Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Fri May 24 2019 ,

  • Techno Haat Free Domain Offer

বৃষ্টিতে পশু কোরবানিতে ভোগান্তি

Published:2016-09-13 22:49:27    
সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে কোরবানির ঈদে নাকাল হয়েছেন রাজধানীবাসী; বৃষ্টিতে ঢাকার বেশকিছু এলাকায় পানি উঠে যাওয়ায় অনেকেই বাড়ি থেকে বের হতে পারেন নি, বিপাকে পড়েছেন পশু কোরবানির স্থান নিয়েও।
 
 
এবার পশু কোরবানির জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ছয় শতাধিক এবং দক্ষিণে চার শতাধিক স্থান নির্ধারিত থাকলেও অধিকাংশ জায়গায় পানি অপসারণের ব্যবস্থা ছিল না বলে এসব স্থান ঘুরে জানিয়েছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদক ওবায়দুর মাসুম।
 
এ কারণে অনেকে আগের মতোই পশু জবাইসহ আনুষাঙ্গিক কাজকর্ম সেরেছেন সড়কে। বৃষ্টির কারণে কাদাপানিতে মাংস নষ্ট হওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেকে।
 
মঙ্গলবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে পানি জমে যায় রাজধানীর নিচু এলাকাগুলোয়, যা ভোগান্তি আরও বাড়িয়েছে নগরবাসীর।
 
একটি প্রকাশনা সংস্থার মালিক হাসান তারেক থাকেন ফকিরাপুলে। তার বাসার সামনের রাস্তায় বৃষ্টিতে পানি জমে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে ভবনের নিচতলায় গ্যারেজে পশু কোরবানি করেছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “একদম বিশ্রী অবস্থা। সকালে ঘুম থেকে ‍উঠে দেখি বাসার সামনের গলিতে এক হাঁটু পানি। এখনও বাসা থেকে বের হতে পারিনি।
 
“রাস্তায় পানি থাকার কারণে বাধ্য হয়ে ভবনের নিচতলায় গ্যারেজে পশু কোরবানি করতে হয়েছে। পশুর রক্ত ও বর্জ্য গিয়ে রাস্তার পানিতে মিশে অবস্থা আরো খারাপ করেছে।”
 
একই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শান্তিনগরের বাসিন্দা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রাফিউদ্দিন সিফাত।
 
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “বৃষ্টি কমলেও রাস্তার পানি এখনও নামেনি। এখনও বাসা থেকে বের হতে পারিনি।”
 
শ্যামলী এলাকার বেশকিছু গলিপথে পানি আটকে থাকায় এখানকার অনেক বাসিন্দা রিং রোডের মূল সড়কে কোরবানি করেছেন।
 
এই এলাকার বাসিন্দা ব্যাংকার রেজাউল করিম জানান, তাদের ভবনের গ্যারেজে ‘জায়গা’ না থাকায় রিং রোডের ওপরই পশু জবাইয়ের কাজ করতে হয়েছে তাদের।
 
“বৃষ্টিতে বাড়ির সামনের গলি ডুবে গেছে। বিল্ডিং এর নীচে ফাঁকা জায়গা নেই। এ কারণে বড় রাস্তায় কোরবানি দিতে হচ্ছে। পানির যোগান নেই, যথেষ্ট পরিমাণে পলিথিন নেই। খুব ঝামেলায় আছি।”
পশুর মাংস কাটার কাজে ব্যস্ত কসাই জয়নাল বলেন, “মাংস যাতে নষ্ট না হয় এই কারণে সাবধানে কাজ করতে হইতেসে। এমনিতেই রাস্তায় কাদা... তারওপর গরুর নোংরা মিশছে।”
 
অবশ্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলছেন, কোরবানি হয়েছে সুষ্ঠুভাবেই।
 
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এবারের ঈদে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত ৬৪৮টি স্থানের মধ্যে ২০০টিরও বেশি স্থানে ইমাম ও কসাই উপস্থিত ছিলেন।
 
গতবারের তুলনায় এবার সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত স্থানে কোরবানির হার বেশি ছিল জানিয়ে মেয়র আনিসুল হকের দাবি, এসব স্থানে পর্যাপ্ত পরিমাণে পলিথিন ও ব্লিচিং পাউডারও সরবরাহ করা হয়েছে।
 

আরও সংবাদ