Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Sun September 23 2018 ,

সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধে শীষ্য বাহিনীর ১১ দস্যু নিহত

Published:2014-01-21 23:24:02    

বাংলাসংবাদ:পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের নারকেলবাড়িয়া এলাকায় রোববার  রাতে বন্দুকযুদ্ধে দুর্ধষ বনদস্যু শীষ্য বাহিনীর ১১ দস্যু নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৮’র লেফটেন্যান্ট কমান্ডার গুলজার হোসাইন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেণ

 বন্ধুক যুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন বাহিনীর প্রধান রেজাউল (৩৮)। তবে নিহত ও আহত দস্যুদের কাউকেই উদ্ধার বা আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে র‌্যাব-৮’র লেফটেন্যান্ট কমান্ডার গুলজার হোসাইন গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বাংলাসংবাদেক জানান, তিনিও ১১জন নিহতের খবর শুনেছেন। তবে এ ধরণের সু-নির্দিষ্ট তথ্য তিনি পাননি। এমনকি কোন লাশও উদ্ধার হয়নি। ফলে এ খবরের সত্যতা নিয়ে সংশয় রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ দিকে র‌্যাব-৮ এর ডিএডি নাজির আহমেদ ফারুকী বাদি হয়ে মঙ্গবার দুপুরে বাহিনী প্রধান রেজাউলসহ ৩২ জনকে আসামী করে বাগেরহাটের শরণখোলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে, শীর্ষ বাহিনীর সদস্যদের নিহত হওয়ার খবরে বাগেরহাটের শরণখোলাসহ উপকূলীয় জেলেরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। তারা র‌্যাব-৮ এর সফল অধিনায়ক ফরিদুল আলমসহ সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

র‌্যাব জানায়, দস্যুদের গুলিতে গুরুতর আহত র‌্যাব-৮ এর ল্যান্স করপোরাল সাইফুল ইসলাম ও জাহাজের সুকানি হায়দার আলীকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে সোমবার দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সাইফুলকে পিলখানা বর্ডার গার্ড হাসপাতালে এবং জাহাজের সুকানিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে বলে র‌্যাব সূত্র জানিয়েছে।

অপরদিকে, সোমবার ও মঙ্গলবার সাগর সংলগ্ন পাথরঘাটা এলাকার নদীতে কয়েকেটি লাশ ভাসতে দেখেছেন স্থানীয় জেলেরা। লাশগুলো র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত বনদস্যু শীষ্য বাহিনীর সদস্যদের বলে ধারণা করছেন তারা।

জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির শরণখোলা উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ জেলেরা জানান, শীষ্য বাহিনীর অত্যাচারে জেলেরা সাগরে যেতে ভয় পেত। এ বাহিনীর সদস্যরা নিহত হওয়া জেলে ও মহাজনদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন ওই মৎস্যজীবী নেতারা।

বরিশাল র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফরিদুল আলম মুঠোফোনে মঙ্গলবার দুপুরে জানান, রোববার রাত ১১ টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১ঘন্টা ধরে বনদস্যু শীর্ষ বাহিনীর সঙ্গে র‌্যাবের বন্দুকযুদ্ধ চলে। এতে বাহিনীর ১১ দস্যু নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হয়। বাহিনীর প্রধান রেজাউল ও সহযোগী সালেহ হুজুরসহ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরো ৪-৫ দস্যু। রেজাউলের বাড়ি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী গ্রামে। তার বাবা নাম আ. মতিন খান। পাথরঘাটা এলাকায় ভাসমান লাশের ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, লাশগুলো শীষ্য বাহিনীর সদস্যদের হতে পারে। তাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

বাংলাসংবাদ/মনি/তাওহাদ