংবাদ২৪/এমএস

আরও সংবাদ