Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

গাছিরা ব্যস্ত খেজুর রস সংগ্রহে; গ্রাম-গঞ্জে শীতের পিঠে-পুলি খাওয়ার উৎসব

Published:2014-01-08 17:12:56    

বাংলাসংবাদ: ঋতুর পরিক্রমায় হেমন্তের পরে শীতের আগমনের সাথে সাথে জয়পুরহাটের কালাইয়ে গাছিরা ব্যস্ত খেজুর গাছ থেকে খেজুরের সুমিষ্ট রস সংগ্রহে, গ্রাম-গঞ্জে পড়েছে শীতের পিঠে-পুলি খাওয়ার আনন্দমুখর উৎসব। জানা গেছে, গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কাছে এখনও অনেক জনপ্রিয় খাবার শীতের সকালে খেজুরের সুমিষ্ট রসের সাথে মুড়ি। শুধু গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কাছেই নয় সমান জনপ্রিয় শহরের মানুষের কাছেও। খেজুরের মিষ্টি রস এবং রসের তৈরী বিভিন্ন রকম পিঠে-পুলি খেতে তারা ছুটে আসে গ্রামে। মেয়ে-জামাই আর নিকট আত্নীয়দের সাথে নিয়ে এই শীতে গ্রামে-গ্রামে পড়েছে পিঠে-পুলি আর পায়েস খাওয়ার উৎসব। গাছিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শীত আসলেই অযত্ন অবহেলায় বেড়ে উঠা খেজুর গাছের কদর বেড়ে যায়। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে খেজুর গাছ যা সংখ্যায় অতি অল্প। মুলত রাস্তার ধারে, পতিত জমি, জমির আইল এবং বসত বাড়ির আঙ্গিনায় এসব গাছ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ব্যক্তিগত মালিকানার এসব গাছে চুক্তির ভিত্তিতে গাছিরা রস সংগ্রহ করে। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত সংগ্রহ করা রস তারা সকালে গ্রামে-গঞ্জে বিক্রি করে। খেজুর রসের গুড় তৈরি করে গাছিরা বাজারে বিক্রি করে প্রতি কেজি গুড় ৭০-৮০ টাকা বিক্রি হয়। তারা আরো  জানান যে, খেজুরের সুমিষ্ট রসের সাথে মুড়ি, বিভিন্ন ধরনের রসের পিঠে-পুলি এবং পায়েস খাবার জন্য মানুষ তাদের এই খেজুরের রস এবং খেজুরের গুড় বাজার থেকে সংগ্রহ করে। শীতে খেজুরের রস এবং গুড়ের  চাহিদা থাকে অনেক বেশি। তুলনামূলক ভাবে খেজুর গাছের সংখ্যা কম। ২-৩ টি গ্রাম মিলেও ২৫-৩০ টি খেজুরের গাছ পাওয়া দায়। খেজুর গাছ থেকে পাওয়া রস এবং গুড় বিক্রির অর্থ দিয়ে গাছিদের জীবিকা নির্বাহ করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এজন্য অনেকে তাদের এ পেশা ছেড়ে দিয়েছে। এদিকে চিকিৎসকরা বলেন, খেজুর গাছ থেকে রস নামানোর পর খেজুরের রস খাবার ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছে। খেজুরের রস কোন বাদুর খেয়ে থাকলে ঐ রস খেলে নিপা ভাইরাস রোগ ছড়াতে পারে বলে জানিয়েছেন।

 

এ,আর,আল-মাক্কী/ফারুক
 

আরও সংবাদ