Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Wed December 19 2018 ,

  • Advertisement

ইসলামে নারী অধিকার

Published:2013-12-12 11:05:31    

বাংলাসংবাদ২৪: ইসলামে ধর্মে নারীর পায়ের নীচে সন্তানের বেহেশত বলা হয়েছে। নারীকে ঘরের মূল রক্ষক করেছেন।

স্বামীর চারিত্রিক সার্টিফিকেট দেবার ক্ষমতা স্ত্রীকে দেয়া হয়েছে। কণ্যা পালন করাকে সর্বোত্তম কর্ম ঘোষনা করা হয়েছে। তিন কণ্যার পিতাকে সর্বোচ্চ জান্নাতের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। নারীকে পৃত্রীথিবীর সর্বোচ্চ সম্পদ ঘোষনা করা হয়েছে। স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পোশাক স্বরূপ বলা হয়েছে।

স্র প্রতিটি পারিবারিক কাজে স্বামীর সহযোগীতাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নারী-পুরুষের জন্য শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিপদ-মুসিবতে মুক্তি পেতে প্রথম সুবিধাভোগী হিসেবে নারী ও শিশুদের অগ্রাধিকার দিয়েছেন। পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য প্রযোজ্য এমন কাজে নারীকে সমান অধিকার নয়, অগ্রাধিকার দিযেছেন।

নারী ব্যতীত পুরুষের জীবনকেই অর্থহীন করা হয়েছে, একজন পরিপূর্ন মানুষ হতে গেলে, নারীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতেই হবে, এই শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ একজন নারীর মাধ্যমে মানব জাতীকে সালাম পাঠিয়েছেন। হজ্বের সময় শত-কোটি হাজী ছাফা মারওয়ায় দৌঁড়ায়, তা একজন নারীর অবদানের জন্যই করা হয়েছে।

ঈসা (আঃ) তথা যীশু খৃষ্টের মা এবং তাঁর কর্মকান্ডকে শ্রদ্ধা না করলে কেউ মুসলিম থাকেনা বলে ঘোষনা হয়েছে।এক নারিবাদির কথা

একজন বলছিল ইসলাম অর্ধেক সম্পত্তি দেয়। আমি আমার বোন কে ঠকাতে পারব না। আমি বলছিলাম ভাই আপনাকে ঠকাতে বলে কে? আপনার বাকি সম্পত্তি আপনার বোন কে লিখে দিয়ে সমান সমান করে নিলেই ত হয়। এই কথা শুনার পর সে প্যান্ট খুলে দউরাইছে।

মনে করছে খাইছি ধরা। আমি যদি সমান করে দেই তাহলে আমার বোন আমার সমান সম্পত্তি পাইল আবার বিয়ের পরে সামির বারির সম্পত্তি পাবে। তারপরে দেন মহর পাবে। আবার বোন এর সকল দায়িত্ব আমার।  ইসলাম পূর্ব গ্রিক সভভতা ও মিশরের সভ্যতাঃ

গ্রিক সভ্যতা কে প্রাচীন কালের সকল সভ্যতার শ্রেষ্ঠতম ও উজ্জল সভ্যতা বলা হত  সভ্যতায় নারী “ডাইনি” এবং সয়তানেরতথাকথিত এই উজ্জলতম সভ্যতায় নারী ছিল সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্ছিত। মিশরের প্রতীক হিসাবে মনে কর হত নারীকে।

নারী সমাসজের পতীক বলা হয়।শুধু ইসলামে নারীর অধিকার যেভাবে দিয়েছে অন্য কোন ধর্ম তা প্রদান করেছেন।

 

বাংলাসংবাদ২৪/টিআর
 

আরও সংবাদ