Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Tue September 25 2018 ,

সুনামগঞ্জ সদরে বিদ্রোহীদের ঠেকাতে পারলো না আওয়ামীলীগ

Published:2014-02-14 17:19:33    

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সদর উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের ঠেকাতে পারলো না আওয়ামী লীগ। আওয়ামীলীগ দলীয়ভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেও দল এবং অঙ্গ সংগঠনের অন্য দুই শক্তিশালী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

আওয়ামীলীগ পরিচয়ের ৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকায় দলীয় ভোটারদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দেবে বলে মনে করছেন আওয়ামীলীগের কর্মী সমর্থকরা।

অন্যদিকে, বিএনপির দলীয় একক প্রার্থী বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীনকে মনোনীত করার পর অন্য দুই প্রার্থী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসম খালিদ এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর আলী প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে গণমাধ্যম কর্মীদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ‘আমরা দলের নির্দেশে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছি, দল মনোনীত একক প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করবো।’

গেল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এই উপজেলার এক লাখ ৪১ হাজার এক জন ভোটারের মধ্যে এক লাখ তিন হাজার ৫৩ জন ভোট প্রদান করেন। এর মধ্যে বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ৩৭ হাজার ২৪২ ভোট পান।

আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামছুন নাহার বেগম পান ১২ হাজার ৪২২ এবং আওয়ামী লীগ নেতা দেওয়ান ইমদাদ রেজা চৌধুরী পান ১১ হাজার ১১১ ভোট।

দলের দুই প্রার্থী থাকায় গেল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিব্রত ছিলেন আওয়ামী লীগের ভোটার সমর্থকরা। এবারও একই অবস্থা।

এবার দলীয় একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাবেক সাংসদ মরহুম আব্দুজ জহুরের ছেলে জুনেদ আহমদকে। কিন্তু প্রার্থীতা প্রত্যাহারের দিনে জেলা আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা সদর উপজেলা পরিষদের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান সুফিয়ান ও জেলা যুব লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি পৌর কাউন্সিলর অ্যাড. মনিষ কান্তি দে মিন্টু প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন নি। বুধবার প্রতীক পেয়ে জোরেশোরে প্রচারণায় নেমেছেন এই দুই সাবেক ছাত্রনেতা।

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী জুনেদ আহমদ বলেছেন, ‘আমি দলের মনোনীত একক প্রার্থী, আমি ভোটারদের কাছে যাচ্ছি। দলীয় নেতাকর্মীরাও আমার সঙ্গে থাকছেন আমি ২৭ তারিখের নির্বাচনে অপেক্ষা করছি। আমি আশা করছি ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।’

ওয়াহিদুর রহমান সুফিয়ান অবশ্য বলেছেন, ‘আমি দলের নয়, আমি নাগরিক কমিটির প্রার্থী। দলমত নির্বিশেষে সম্মানিত নাগরিকরা আমার প্রচারণা চালাচ্ছেন।’
মনিষ কান্তি দে মিন্টু বলেন, ‘আমি ভোটারদের চাপেই প্রার্থী হয়েছি। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি তারা আমাকে সাহস দিয়েছেন, নির্বাচনে থাকার জন্য তাঁদের চাপও রয়েছে।’


বাংলাসংবাদ২৪/আশিক/এমএস

আরও সংবাদ