Widget by:Baiozid khan

ঢাকা Thu November 22 2018 ,

  • Advertisement

এজমালি জ্যাঠা রফিকুল

Published:2015-03-01 18:31:30    
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরের রফিকুল ইসলাম (৫০)। উচ্চতায় ৩ ফিট ২ ইঞ্চি। ক্ষুদ্রাকৃতির এ মানুষটিকে সবাই আদর করে ডাকে জ্যাঠা। শারীরিক প্রতিবন্ধী হিসেবে ভাতা পান ৩ মাস পর পর। বাড়িতে অন্ধ-বৃদ্ধা মা আর নিজের খাবার জোটাতে সকাল হলেই ঝুলি হাতে বেরিয়ে পড়েন তিনি। 
 
এ মানুষটি পিতা-পুত্র, মা-মেয়ে সবারই জ্যাটো । যাকে বলে এজমালি জ্যাঠা। উলিপুর উপজেলা সদর হতে ১২ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে বজরা ইউনিয়নের চর বজরা গ্রামে বসবাস করেন এই এজমালি জ্যাঠা।  পিতা আব্দুল করিমের রেখে যাওয়া বসতভিটায় একটি খুপরীতে রাত কাটান রফিকুল।
 
 সংসার প্রসঙ্গ আনলেই তিনি আনমনে  বলতে লাগরেন,‘বউ আছিল এ্যালা নাই,মাও আছে তাক নিয়ে থাকি। মাও চকে দেখে না, মুই এ্যালা যাং কোডে।’ বয়োবৃদ্ধ মা ফাতেমাকে(৭৫) নিয়ে চলছে ৩ ফিট লম্বা এই মানুষটির সংসার। সারা দিন ঘুরে যা পাওয়া যায়, তাতেই তৃপ্ত উলিপুরের এজমালী জ্যাঠা। 
 
তার আবাস্থল বলতে পাটকাঠি আর পলিথিন দিয়ে তৈরি একটি খুঁপড়ি ঘর। দাম্পত্য জীবন গড়তে বিয়ে করেছিলেন চিলমারী উপজেলার বালাবাড়ী গ্রামের আরেক প্রতিবন্ধী সাহেরাকে। তা টিকে থাকেনি অভাব অনটনের কারণে। 
 
এজমালী জ্যাঠা রফিকুলের ব্যাপারে বজরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম আমীন বলেন, সে খুব সহজ সরল বলে এলাকার মহিলা ও শিশুরাই তার বেশি ভক্ত।
 
বাংলাসংবাদ২৪/মমিনুল ইসলাম বাবু/কবির হোসেন।

আরও সংবাদ