Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Thu June 21 2018 ,

নির্ধারিত স্থানে কোরবানিতে অনীহা

Published:2016-09-13 22:55:55    
সকালে ভারি বৃষ্টি আর মানুষের অনীহায় গতবছরের মতো এবারও ঢাকায় সিটি করপোরেশন নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি হয়নি বললেই চলে।
 
 
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাড়ির আঙ্গিনা আর সামনের রাস্তায় পশু কোরবানি দিয়েছেন নগরবাসী।
 
এবার কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য ৫০৪টি স্থান নির্ধারণ করে দেয় দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এরমধ্যে ২৭৪টি স্থানে সামিয়ানাও টানিয়ে দেওয়া হয়।
 
গত বছর কোরবানির ঈদে পশু জবাইয়ের জন্য ৩২৪টি স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছিল দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।
 
মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ঝুম বৃষ্টি। ঈদের নামাজ শেষে তাই পশু কোরবানি দিতে বিলম্ব হয় রাজধানীবাসীর। বৃষ্টির পরও অনেক রাস্তায় হাঁটু পানি ছিল। ফলে যাদের বাড়িতে জায়গা ছিল তারা সেখানেই পশু জবাই করেছেন।
 
দুপুরে পুরান ঢাকার ওয়ারী, হাটখোলা রোড, নারিন্দা, ধোলাইখাল, যাত্রাবাড়ি, সায়েদাবাদ এলাকা ঘুরে রাস্তায় কোরবানির পশু জবাই করতে দেখা গেছে।
 
উত্তর যাত্রাবাড়ির কলাপট্টি এলাকায় নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই করেননি কেউ। দুপুরের পর সেখানে চামড়া এনে জড়ো করেন ব্যবসায়ীরা।
 
উত্তর যাত্রাবাড়ি আদর্শ পঞ্চায়েত প্রধান আবদুল মজিদ সর্দার জানান, বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটে পানি জমে যাওয়ায় তারা সেখানে পশু জবাই করতে পারেননি।
 
বৃষ্টির কারণে দুপুর দুইটার পর গরু জবাই করেছেন হাটখোলা রোডের ব্যবসায়ী মোস্তফা জামাল। বাড়ি থেকে জবাইয়ের স্থান দূরে হওয়ায় সেখানে গরু নিয়ে যেতে পারেননি তিনি।
 
তিনি বলেন, “পশু জবাইয়ের স্থানটি আমি চিনি। কিন্তু বৃষ্টির কারণে সেখানে নিয়ে যেতে পারিনি। মাঠেও পানি ছিল। এখানে জবাই করেছি। জবাইয়ের সঙ্গে সঙ্গেই পানি দিয়ে রক্ত-ময়লা পরিষ্কার করে ফেলেছি।”
 
ওয়ারীর র‌্যাংকিন স্ট্রিটে পশু জবাইয়ের নির্ধারিত স্থানে সামিয়ানা টানানো হলেও তাতে ছিল না ত্রিপল। তাই বৃষ্টি থাকায় সেখানে কোরবানি দিতে পারেননি বলে জানালেন স্থানীয় বাসিন্দা আবদুস সোবহান। ফলে কোরবানি দিতে দেরি হয়েছে তার।
 
দুপুর দুইটায় ধোলাইখাল এলাকায় দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনের উপস্থিতিতে বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু হয়। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দেন তিনি।
 
মেয়র বলেন, “জনগণ আগের চেয়ে সচেতন। পরিচ্ছন্নতা কাজে তাদের সম্পৃক্ততা আগের চেয়ে বেড়েছে। আশা করি আগামী ২৪ ঘণ্টা পর বর্জ্য অপসারণ শেষ করে সংবাদ সম্মেলন করব।”
 
পশু কোরবানির নির্ধারিত জায়গাগুলো ফাঁকা থাকার বিষয়ে মেয়র বলেন, “কিছু জায়গায় ত্রিপল দিতে পেরেছি, কোথাও পারিনি। আগামীতে সব জায়গায় সামিয়ানার সঙ্গে ত্রিপল টানিয়ে দেব যাতে বৃষ্টির মধ্যেও কোরবানি করা যায়।”
 
নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করতে মানুষকে বাধ‌্য করা হচ্ছে জানিয়ে সাঈদ খোকন বলেন, “নগরবাসীর মধ্যে আমরা সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। আস্তে আস্তে তারা এতে অভ্যস্ত হবে।”
 
মেয়র পরে গোপীবাগ, হাজারীবাগ, লালবাগ, ধানমণ্ডি, সায়েদাবাদ, খিলগাঁওয়ে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখেন।

আরও সংবাদ