Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Wed September 26 2018 ,

পাহাড় কাটা ইঁদুর থেকে সাবধান

Published:2014-08-30 11:35:36    

মানুষের কর্মকান্ডের উপর ভিত্তিকরে মূল নামের পাশাপাশি অনেকেরই উপনাম থাকে। তা কখনো ইতিবাচক কাজের জন্য হয়, আবার কখনো নেতিবাচক কাজের জন্য হয়। তবে নেতিবাচক কাজের জন্য পাওয়া নামগুলোই জনপ্রিয় হয়। ‘পাহাড় কাটা ইঁদুর’ সে রকমই একটি নাম। পাহাড় বলতে অপেক্ষাকৃত ছোট পর্বতকে বোঝায়। প্রচলিত আছে যে, পাহাড়ের মাটি স্বাভাবিক মাটির তুলনায় জমাটবাঁধা, শক্ত প্রকৃতির। যে কারণে সব প্রজাতির ইঁদুরেরা পাহাড়ী মাটি খুঁড়তে পারেনা।

তবে একশ্রেণীর পাহাড়ী ইঁদুর আছে যারা পাহাড় কাটে, মানুষদেরকে ভয় পায় না। তেমনিভাবে এক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা ক্ষমতার দাপটে পাহাড় কেটে মাটির ব্যবসা করছে। এরা হলো মানুষ নামের পাহাড় খেকো ইঁদুর বা পাহাড় কাটা ইঁদুর যেটাই বলা হোক এতে ভ্রুক্ষেপ নেই। তারা প্রশাসনকে ভয় করেনা। ভয় করার কিছু নেই এ জন্য যে মাসোয়ারা দিয়েই বীরদর্পে পাহাড় কেটেই ব্যবসা পরিচালনা করে।

যে দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন এ নিয়ে ততটা মাথা ব্যথা নেই। সব সরকারের আমলেই তারা সরকারী দলের প্রভাবশালী নেতা কর্মী। এদের মধ্য থেকেই তৈরী হয় নুরহোসেন ও এরশাদ শিকদার। এরা অনুপস্থিত থকলেও  রেখে যায় তাদের উত্তরসূরী। এদরকে রক্ষা করার জন্য থাকে এক শ্রেণীর সরকারী ভাতা প্রাপ্ত গডফাদার। এরা দেশ ও জাতির জন্য বড়ই ভয়ঙ্কর। তাদের কাছে জাতীয় সঙ্গীত বিনোদনের অংশমাত্র। সঠিকভাবে দেশপ্রেম থাকলে দেশের মানুষের ক্ষতি করে নিজেরা অবৈধভাবে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলতে পারেনা।

পাহাড় ও টিলা মহান আল্লাহ পরিকল্পিত ভাবে সৃষ্টি করেছেন। যা মাটি ও পাথর অথবা পাথর অথবা মাটি ও কাঁকড় অথবা অন্য কোন কঠিন পদার্থ সমন্বয়ে গঠিত। বাংলাদেশে যে পাহাড়গুলো ধ্বসে পড়ে সেগুলো পাথরের নয় বরং মাটির পাহাড়। এক দিকে সাগর আর অন্য দিকে পাহাড় দিয়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা অপরূপের দেশ বাংলাদেশ।

সাম্প্রতিক সময়ে অধিক হারে পাহাড় ধসে অনেক লোক নিহত হয়েছে। প্রবল বর্ষণে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মাগুরছড়া পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ধসে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে যার চিত্র ফুটে ওঠেছে। চট্টগ্রামে অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে  বসতি নির্মাণ করায় প্রতিবছর পাহাড় ধসে মানুষের মৃত্যু হয়। পাহাড় কাটার ফলে সেখানকার জলবায়ু, মাটি, পানি ও প্রাণী বৈচিত্র্যের উপর ভয়াবহ প্রভাব পড়ে। সেখানকার বাসিন্দারা ভূমিকম্পের কারণে মারাত্বক ক্ষতি হওয়ার ঝুকিতে থাকে।

২০০৭ সালের ১১ জুন চট্টগ্রামের কুসুমবাগ ,কাইচ্যাঘোনা, সেনানিবাসের লেডিস ক্লাব সংলগ্ন লেবু বাগান, বায়েজিদ বোস্তামি ও মতিঝর্ণাসহ সাতটি স্থানে প্রবল বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে ১৩২ জন, ২০০৮ সালের লালখান বাজারের মতিঝর্ণা এলাকায় ট্যান্কির পাহাড় ধসে একই পরিবারের পাঁচ জনসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়। ২০১২ সালে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ও খুটাখালি ইউনিয়নে ৫ জনের প্রাণহানি, ২৭ জুন বান্দরবানের লামার ফাতরং ইউনিয়নে নারী ও শিশুসহ ২৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০১৩ সালে দেয়াল ধসে ১৮ জন মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। ২০১০ সাল থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত পাহাড় ধসে মৃত্যুও সংখ্যা ৪৫০ জনের অধিক।(দৈ.বর্তমান,১২.০৮.১৪)। প্রতিবছর ১১ জুন পাহাড় রক্ষা দিবস পালনের দাবি জানিয়ে আসছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। এত করে কিছুটা হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।  

ভূতাত্ত্বিক গবেষণার মতে, বাংলাদেশের পাহাড়ের ভূপ্রকৃতি ও বালি ও কাদা মাটির মিশ্রনে গঠিত। পাহাড়ের উপরিভগে মোটা দানার বালির বিশাল স্তর, তার নি¤œভাগে রয়েছে কাদামাটির স্তর। পাহাড়ী অঞ্চলের অনেক স্থানে অনেক ফাটল থাকায় ঘন বর্ষায় তাতে পানি ঢুকে সহজেই তা ধসে পড়ে। পাহাড়ে ঘরবাড়ি তোলা নিরাপদ নয়। স্থান ও পাহাড় অনুযায়ী পাহাড়ের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন্ ভিন্ন। পাহাড় কেটে ঘর-বাড়ি নির্মানের মতো পাহাড় বাংলাদেশে নেই বললেই চলে। তাই বিশেষজ্ঞদের সিদ্ধান্ত ছাড়া পাহাড় কাটা সম্পূর্ণরূপে অনুচিত।

পাহাড় খেকো মানুষেরা পাহাড়ের মাটি, বালু ও গাছ কেটে বাণিজ্য করায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট, অবৈধ দখলদারিত্ব, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বিলীন করে তৈরী করা হচ্ছে বাগানবাড়ি তৈরী করা হয়। অনেক সময় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলো নামে-বেনামে মাটি ও বালু বিক্রী করছে। যার কারণে বসবাসকারীরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। ক্রাইম বার্তার রিপোর্ট অনুযায়ী, কক্সবাজারের চকোরিয়া উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের অর্ন্তগত মছন্যাকাটা, বানিয়াছড়া, মাহমুদনগর, পাহাড়তলী, ভিলেজপাড়া, মুসলিম পাড়া, শান্তিনগর, ফইজ্যার ডেবা, লম্বা ঘোনা, ইসলাম নগর, বেতুয়া বাজার, মেধাকচ্ছপিয়া, নয়াপাড়া, বার আউলিয়া নগর, শাহ ওমর নগর, নয়াপাড়া, ছগিরশাহ, ছায়রা খালী পাহাড়ী এলাকার কমপক্ষে ১০ হাজার পরিবারে প্রায় ৫০ হাজার অধিবাসি বাস করছে। কোন কোন রিপোর্টে ঝুকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সংখ্যা দুই লাখের বেশী।

বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসের ঝুকিতে রয়েছে প্রায় ৪০০০ পরিবার। মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে পাহাড়ের ঢালূতে বসবাসকারী পরিবারগুলো প্রায়ই দরিদ্র  শ্রেণীর। অধিকাংশ পরিবার অনুপায় হয়েই সেখানে আশ্রয় নিয়েছে। কোন কোন পরিবার মাতামুুহুরী নদীর ভাঙ্গনের শিকার হয়ে ভিটেবাড়ী হারিয়ে ঝুকিপূর্ণ পাহাড়কেই নিরাপদ বসবাসের জায়গা করে নিয়েছেন।

সুতারং এসব অধিবাসিদের ঢালাওভাবে উচ্ছেদ না করে তাদের পূর্ণবাসন করা খুবই দরকার। তা না হলে যে কোন মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরণের কোন দূর্ঘটনা। কখনো কখনো দেখা যায় স্থানীয় প্রভাবশালী মহল আইনের উর্ধ্বে উঠে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে পাহাড়ের ঢালুতে নিম্ন মানের আবাসন তৈরী করে তা ভাড়া দিয়ে প্রচুর টাকা আয় করে নেয়। যার কারণে অবৈধ বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়ে উঠেনা। প্রশাসন চেষ্টা করেও নানা কারণে ব্যর্থ হচ্ছে। যে কোন অনিয়মই হোক না কেন তা আইন করে সম্পূর্ণভাবে সফল হওয়া যায়না। এজন্য জনসচেতনতা প্রয়োজন।

বান্দরবানের পাহাড়গুলো পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। যা সহজেই ভঙ্গুর প্রকৃতীর। এছাড়া বৃক্ষ নিধন, পাহাড় খুঁড়ে পাথর উত্তোলন, অপরিকল্পিত জুম চাষ, পাহাড়কেটে ইটভাটা স্থাপনের ফলে পাহাড় ধস হয়েথোকে। চট্টগ্রাম-সিলেট অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা সাধারণত ৬০ থেকে ১৫০ মিটার। এ পাহাড় কাটতে গিয়েও প্রাণ হারাচ্ছে অনেক শ্রমিক। ২০১০ সালের পূর্বে পাহাড় কাটার অপরাধে তেমন কোন আইন ছিলনা। শুধু পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের আদেশে অভিযুক্তদের বিচারের ব্যবস্থা হতো।

২০১০ সালে পরিবেশ আইনে পাহাড় কাটার অপরাধটি যুক্ত করা হয়। এ পরিবেশ আইনের প্রধান সমস্যা হচ্ছে যেখানে পাহাড় কাটা হচ্ছে সেখানে যেতে হবে, কারা কারা পাহাড় কাটছেন তা দেখতে হবে, এবং সাক্ষীসামান্ত নিয়ে মামলা এযাহার কাটতে হবে। এবং এ মামলাটি পরিবেশ অধিদপ্তরে এসে করার কথা উল্লেখ রয়েছে। (বর্তমান কণ্ঠ : ২৬.০৬.’১৪)।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পাহাড়কাটা যে ধরণের অপরাধ সে তুলনায় শাস্তি বা জরিমানা বিধান নিতান্তই নগন্য। তদুপরি সে আইনেরও প্রয়োগ নেই। নাগরিক সুবিধা দেয়ার নামে পাহাড় কাটা হচ্ছে। পাহাড়ী এলাকা ও তার আশে পাশের উপজেলার বাস্তবায়নাধীন উন্নয়নমূলক একাধিক প্রকল্পেও বালির পরিবর্তে পাহাড়ের মাটি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। উপকূল বার্তা ডট কম-এর এক রিপোর্টে বলা হয়েছে গত ডিসেম্বরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কমপক্ষে ৩৫ টি স্থানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে প্রায় ৩০০ শ্রমিক পাহাড় কাটার কাজে জড়িত থাকার কথা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যারা পাহাড়ের মাটি কেটে বিক্রি করছে তারা স্থানীয় প্রভাবশালী বা সরকারদলীয় রাজনৈতিক পরিবার।

গত বছরের আগস্টে জামায়াতের ডাকা হরতালে সাধারণ শ্রমিকদের কাজ ব্যহত হলেও কক্সবাজারের পাহাড়কাটা অসাধারণ শ্রমিকদের কাজ বন্ধ হয়নি।(প্রথম আলো,১৫.০৮.’১৩)। তবে পাহাড়কাটার বিষয়টি ভ্রাম্যমান আদালতের আওতায় নিয়ে আসলে দেশের সম্পদ রক্ষা যেতে পারে। বন বিভাগ ও প্রশাসনকে ব্যবহারকরেই চলে এসব অনিয়ম। পাহাড় কাটার সময়ে প্রশাসনের লোকজন কাউকে হাতে-নাতে ধরতে না পারে সেজন্য দু’য়ের অধিক শিফট করে বিকেল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা এবং রাত ৩টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত পাহাড় কাটা হয়ে থাকে। সুপরিকল্পিতভাবেই এ সময় নির্ধারণ করছে অসাধু ব্যক্তিরা। এ সময়ে সরকারের কর্তাব্যক্তিরা কর্মস্থলে থাকেনা সে সুযোগটাই তারা কাজে লাগাচ্ছে।“রাতের আঁধারে কাটা হচ্ছে কুমিল্লার লালমাই ও ময়নামতি পাহাড়।” (নয়াদিগন্ত:০৯.০৮.’১৪)।

সংবাদ মাধ্যমগুলো পাহাড়কাটা বিষয়ে যথারীতি রিপোর্ট করে আসলেও সরকারের পক্ষ থেকে নেই তেমন প্রতিকার। যখনই কোন ঘটনা ঘটে তখনই কেবল গণমাধ্যম কর্মী ও জনগণজণের চাপ এড়ানোর জন্য তড়িঘড়ি নানা ব্যবস্থাপনার অবতারণা করা হয়। প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে মাঠ পর্যন্ত সকলেই ঘুম থেকে জেগে ওঠা মানুষের মতো নড়ে-চড়ে বসে। মুমূর্ষু রোগীরা যেমন শেষ মুহুর্তে সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষের আচরণ করে তেমনি বড় ধরণের কোন দূর্ঘটনা ঘটলেই কর্তা ব্যক্তিরা শিশুসুলভ আচরণ করে যা অন্য কোন সময়ে দেখা যায়না। তাদের ব্যবহার দেখে মনে হয় এর চেয়ে সুন্দর ব্যবহার আর হতে পারেনা। সাড়া বছর রাস্তাঘাট খারাপ থাকলেও সরকার কর্ণপাত করেনা।

কিন্তু দু’ঈদের আগে পাহাড়ী এলাকা থেকে শুরু করে সাগর পর্যন্ত রাস্তাঘাটে কালো রঙের ছোয়া লাগে, এ যেন প্রশ্নবিদ্ধ জনবান্ধব সরকার। পাহাড় ধসে মানুষ মারা গেলে সরকার একধাপ এগিয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ও সস্তায় পাওয়া নিরবতা পালনের আয়োজন করে। দূর্ঘটনার জন্য কারা দায়ী সরকারের কর্তাব্যক্তিদের এমন প্রশ্ন করা হলে তারা কোন ধরণের চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই বলে দেয়, ‘আমাদের লোকবল কম থাকায় তদারকি করা যায়নি’। রেলে দূর্ঘটনা বা মাওয়ায় লঞ্চ ডুবির দূর্ঘটনা সবখানেই যেন কর্তৃপক্ষের লোকবল কম বলে অযুহাত দিতে দেখা যায়। তাই যদি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে লোকবল কেন নিয়োগ করা হয়না এই প্রশ্ন সবার।

কোন অঘটন ঘটলেই মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে ফেরানোর জন্য ‘তদন্ত কমিটি’ নামে একটি করা প্রচলিত রেওয়াজের মতো। অনেক ক্ষেত্রে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট তদন্ত অবস্থায় থাকে। জানতে চাওয়া হলে তদন্ত রিপোর্টের ফাইল খুজে পাওয়া যায় না। তার জন্যও দরকার হয় পূণ: তদন্ত কমিটি। এভাবেই আড়ালে থেকে যায় না জানা অনেক সত্য ঘটনা।  গত কয়েক মাস ধরে বৃষ্টি বেড়ে যাওয়ায় পাহাড়ী অঞ্চলের বাসিন্দারা তাদের ঝুকির কথা গণমাধ্যমকে জানালেও সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হচ্ছেনা তেমন ব্যবস্থা। কোন অঘটন ঘটে যাওয়ার পরে কর্তা ব্যক্তিরা সেখানে হাযির হয়ে বলে থাকে সরকার আগে থেকে জানতে পারলে ব্যবস্থা নিতো।

আর মাঠ পর্যায় থেকে বলা হয় সরকার উর্ধ্বতন ব্যক্তিদেরকে এ বিষয়ে আমরা জানিয়েছি। এভাবেই শেষ হয় সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নি¤œ পর্যায়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তি, রাজনৈতিক-আমলাদের সাজানো নাটক। পরিশেষে বলতে চাই, পাহাড় ধস ও প্রাণহানি রোধে সংশ্ষ্টি এলাকায় সচেতনতামূলক সভা ও প্রচারপত্র বিলে করে জনগণকে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানুষ নামের পাহাড়কাটা ইঁদুর কে আইনের আওতায় এনে পাহাড়ী এলাকায় বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অধিবাসীদের পূর্ণবাসন করলে আশা করা যায় পাহাড় ধস অনেকাংশে কমে আসবে।

মুহাম্মদ আবদুল কাহহার নেছারী/ইকরাম

আরও সংবাদ