Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Tue September 25 2018 ,

কেরানীগঞ্জে হেলে পড়া ভবন ‘ঝুঁকিপূর্ণ’

Published:2016-04-26 16:44:42    
দুই সপ্তাহ আগে ভূমিকম্পে হেলে পড়া ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি তিনতলা ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
 
উপজেলার শুভাঢ্যা ইউনিয়নের কালিবাড়ী খালপাড় এলাকায় ভবনটির অবস্থান বলে জানান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম।
 
মঙ্গলবার সকালে ওসি বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি গত ১৩ এপ্রিল রাতে ভূমিকম্পে ওই তিনতলা ভবনটি পাশের আরেকটি তিনতলা ভবনের উপর হেলে পড়ে।
 
“২৪ এপ্রিল রোববার আমরা ভবনটি হেলে পড়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে।”
 
ইতোমধ্যে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শাহজাহান আলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানান তিনি।
 
ওসি বলেন, ভবন মালিক চাইলে ভবনটি বসবাসের উপযোগী কিনা তা পরীক্ষার জন্য বুয়েটের প্রতিনিধি দল এনে পরীক্ষা করাতে পারেন। পরীক্ষার ফলাফল আসার পর ভবনটি বসবাসের উপযোগী হলে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হবে।
 
অন্যথায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, বলেন ওসি মনিরুল।
 
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, “বিষয়টি আমার নলেজে ছিল না। সোমবার রাতে কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানার ওসির মাধ্যমে শুনেছি।
 
“বুধবার বিকালে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে বাসিন্দাদের অন্যত্র সরে গিয়ে ওই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি খালি করে দিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলব এবং লাল ফিতা দিয়ে চারপাশ ঘিরে ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবন’ সাইনবোর্ড টানিয়ে দেব।”
 
কেরানীগঞ্জ রাজুকের অধিক্ষেত্রে পড়েছে উল্লেখ করে ইউএনও বলেন, ভবনের বাসিন্দাদের উচ্ছেদ ও ভবনের বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেবে রাজউক। ঝুঁকিপূর্ণ জানা সত্ত্বেও যদি ওই ভবনে কেউ বসবাস করতে চায় তাহলে এটা তাদের ব্যাপার।
 
উচ্ছেদ কিংবা ভবনটির বিষয়ে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা উপজেলা প্রশাসনের নেই বলে জানান ইউএনও।
 
তিনি বলেন, “ইতোপূর্বে আমরা দুয়েকটি ভবনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কিন্তু রাজুক চিঠি দিয়ে আমাদের জানিয়েছিল এটা রাজুকের অধিক্ষেত্রে পড়েছে। কাজেই এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের কোনো এখতিয়ার নেই।”
 
হেলে পড়া ভবনের মালিক লুৎফর রহমান বলেন, তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। প্রবাসে থাকা অবস্থায় প্রায় ১৩ বছর আগে তার স্ত্রী ভবনটি নির্মাণ করেন।
 
ভবন নির্মাণের সময় কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এনেছেন কিনা তা তিনি বলতে পারেননি।
 
পাশের ভবনের মালিক বিমল বাবু বলেন, হেলে পড়া ভবনের কারণে তার ভবনটি ঝুঁকিতে রয়েছে ও পানির পাইপসহ অন্যান্য সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
 
ভবনটি দ্রুত অপসারণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।
 
গত ১৩ এপ্রিলের ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম ও ফেনীতে অন্তত তিনটি ভবন হেলে পড়েছে।

আরও সংবাদ