Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Wed December 19 2018 ,

  • Advertisement

আ’লীগ নেতার শকুন চোখ হিন্দু সম্প্রদায় জমির উপর

Published:2014-02-10 23:19:47    

বাংলাসংবাদ:টাংগাইল জেলা নাগরপুর থানা চৌধুরী ডাঙ্গা গ্রামের বিঞ্চুভূষন বিশ্বাস নামে এক সংখ্যালগু পরিবার এখন পৃত্রি ঘড় ছাড়া। এখন তারা দেশের বিভিন্ন জাগায় টাংগাইল জেলার স্থানীয় এক আ’লীগ নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে সকালে সাধারণ মিলায়তনে টাংগাইল জেলার বিঞ্চুভূষন বিশ্বাস তার পরিবার নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন।
টাংগাইলের ঐই আ’লীগ নেতার নাম আবুল কাশেম মেম্বর ওরফে বোস্টার কাশেম ।সংবাদ মম্মেলে তিনি বলেন,টাংগাইল জেলা নাগরপুর থানা চৌধুরী ডাঙ্গা গ্রামের ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী ও নারীলোভী আ’লীগ নেতা আবুল কাসেম তাকে দীর্ঘ দিন যাবত চাপ প্রয়োগ করছে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে যেতে।তার ভাষ্যে মতে,রাতের আধাঁরে ঘড়ে বাতি জ্বালিয়ে পালিয়ে যাবার জন্য দীর্ঘ দিন যাবত আ’লীগের নেতা আবুল কাশেম তার বাহিনী দিয়ে নির্যাতন করে আসছে।যাতে করে তার পরিবার চলে গেলে জমি  ভোগ দখল কাশেম করেত পারে।
বিঞ্চুভূষণ টাংগাইল জেলা নাগরপুর থানায় একাদিকবার অভিযোগ করেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রতিকার পাননি।বরং আবুল কাশেম ও তার সহযোগী নুর-নবী মিয়া,রাম দাস,হিরু চন্দ মন্ডল বিঞ্চুভূষণ এবং তার পরিবারে উপর আক্রমন করলে পুলিশের সহযোগীতা চেয়েছিলেন।কিন্তু গত রবিবার পুলিশ উল্টো তাকে ধরে নিয়ে ডাকাত বলে এক টানা দুই ঘন্টা পিটিয়ে অজ্ঞান করে।তার পর জ্ঞান ফিরলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।এই বিষয়ে নাগরপুর থানার ওসি কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বিঞ্চুভূষণকে না চেনার ভান করে।বিঞ্চুভূষণ এর কাছে ফোন দিলে ওসি সাথে সংবাদিকদের সামনেই কথা বলে।ওসি তাকে চিনতে পারে।তবে ভূমিদস্যু আবুল কাশেম সর্ম্পকে জিজ্ঞাসা করলে কোন মন্তব্য না করে ফোন কেটে দেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কাছে গেলে তিনিও ভূমিদস্য আবুল কাশেমের পক্ষে কথা বলেছেন বলে এই সংখ্যালঘু অভিযোগ করেন।কারণ ইউপি চেয়ারম্যান নারীলোভী কাশেমের চাচাতো ভাই।
স্থানীয় আ’লীগের সংসদ সদস্য খন্দকার আবুল বাতেন কাছে অভিযোগ দিয়েও কোন লাভ হয়নি বলে উপস্থিত সংবাদিকদের তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বিঞ্চুভূষণ ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন মা তরুলতা বিশ্বাস,বোন লক্ষি বিশ্বাস,স্ত্রী রানী বিশ্বাস,মেয়ে প্রীতিলতা বিশ্বাস প্রমূখ।
বাংলাসংবাদ/তাওহীদ
 


বাংলাসংবাদ:টাংগাইল জেলা নাগরপুর থানা চৌধুরী ডাঙ্গা গ্রামের বিঞ্চুভূষন বিশ্বাস নামে এক সংখ্যালগু পরিবার এখন পৃত্রি ঘড় ছাড়া। এখন তারা দেশের বিভিন্ন জাগায় টাংগাইল জেলার স্থানীয় এক আ’লীগ নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে সকালে সাধারণ মিলায়তনে টাংগাইল জেলার বিঞ্চুভূষন বিশ্বাস তার পরিবার নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন।
টাংগাইলের ঐই আ’লীগ নেতার নাম আবুল কাশেম মেম্বর ওরফে বোস্টার কাশেম ।সংবাদ মম্মেলে তিনি বলেন,টাংগাইল জেলা নাগরপুর থানা চৌধুরী ডাঙ্গা গ্রামের ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী ও নারীলোভী আ’লীগ নেতা আবুল কাসেম তাকে দীর্ঘ দিন যাবত চাপ প্রয়োগ করছে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে যেতে।তার ভাষ্যে মতে,রাতের আধাঁরে ঘড়ে বাতি জ্বালিয়ে পালিয়ে যাবার জন্য দীর্ঘ দিন যাবত আ’লীগের নেতা আবুল কাশেম তার বাহিনী দিয়ে নির্যাতন করে আসছে।যাতে করে তার পরিবার চলে গেলে জমি  ভোগ দখল কাশেম করেত পারে।
বিঞ্চুভূষণ টাংগাইল জেলা নাগরপুর থানায় একাদিকবার অভিযোগ করেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রতিকার পাননি।বরং আবুল কাশেম ও তার সহযোগী নুর-নবী মিয়া,রাম দাস,হিরু চন্দ মন্ডল বিঞ্চুভূষণ এবং তার পরিবারে উপর আক্রমন করলে পুলিশের সহযোগীতা চেয়েছিলেন।কিন্তু গত রবিবার পুলিশ উল্টো তাকে ধরে নিয়ে ডাকাত বলে এক টানা দুই ঘন্টা পিটিয়ে অজ্ঞান করে।তার পর জ্ঞান ফিরলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।এই বিষয়ে নাগরপুর থানার ওসি কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বিঞ্চুভূষণকে না চেনার ভান করে।বিঞ্চুভূষণ এর কাছে ফোন দিলে ওসি সাথে সংবাদিকদের সামনেই কথা বলে।ওসি তাকে চিনতে পারে।তবে ভূমিদস্যু আবুল কাশেম সর্ম্পকে জিজ্ঞাসা করলে কোন মন্তব্য না করে ফোন কেটে দেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কাছে গেলে তিনিও ভূমিদস্য আবুল কাশেমের পক্ষে কথা বলেছেন বলে এই সংখ্যালঘু অভিযোগ করেন।কারণ ইউপি চেয়ারম্যান নারীলোভী কাশেমের চাচাতো ভাই।
স্থানীয় আ’লীগের সংসদ সদস্য খন্দকার আবুল বাতেন কাছে অভিযোগ দিয়েও কোন লাভ হয়নি বলে উপস্থিত সংবাদিকদের তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বিঞ্চুভূষণ ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন মা তরুলতা বিশ্বাস,বোন লক্ষি বিশ্বাস,স্ত্রী রানী বিশ্বাস,মেয়ে প্রীতিলতা বিশ্বাস প্রমূখ।
বাংলাসংবাদ/তাওহীদ
 
 

আরও সংবাদ