Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

রক্তে ভাসছে সাতক্ষীরা, এর দায় নেবে কে?

Published:2014-01-27 17:42:57    

বাংলাসংবাদ: রক্তে ভাসছে সাতক্ষীরা। কেউ বাবা, কেউ সন্তান, কেউবা স্বামী হারিয়ে নির্বাক আজ। তাদের সকলের আকুতি কি অপরাধ করেছিলো তাদের স্বজনরা? যৌথ বাহিনী ও আ.লীগ ক্যাডারদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো এখন তীব্র শীতে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। অপর দিকে সংখ্যা লগুদরে উপরও চালানো হয়েছে হামলা। এর দায় নেবে কে?

যারা ১৮ দলরে রাজনীতরি সাথে জরিত তাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল বাড়িঘরগুলোও ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের দেখার কি কেউ নেই? এমন আকুতি অসহায় এই পরিবারগুলোর সদস্যদের। সাতক্ষীরায় এ পর্যন্ত ৪৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

অপর দিকে সংখ্যা লঘুদরে উপরে যে নাক্কার জনক হামলা চালানো হয়েছে তাও ভুলার মত নয়।

সর্বশেষ ১৮ জানুয়ারী সাতক্ষীরার পদ্ম শাখরা গ্রামের শহর আলীর ছেলে শিবির কর্মী ছোটনকে পুলিশ ধরে নিয়ে পূর্ব ভোমরা এলাকায় গুলি করে হত্যা করে। এর আগে ৩০ ডিসেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে একটি মাইক্রেবাসযোগে ৭/৮ জন ক্যামেরা ও নোটবুক নিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাতক্ষীরার আগড়দাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আনোয়রুল ইসলামের বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে পাশ্ববর্তী শিকড়ী এলাকার একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে তার বুকে, পেটে ও পায়ে পর পর কয়েকটি গুলি করে হত্যা করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তাকে যৌথবাহিনী গুলি করে হত্যা করেছে।সাতক্ষীরা জেলায় পুলিশ ও যৌথবাহিনী এবং আওয়ামী ক্যাডারদের গণহত্যার শিকার হয়েছে, গত ২৮ ফেরুয়ারী সাতক্ষীরার সদর উপজেলার আগরদাড়ির বাসিন্দা শিবিরকর্মী ইকবাল  হোসেন (তুহিন), বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের জামায়াত কর্মী মাহমুদুল হাসান, গাজীপুর ঘোনার ছনকার জামায়াত কর্মী রবিউল ইসলাম,  পায়রাডাঙ্গার শিবিরকর্মী শাহিন আলম, খানপুরের জামায়াত কর্মী সাইফুল্লাহ, পুরাতন স্তাক্ষীরার জামায়াত কর্মী আব্দুস সালাম, দেবহাটা উপজেলার কুলিয়ার শষাডাঙ্গার শিবির কর্মী আলী মোস্তফা।

৩ মার্চ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রইচপুরের জামায়াতকর্মী মাহবুবুর রহমান, ৪ মার্চ কলারোয়া উপজেলার কামারখালীর জামায়াত কর্মী আরিফবিল্লাহ ও তার ভাই জামায়াত কর্মী রুহুল আমীন, ৫ মার্চ একই উপজেলার ওফাপুর গ্রামের জামায়াত কর্মী শামসুর রহমান,১৬ জুলাই  শ্যামনগর উপজেলার শিবির কর্মী মোস্তফা আরিফুজ্জামান, কালিগঞ্জের রঘুরামপুর গ্রামের জামায়াতকর্মী রুহুল আমীন, ২৫ অক্টোবর শ্যামনগরের জয়নগর গ্রামের জামায়াত কর্মী শফিকুল ইসলাম, ৫ নভেম্বর পাটকেলঘাটার সরুলিয়ার জামায়াত কর্মী আব্দুস সবুর।

২৫ নভেম্বর আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের জামায়াত কর্মী আতিয়ার রহমান, ২৭ নভেম্বর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিয়ালডাঙ্গার জামায়াত কর্মী শামছুর রহমান, ৩ ডিসেম্বর দেবহাটা উপজেলার শিবিরকর্মী আরিজুল ইসলাম ও গাজীরহাটের হাফেজ হোসেন আলী, ১৬ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাতানির জামায়াত কর্মী জাহাঙ্গীর মোড়ল ও একই উপজেলার শিয়ালডাঙ্গা গ্রামের জামায়াত কর্মী সাহেব বাবু, ১৩ নভেম্বর রিয়াদ হাসান(১০), হাবিবুর রহমান হবি।

২৪ ডিসেম্বর ঝাউডাঙ্গায় ভ্যানচালক হাফিজুল ইসলাম, ৩০ ডিসেম্বর আগরদাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আনারুল ইসলাম, ৩০ ডিসেম্বর শিকড়ী গ্রামের লিয়াকাত আলী, ২৮ ফেব্রুয়ারী ছাত্রলীগ নেতা প্রভাষক এবিএম মামুন হোসেন, ১৫ জুলাই সকাল ৯টায় দেবহাটার সখিপুর ইউনিয়নে আব্দুল আজিজকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে।

১৩ আগস্ট দুপুরে গড়ানবাড়িয়া এলাকায় আলমগীর হোসেনকে পিটিয়ে, ২৬ আগস্ট রাতে সদর উপজেলার শিবপুরে রবিউল ইসলামকে হরিশপুর এলাকায় কুপিয়ে,২১ নভেম্বর রাতে দেবহাটা উপজেলা পারুলিয়া বাজারে দেবহাটা উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু রায়হানকে কুপিয়ে, ২৬ নভেম্বর কলারোয়া উপজেলার মীর্জাপুরে মাহমুদুর রহমান বাবুকে পিটিয়ে, ২৬ নভেম্বর কলারোয়ার দেয়াড়ায় রবিউল ইসলাম কে পিটিয়ে, ৩ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা-ভোমরা সড়কের মাহমুদপুর এলাকায় গিয়াসউদ্দিন সরদারকে পিটিয়ে, ৪ ডিসেম্বর রাত ১২টায় কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়া শিমলা গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন খোকনকে  কুপিয়ে, ৫ ডিসেম্বর রাত ৯টায় সদর উপজেলার কুচপুকুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামকে গুলি করে, ৮ ডিসেম্বর জেলা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের এজাহার আলী মোড়লকে (৪৫) পিটিয়ে, ১১ ডিসেম্বর সদর উপজেলার বলাডাঙ্গার আব্দুল হামিদ, ১৩ডিসেম্বর কলারোয়া গোপিনাথপুর গ্রামের আজিজুর রহমান আজুকে কুপিয়ে একই উপজেলার খোর্দ্দ বাটরার জজমিয়াকে কুপিয়ে ও ১৭ ডিসেম্বর কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোসলেম আলী (৫৫) কেও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

 ৯ জানুয়ারী ২০১৪ তালা উপজেলার ধুলন্ডা বিল থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ, ১৪জানুয়ারী দেবহাটার নাংলায় জামায়াত কর্মী আনারুল ইসলাম(৩০) পুলিশের গুলিতে নিহত হয়, ১৮ জানুয়ারী ভোমরায় শিবির কর্মী ছোটনকে পুলিশ ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। এসময় ২৪ জন স্থানীয় সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার ও অপহরন হয়েছে। এলাকা ছাড়া হয়েছে অনেকেই।

সর্বশেষ ২৮ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে দৈনিক সংগ্রামের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আবু সাঈদ বিশ্বাসকে পুলিশ গ্রেফতার করে। আর গত ৪ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি আলতাফ হোসেনকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে তুলে নিয়ে গেলেও দীর্ঘদিন পর্যন্ত তার কোন সন্ধান মেলেনি।

এই সাংবাদিকের পরিবার-পরিজন রাজধানী থেকে শুরু করে যেখানেই খবর পেয়েছে সেখানেই ছুটে গেছে। তবে এখনও পর্যন্ত তার কোন সন্ধান না পাওয়ায় এলাকার সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে আতংকের মধ্যেই।

এ ছাড়া যৌথ বাহিনীর নগরীতে পরিণত হওয়া সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ জনগন সার্বক্ষনিক এক অজানা আতঙ্কে সময় অতিবাহিত করছে।

এদিকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অর্ধশত বাড়ী-ঘর ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের ব্যাংদহা বাজারে চায়ের দোকান দিয়ে সংসার নির্বাহ করতেন নিমাই ঢালী। ব্যাংদহা ভূমি অফিসের সামনে ছোট্ট চায়ের স্টলে চা বিস্কুট বিক্রি করতেন।

এলাকার আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা এ চায়ের দোকানে বেশি আসতেন। বসতেন। গল্পকরতেন। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে জমে উঠতো আলোচনা। শুধু আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা নন। এলাকার সব শ্রেণির মানুষ এ দোকানে বসে রাজনৈতিক আলোচনায় অংশ নিতেন। নৈরাজ্য নাশকতা এবং তাণ্ডবলীলা ও স্থান পেতো আলোচনায়। নিমাই ঢালী রাজনীতি জানেন না বুঝেন না।

তিনি বুঝেন, কত কাপ চা বিক্রি করলে তার সাত সদস্যের পরিবারে চুলা জ্বলবে। কিন্তু চায়ের দোকানে রাজনৈতিক আলোনাই কাল হয়েছে নিমাই ঢালীর। গত বছর ২৮ ফেব্র“য়ারী থেকে চলতি সালের ৫ জানুয়ারীর মধ্যে দু’দফায় হামলা চালানো হয়েছে নিমাই ঢালীর চায়ের দোকানে।

জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাঁই করে দেয়া হয়েছে নিমাই ঢালীর চায়ের স্টল। এখন তার দোকানে পোড়া মাটির গন্ধ।রাজনীতির কথা শুনলেই এখন ভয়ে আঁতকে ওঠেন নিমাই।

নির্বচন হয়ে গেছে। আইন শৃংখলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হয়ে আসছে। অনেকেই ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। কিন্তু নিমাই ঢালীরা এখনো অজানা আতংকে দিন রাত পার করছেন। শুধু ঢালী একা নন। নিমাই ঢালীর মতো এবাজারে মুদি ব্যবসায়ী উজ্জ্বল কুমার সরদার ও মোবাইলে ফ্লাক্সি লোড দিয়ে সংসার চালাতেন তরুন কুমার ঢালী।

গত এক বছরে তাদের দোকান দু’বার হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। প্রত্যেকবারই জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছাঁই করে দিয়েছে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।সরকারি বেসরকারি সাহায্য তাদের কপালে জোটে নি বললেই চলে।

নিমাই, তরুন ও উজ্জ্বলের মতো সাম্প্রদায়িকতার রোষানলে পুড়ে ছাঁই হয়েছে আগরদাড়ির তাপস আচার্য্য আর গোপাল ঘোষালের বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়েছে কুশখালির খিতিশ বাছাড়ের বাড়ি ও স্বপন বাছাড়ের বাড়ি।

সাতানীর ডা: অমল সমাজদারের বাড়ি আগরদাড়ির কার্তিক সাধু, অমিত ঘোষাল ও সঞ্জিত আচার্য্যর বাড়ি শুধু স্মুতিময়। সাম্প্রদায়িকতার আগুনে পোড়া এসব বাড়িতে এখন শুধু অসীম নীরবতা।এক ঝাক ঝি-ঝি পোকার ডাক ছাড়া আর কিছু শোনা যায় না।দিনে রাতে এক অজানা আতংক বিরাজ করছে এসব বাড়িতে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা জনান,ভোট দেয়া ও রাজনীতি করা যদি অপরাধ হয় তবে আইন কর যেনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের রাজনীতি ও ভোটাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়। তারা আরো জানান, তাদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালিয়েছে। চিহ্নিত একটি রাজনৈতিক দল হুমকিতে আতংকিত এ জনপদের মানুষ।বাড়ির নারী ও শিশুরা রয়েছে চরম আতংকের মধ্যে। চিহ্নিত এই মহলটির ভয়ে এখনো ঘরে ফিরতে পারছেন না অনেকেই।নিজ ভূমে পরবাসীর মতো জীবন কাটাতে হচ্ছে। এসব পরিবারের সদস্যদের।

তারা আরো জানান, বিএনপি-জামায়াত চিহ্নিত ক্যাডারদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেকেই।জেলা সদরের আগরদাড়ি, বৈকারী, শিবপুর, বাঁশদহা, কুশখালি,ঘোনা, আলিপুর ভোমরা বল্লী, ঝাউডাঙ্গা,লাবসাসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ এসব ক্যাডারদের কাছে গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ এক প্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছেন।সীমান্ত ঘেষা এসব এলাকার সংখ্যালঘু পরিবারের অনেকেই সীমান্ত পেরিয়ে ইতোমধ্যে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। এখনো তারা ঘরে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না।

আর ফিরবে নাকি ফিরবে না সে আশংকাও প্রকাশ করেন তারা। সূত্র জানায়, জেলায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার আগুনে দগ্ধ হয়েছে ৪৫টি সংখ্যালঘু পরিবার।এরমধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ২৫টি সংখ্যালঘু পরিবার রয়েছে।

জেলার তালা উপজেলায় ৪টি,কালিগঞ্জে ৪টি সংখ্যালঘু পরিবারের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়েছে।

জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ্বজিত সাধু বলেন,নির্বাচনী সহিংসতায় জামায়াত শিবিরের দেয়া আগুনে পুড়ে ছারখার হয়েছে ৪৫টি সংখ্যালঘু পরিবারের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক জামায়াত শিবিরের নিষ্ঠুর তাণ্ডবলীলা একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। জামায়াত শিবির ক্যাডাররা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালিয়ে হাড়ির ভাত পর্যন্ত উঠানে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।

দোকানের মালামাল বাইরে বের করে তাতে আগুন দিয়ে উল্লাস করেছে জামায়াত শিবির।জেলায় বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৪৫টি সংখ্যালঘু পরিবার।

কম ক্ষতিগ্রস্থদের নাম অসংখ্য। জামায়াত শিবিরের হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সংখ্যা লঘু পরিবার। মুখ বুঝে নীরবে সহ্য করতে হচ্ছে জামায়াত শিবিরের নির্যাতন ও অত্যাচার। প্রতিনিয়ত শুনতে হচ্ছে হুমকি।

এতে আতংকিত-শংকিত জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জেলায় ক্ষতিগ্রস্থ ৪৫টি সংখ্যালঘু পরিবারের মধ্যে ২০টি পরিবারের একলক্ষ টাকা ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে সাহায্য দেয়া হয়েছে।সরকারি-বেসরকারি কোন অনুদান বা সাহায্য দেয়া হয়েছে কী না তা তিনি বলতে পারেন নি।

সাতক্ষীরায় বিভিন্ন সময়ে নিহত পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো প্রতিকুল পরিবেশের মধ্যে পায়নি কোন জায়গা থেকে ন্যুনতম কোন সাহায্য বা সহযোগীতা। তাই সমাজের বিত্তবানর এগিয়ে আসলে অসহায় এ পরিবারগুলো আবারো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হবে।

বাংলাসংবাদ২৪/হাবিব/টিআর/ইসরাফিল

আরও সংবাদ