Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

দালালের দখলে সিলেট বিআরটিএ অফিস

Published:2014-10-13 10:39:41    

বাংলাসংবাদ২৪ : দালালের দখলে চলে গেছে সিলেট বিআরটিএ অফিস। টাকা ছাড়া কোন কাজই হয়না এখানে। আর বাড়তি টাকায় পাওয়া যায় ড্রাইভিং লাইসেন্সও। খোদ জেলা প্রশাসক স্বীকার করলেন দালালের উৎপাত। তবে তা মানতে নারাজ বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ।

৯ অক্টোবর বেলা ১২টায় সিলেট বিআরটিএ অফিসে গিয়ে সেবা নিতে আসা মানুষের এমন ভিড় দেখা যায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পর ভেতর থেকে বন্ধ করে দেয়া হয় অফিসের সবগুলো রুম উধাও হয়ে যায় অফিসের কর্তা ব্যক্তিরাও। এক সময় সেখান থেকে ধীরে ধীরে সেবা নিতে আসা মানুষও চলে যায়। কিছুক্ষণ পর জানা গেল এর কারণ। ভূক্তভোগী কয়েকজন জানান, ক্যামেরার সামনে অবৈধ টাকা লেনদেন করা যাবেনা বলেই গ্রাহকদের সরিয়ে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ উধাও হয়ে গেছে।

ভূক্তভোগীর জানান, দালাল ছাড়া কোন কাজই হয়না এখানে। কেউ বৈধ পন্থায় কিছু করতে চাইলে বছরের পর বছর যাবে কিন্তু কাজ কিছুই হবেনা। বাড়তি টাকা দিলে পাওয়া যায় ড্রাইভিং লাইসেন্সও।

ভূক্তভোগী একজন বলেন, 'শ্রমিকরা এখানে লাইন্সেস করতে আসলে তাদেরকে কয়েকটি টেবিলে ঘুস দিতে হয়। তা না হলে এখানে কোনো কাজ হয় না।'

তবে, দালাল দিয়ে কাজ করানোর কথা অস্বীকার করেন বিআরটিএ'র এক কর্মকর্তা।

সিলেট বিআরটিএ-এর মোটরযান পরিদর্শক আবদুল বারী বলেন, 'আমাদের কাছে কোনো দালাল নাই আর তাদের মাধ্যমে কোন কাজ হয় না। তাছাড়া কোনো বাড়তি টাকাও নেওয়া হয় না।'

তবে, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও আরটিসির চেয়ারম্যান দালালের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, জনবল সংকটের কারণে অস্থায়ী লোক দিয়ে কাজ করা হয়। এরাই এক পর্যায়ে দালাল হয়ে যায়।

সিলেট জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের জনবল দরকার, এর অভাবেই মূলত অস্থায়ী লোকজন দিয়ে কাজ করাতে হচ্ছে।'

সিলেটে গড়ে প্রতিমাসে ৫'শ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়। আর নগরীতে বৈধ লাইসেন্সের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার।

বাংলাসংবাদ২৪//আইএইচ

আরও সংবাদ