Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

তিস্তা নদী হতে অবৈধভাবে বালু উত্তলন

Published:2016-03-17 17:06:27    
মমিনুল ইসলাম বাবু (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নস্থ নন্দুনেফড়া গ্রামের প্রভাবশালী ও গুনাইগাছ সমাজ কল্যাণ সংস্থার (গুনাইগাছ ইউনিয়ন ফেডারেশন), উলিপুর, কুড়িগ্রাম-এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী শাহানুর আলম (ফুলু) সরকার তার পৈত্রিক সম্পত্তির আখ্যা দিয়ে প্রায় পাঁচ বছরযাবৎ অবৈধভাবে তিস্তা নদী হতে বালু উত্তলন ও বিক্রি করে আসছেন। এতদিন তার পৈত্রিক সম্পত্তি নদীর কাছে হওয়াতেও বালু উত্তলন থামাননি, তিনি যদিও যানতেন যে তিনি খাল কেটে কুমির আনছেন (নদী ভাঙ্গনকে ডেকে আনার প্রসঙ্গে)। কিন্তু গতো বর্ষা মৌসুমে সেসব জমি তিস্তা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে সরকারী সম্পত্তিতে রুপ নিলেও তার পৈত্তিক সম্পত্তির দোহাই দিয়ে চালিয়ে জাচ্ছেন তার এই অবৈধ ব্যবসা। এর ফলে নদী তিরবর্তী জমির মালিক ও বসবাসকারীরা আছে বিপাকে, কারণ এতে করে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হতে পারে এবং ভাঙ্গেতে পারে ফসলি জমি বা বসতভিটা। এছাড়াও পাশেই (প্রায় ৭০০ মিটার দক্ষিন দিকে) তিস্তা পূর্ব পাড় ব্লকিং এর একটি প্রকল্প চলছে, এভাবে তার এই অবৈধ কাজ চলতে থাকলে পিছিয়ে যেতে পারে তিস্তা পূর্ব পাড় ব্লকিং এর প্রকল্পটি বা নদী গর্ভে আরো অনেক ফসলি জমি বিলীন হওয়ার পর প্রকল্পটি বাস্তবে রুপ নিতে পারে। প্রসঙ্গত চলে আসে সেই রাস্তাটির কথা যে রাস্তাটি দিয়ে দিনে প্রায় অর্ধ-সতাধিকবার বালূ বোঝাই ট্রাক্টর যাতায়ত করে। এখন শূষ্ক মৌসুমে ধুলি-কণার মধ্যদিয়ে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে যাতায়ত অনূপোযোগী হয়ে উঠে এই রাতস্তাটি। এতে করে বয়ষ্ক মানুষ বা স্কুলগামী ছোট ছোট শিশু তো দূরের কথা যুবক মানুষও চলাচল করতে অনেক বেগ পোহাতে হয়, যা গতো বছর উপচেলা চেয়ারম্যান জনাব মোঃ হায়দার আলী মিয়াকে সরেজমিনে দেখানো হয়েছিলো (তিস্তা নদীর পূর্ব পাড় ব্লকিং এর একটি প্রকল্প উদ্বোধন করার দিন)। গতো কয়েকদিন আগে গুনাইগাছ ইউপি সদস্য মোঃ আবুল কাশেম ৪০দিনের (কাবিটা) মাটি কাটার এক প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তাটি সংষ্কার করলেও মাত্রাতিরিক্ত ভাড়ী যান চলায় বোঝার কোনো উপায় নেই যে মাত্র ৩০ হতে ৩৫ দিন আগে রাস্তাটি সংষ্কার করা হয়েছে। এই প্রভাবশালী এতোটাই ক্ষমতাধর যে তার বীরোধীতা করার ক্ষমতা কারো নেই, কারণ আছে তার পিটুয়া বাহীনি। গতো দুই বছর আগে এলাকার এক যুবক বালু বোঝাই ট্রাক্টর আটকে দিলে তাকে মারপিটের হুমকি প্রদান করে এবং লাঠি নিয়ে তেরে আসে তাকে মারপিট করার জন্য, কিন্তু ঘটনাটি স্থানীয় বাজার নাগড়াকুড়ায় বাজারে হওয়ায় সেদিন ভাগ্যের ফেরে বেঁচে যায় সেই যুবক পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃক নির্মিত বাধের রাস্তাটিও তার হাত হতে রেহাই পায়নি। পরে ইউপি সদস্য আবুল কাশেমের সাথে মুঠোফেনে কথা হলে তিনি এর সত্যতা শিকার করেন এবং তিনি আরো জানান ঐ প্রভাশালী তার কোন কথা মানতে নারাজ। এ ব্যপারে ফুলু সরকারের সাথে দেখা করতে গেলে তাকে তার নিজ বাড়ীতে না পেয়ে এই রির্পোটার মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করেও তাকে পায়নি।
এলাকার ভূক্তভোগীদের কথা একটাই যেই ভাবে হউক এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য তারা উপজেলা প্রসাশক বরাবর আবেদন করেছেন।
 

আরও সংবাদ