Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Wed September 26 2018 ,

টেকসই উন্নয়নে চাই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

Published:2014-08-13 14:07:06    

বাংলাসংবাদ২৪: টেকসই উন্নয়নের জন্য অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন। জীবন ও পরিবেশ সুরক্ষায় বনায়নের কোনো বিকল্প নেই। বৃক্ষ পৃথিবীর আদি প্রাণ। গাছ জীবন ও জীবিকার কথা বলে। বৃক্ষ হলো আমাদের জীবন ও সম্পদ। বৃক্ষরাজি জীবনের প্রতীক। বৃক্ষ ছাড়া জীবন ও পরিবেশের অস্তিত্ব অকল্পনীয়। পরিবেশ উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

আমাদের জীবন অচল হয়ে পড়ত যদি গাছ না থাকত পৃথিবীর বুকে। বৃক্ষহীন এ পৃথিবী হতো ঊষর, ধূসর, নিঃপ্রাণ। পৃথিবীর বিশাল মরময় প্রান্তরকে আর্দ্রতা ও সজীবতা দিয়ে প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছে অরণ্য ও গাছপালা। বৃক্ষই এই পৃথিবীকে সবুজে-শ্যামলে, ফুলে-ফলে অপরূপা বসুন্ধরায় পরিণত করেছে। যেখানে গাছপালা থাকে না সেখানে মরভূমি হয়, আর মরভূমিতে জীবন থাকে না।  

পরিবেশ বলতে নিছক কিছু গাছপালা বা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের কথা বোঝায় না, বোঝায় না ধ্বংসপ্রায় উদ্ভিদজগৎ বা বাস্তুতন্ত্র সম্পর্কে আমাদের উদ্বেগের কথা, এর অর্থ সেই সত্ত্বা যার ওপর নির্ভর করে আমাদের সমগ্র কৃষিব্যবস্থা ও যন্ত্রশিল্প গড়ে উঠেছে। ‘পরিবেশ বিবেচনাকে’ বাদ দিয়ে উন্নয়ন আদৌ সম্ভব নয়, তবে যদি হয় সেটা হবে ভারসাম্যহীন এবং অপরিপক্ক উন্নয়ন। আশির দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ, উন্নয়ন ব্যবস্থাপক ও প্রকল্প ব্যবস্থাপকদের মুখে ‘টেকসই উন্নয়ন’ কথাটি খুব বেশি শোনা যায়।

প্রকল্প ব্যবস্থাপকদের মতে, যদি কোন প্রকল্প বাস্তবায়নকাল শেষেও কোন রকম বহিঃপৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই টিকে থাকতে পারে, তবে তাকে বলা হয় টেকসই প্রকল্প এবং এ জাতীয় উন্নয়নের গতিধারাকে বলা হয় টেকসই উন্নয়ন। সম্প্রতি বেশ কিছু গবেষণায় বাংলাদেশের সামাজিক বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে, বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়কে বিবেচনায় নিতে হবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য ও সুশাসন, প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট আপদ থেকে উদ্ভূত দুর্যোগ, মানুষের জীবন ও জীবিকার উপায়। বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোক তাদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড কৃষি সম্পর্কিত ক্ষেত্রে সম্পাদন করে। এর ফলে পরিবেশের ওপর মারাত্মক চাপ পড়ে এবং ভূমির উর্বরতা হ্রাস, পানি ও বাতাস দূষণ, প্রাকৃতিক বনভূমির ক্ষতি ইত্যাদি দেখা দিচ্ছে। এছাড়া উচ্চ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও ব্যাপক দারিদ্র্য ও পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে থাকে।

মানব সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে পরিবেশ দূষণ শুরু হয়। মানুষ শিখল আগুন জ্বালাতে, বন কেটে করল বসতবাড়ি। সেই সাথে সভ্যতার বিচিত্র বিকাশের প্রতিক্রিয়ায় পরিবেশ হতে থাকল দূষিত। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে শুরু হলো নতুন যুগের, নতুন সভ্যতার, শুরু হলো নগরজীবনের, গড়ে উঠল অসংখ্য শিল্পকারখানা। যানবাহনের প্রাচুর্য দেখা দিল পথে পথে, সবুজ বিপ্লব ঘটাতে এলো কীটনাশক। আণবিক ও পারমাণবিক বোমার তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ল আকাশে বাতাসে।

ফলে পরিবেশ দূষণ দেখা গেল ব্যাপকভাবে। বর্তমানে শহর, নগর ও বন্দরে বস্তিবাসী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী পঁচিশ বছরে নগর ও শহরবাসী জনসংখ্যার হার গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় ৬০ শতাংশে। ক্রমাগতভাবে জনসংখ্যা বাড়ার ফলে এ বাড়তি জনসংখ্যাকে জায়গা দিতে গিয়ে শহরে দেখা যাচ্ছে নানা ধরনের পরিবেশগত সমস্যা। হারিয়ে যাচ্ছে সবুজের সমারোহ। অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে দূষণ ও তাপমাত্রা। শহর ও নগরে বাসযোগ্য পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে সবুজ বৃক্ষকে জায়গা করে দিতে হবে প্রতিটি পরিকল্পনায়। সবুজ নগরী তথা পরিবেশবান্ধব শহর ও বিশ্ব গড়ে তুলতে পারলেই আগামী প্রজন্মের জন্য উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যাবে।

বৃক্ষ মানুষের মৌলিক চাহিদাসমূহ যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহ করে থাকে। এছাড়া আসবাবপত্র, জ্বালানি কাঠ, রঙ, আঠা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিভিন্ন গাছ থেকে পেয়ে থাকি। বৃক্ষ পরিবেশ নির্মল রাখে, মানুষ ও জীবজন্তুকে ছায়া দেয়, আশ্রয় দেয়, জীবন ধারণের বিভিন্ন উপকরণ দেয়। গাছ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে আবহাওয়াকে রাখে বিশুদ্ধ। গাছপালা বৃষ্টি ঘটায়, ভূমির ক্ষয়রোধ করে মাটিকে আর্দ্র রাখে।

বিজ্ঞানীদের মতে, এক হেক্টর সবুজ গাছ ৬০০ কেজি অক্সিজেন প্রদান ও ৯০০ কেজি কার্বনডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে। আরেক গবেষণায় দেখা যায়, ২৫-৫০ মিটারের একটি বনভূমি ৩-৫ সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা কমাতে পারে। গাছ সারা জীবনে কমপক্ষে আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ভূমিক্ষয় রোধ করে। গাছের পাতা পচে মাটিতে মিশে মাটির জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এক গবেষণা তথ্যে জানা যায় যে, বিভিন্ন জ্বালানি উপকরণ তেল-গ্যাস ইত্যাদির আদি আধার গাছ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমিকম্প ইত্যাদির কারণে ভূপৃষ্ঠে যে ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটে সে পরিবর্তনের ফলে গাছ ভূতলে চাপা পড়ে যায়। অবশেষে ভূগর্ভে মিশে যাওয়া গাছ থেকে গ্যাস-তেল ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।

আবহাওয়া ও জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বৃক্ষের প্রয়োজন। সবুজ গাছগাছালি বাতাসের জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং আবহাওয়াকে শীতল রাখে। এর ফলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। বৃক্ষ জমির উর্বরাশক্তি বৃদ্ধি করে। অধিক উৎপাদনে সহায়তা করে। পাহাড়ী অঞ্চলের গাছপালা নদ-নদীর আদি প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে ভূমিকে ক্ষয়-ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। গাছপালা মূল ভূভাগ ও নতুন সৃষ্ট চরাঞ্চলকে নদীর ভাঙ্গন, বৃষ্টিপাত ও জলস্ফীতির হাত থেকে রক্ষা করে।

এতে মাটির স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণে বনভূমির অনবদ্য অবদান রয়েছে। উপযুক্ত বনাঞ্চল সৃষ্টি ও সংরক্ষণের মাধ্যমেই কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব। ভূমিক্ষয়, বন্যা, প্লাবন, ঘূর্ণিঝড়, সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস, খরা এবং আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বনাঞ্চল এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।



গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া সারাবিশ্বে কমবেশি প্রভাব ফেলেছে। ফলে আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে। ফ্রান্সের বেশি তাপমাত্রা, ভারতের এসিড বৃষ্টি, যুক্তরাষ্ট্রর তীব্র খরা ইত্যাদি এর উদাহরণ। সামনের দিনগুলোতে উত্তর-পূর্ব চীন শুষ্ক হয়ে যাবে। ক্রমাগত উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ঝড় ও ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে। আমাদের দেশেও গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে। দেখা দিয়েছে অনাবৃষ্টি। গোটা দেশ আজ মরভূমিতে পরিণত হওয়ার উপক্রম। এই সর্বনাশ থেকে দেশকে উদ্ধার করতে হলে চাই দ্রুত বনায়ন।

গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া রোধে গাছপালা গুররুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার কারণে সূর্যের তাপ পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে সহজে ঢুকে পড়ে কিন্তু সে তাপ বিকিরিত হয়ে আর ফিরে যেতে পারে না। সবুজ গাছপালা সূর্যের তাপ শোষণ করে। ফলে গাছ যত বেশি হয় তাপের প্রচুরতা তত কমে যাবে। এজন্য অধিকহারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে।

টেকসই উন্নয়নের জন্য সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমকে ঢেলে সাজাতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষায় বনায়নের গুরুত্ব অপরিসীম। এর ফলে এলাকার পরিবেশ উন্নত হবে। আবার এসব গাছ খাদ্য, ফল, ফুল, কাঠ ইত্যাদি উৎপাদন করে এলাকার জনগণের আয় ও জীবনযাত্রার মানের উন্নতিতে সাহায্য করবে। পরিবেশ রক্ষা পাবে মরুকরণের হাত থেকে। দূর হবে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অপুষ্টির মতো বহু জটিল সমস্যা। গাছপালা না থাকলে পরিবেশ হয়ে উঠত উষ্ণ।

পৃথিবী হয়ে উঠত মরুভূমি। মানুষের অস্তিত্ব হতো বিপন্ন। জীবন ও পরিবেশকে বাঁচানোর জন্য আমাদের উচিত প্রচুর গাছ লাগানো। প্রত্যেক বাড়ির আঙ্গিনা ছাদ থেকে শুরু করে অনাবাদি, শূন্য ও পরিত্যক্ত জমিতে প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগাই। এক টুকরো জমিও যেন পড়ে না থাকে বৃক্ষহীন। দেশের প্রতি ইঞ্চি জায়গাকে উৎপাদনের আওতায় আনা উচিত। দূষণমুক্ত ও ছায়াঢাকা সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে প্রচুর পরিমাণে গাছগাছালি রোপণ করতে হবে।

নিসর্গের শোভা সবাইকে আনন্দ দেয়। গাছপালা একদিকে নিসর্গের শোভা বৃদ্ধি, অন্যদিকে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায়ও পালন করে অসাধারণ ভূমিকা। নিসর্গ রক্ষায় কোনও না কোনও ভাবে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই পরিবেশ বিপর্যয় রোধ করা যাবে না। চাই জীবজগৎ, উদ্ভিদ, প্রাণিকুল, বাতসসহ সংশ্লিষ্ট বাস্তুসংস্থান এর সুস্থ প্রবাহ। দূষণ কমানো, শিল্প কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পাহাড় রক্ষা, নদীর নাব্যতা রক্ষা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, বৃক্ষনিধন বন্ধ করাসহ সার্বিক, সমন্বিত এবং পরিকল্পিত পদক্ষেপই পারে আমদের পরিবেশকে রক্ষা করতে। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের দেশে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা না হলে বাংলাদেশ মরুভূমিতে পরিণত হতে পারে।

বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণকে আরও জোরদার এবং গণমুখী করার ক্ষেত্রে দেশের ছাত্র-শিক্ষক, প্রতিরক্ষা বাহিনী, আনসার, ভিডিপি, পুলিশ, স্কাউটসহ সর্বস্তরের জনগণকে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে হবে। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সার্থক ও সফল করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিলে প্রক্রিয়াটি আরও সহজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। গাছ লাগানোর জন্য জনমনে চেতনার সঞ্চার করতে হবে।

সরকারি বনবিভাগ কর্তৃক চারা উৎপাদন করে বিনামূল্যে জনসাধারণের মাঝে সরবরাহ করতে হবে। প্রচার মাধ্যম যেমন রেডিও টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে এ সম্পর্কে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে। বিজ্ঞাপন ছাড়াও এ বিষয়ে জীবন্তিকা ও নাটক প্রচার করা দরকার। এতে করে গণসচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া এ সংক্রান্ত আকর্ষণীয় পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার, র‌্যালি ও মাইকিং প্রয়োজন। জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার কাজে সভা-সমিতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে।


কবির ভাষায়, ‘দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর’। বর্তমানে তথাকথিত সভ্যসমাজ হিংসা, স্বার্থপরতা ও দুর্নীতিতে আকীর্ণ। কিন্তু প্রাচীন সভ্যতা বা অরণ্য ছিল অপার শান্তির আবাসস্থল। বর্তমানে বিষ বাষ্পপূর্ণ নগর সভ্যতার পরিবর্তে গড়ে তুলতে হবে প্রাচীন অরণ্য বা গ্রামীণ সভ্যতা। স্নিগ্ধ ও পবিত্র জীবন পেতে হলে আমাদেরকে উদ্যানপালন সমাজ  বিনির্মাণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথার্থই বলেছেন, ‘শুধু টাকা পয়সা কামানোর দিকে তাকালে তো হবে না। পরিবেশের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।’ পরিবেশকে ধ্বংস করে উন্নয়ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা বাতুলতা মাত্র।

পৃথিবীকে বাঁচাতে হলে প্রতিটি পরিকল্পনায় পরিবেশকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষায় আপামর জনসাধারণকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে  হবে। পরিবেশের প্রতি হতে হবে নিবেদিতপ্রাণ। পরিবেশ সচেতন না হলে ভবিষ্যতে মানব সভ্যতা মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। পরিবেশ হোক আমাদের ভাবনার অন্যতম বিষয়। আমাদের মন দখল করুক কেবল দূষণমুক্ত নির্মল পরিবেশ। সে স্বপ্ন পূরণে সবাইকে বন সৃজন, উন্নয়ন ও সংরক্ষণে কাজ করে যেতে হবে।


সতীর্থ রহমান
 

আরও সংবাদ