Widget by:Baiozid khan

ধর্মঘট গেছে, বাজারের বাড়তি দাম এখনো আছে

Published:2017-03-04 10:50:02    
পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট শেষ হলেও ওই কারণে বেড়ে যাওয়া কয়েকটি নিত্যপণ্যে দাম এখনও আগের অবস্থায় ফেরেনি।
 
 
তবে চলতি সপ্তাহে চিনি, সয়াবিন তেল ও পাম অয়েলের দাম কিছুটা কমেছে বলে পাইকারি বিক্রেতারা জানিয়েছেন।
 
শুক্রবার রাজধানীর বাড্ডা ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ, আলু, শাক-সবজির বাজার বেশ চড়া।
 
বিক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট শুরুর পর সরবরাহ ঘাটতিতে শাক সবজির দাম বেড়েছিল।
 
গত মঙ্গল ও বুধবার ধর্মঘটের সময় কারওয়ান বাজারে সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়ে যায় বলে সেখানকার সবজি বিক্রেতা নাসির গাজী জানান।
 
তিনি বলেন, “এখন দাম কিছুটা কমলেও তা আগের অবস্থায় ফিরে আসেনি।”
 
শুক্রবার এই বাজারে মিষ্টি আলু কেজি প্রতি ২০ টাকা, গাজর ২০ টাকা, ঢেঁড়শ ৫০ টাকা, পেপে ১২ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, সিম ৩০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়।
 
উত্তর বাড্ডার পাইকারি ব্যবসায়ী নাছির বলেন, নতুন পেঁয়াজ খুচরায় এখনও ২২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ধর্মঘটের আগে তা ১৮ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। আলুর কেজি ১২ টাকায় বিক্রি হলেও তা এখন ১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি রসুন বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৮৮ টাকায়।
 
“ধর্মঘট শুরুর পর আলুবাহী গাড়ি আসেনি। তাই দাম একটু বাড়িয়ে রাখা হচ্ছে। তবে মজুদে এখনও ঘাটতি পড়েনি।”
 
বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম একশ থেকে ১০৮ টাকায় বিক্রি হলেও খোলা বাজারে সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম আরও এক ধাপ কমেছে।
 
উত্তর বাড্ডায় খোলা সয়াবিন তেলের পাইকারি দাম কেজি প্রতি ৮৩ টাকা। পাম অয়েলের দাম ৭৩ টাকা।
 
গত এক সপ্তাহে সয়াবিন তেলের দাম কেজিতে অন্তত ২ টাকা কমেছে বলে জোয়ার্দার ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপক আবির জানান।
 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারওয়ান বাজারের এক পাইকারি তেল বিক্রেতা বলেন, গত এক সপ্তাহে সয়াবিন তেল ও পাম অয়েল লিটারে ২/৩ টাকা কমেছে। চিনির দামও কেজিতে ২ টাকা করে কমেছে।
 
“বর্তমানে সয়াবিন তেল লিটার ৮০ টাকা, পাম তেল লিটার ৬৯ টাকায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। চিনির বস্তা গত সপ্তাহে ৩২৮০ থেকে ৩৩শ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। এখন বিক্রি হচ্ছে ৩২৫০ টাকায়।”
 

আরও সংবাদ