Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Tue September 25 2018 ,

ইনস্টিটিউটের দাবিতে আন্দোলনের নামে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা

Published:2017-03-19 01:23:11    
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউটে রূপান্তরের দাবিতে আন্দোলনের নামে একটি মহল অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
 
 
গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজকে ইনস্টিটিউটে রূপান্তরের দাবিতে ছাত্রীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে শনিবার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযোগ তোলেন।
 
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও ইনস্টিটিউটে রূপান্তর করার অজুহাতে রাস্তাঘাটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আন্দোলন, প্রতি-আন্দোলন কর্মসূচি পালনের নামে যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টিসহ একটি গোষ্ঠী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে অস্থিরতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”
 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজকে এর অধীনে আলাদা ইনস্টিটিউট করার দাবিতে ১১ মার্চ থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও ১৩ মার্চ থেকে নিউ মার্কেট-নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে শিক্ষার্থী।
 
তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত ছাত্রীরা।
 
শনিবার সকালেও কলেজ ক্যাম্পাস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পলাশী মোড়, নীলক্ষেত থানা মোড়, কাটাবন ঢাল, সায়েন্স ল্যাব ও নিউমার্কেট ঘুরে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে আসে ছাত্রীরা।
 
এ সময় ‘ন্যায্য দাবি, ন্যায্য সংগ্রাম চলছে, চলবে, হোম ইকোনমিক্স লড়বে’, ‘আশ্বাস দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না’, ‘এক দফা এক দাবি, ইনস্টিটিউট অব ঢাবি’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়।
 
তবে উচ্চ পর্যায় থেকে ইনস্টিটিউট করার সিদ্ধান্ত নাকচ করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফাতেমা সুরাইয়া বলেন, “কলেজে সেশনজট ছিল। গত একমাসে আমরা তা সমাধান করেছি।”
“আমরা চাইছি, সাধারণ কলেজ হিসেবে নয়, কলেজটিকে বিশেষায়িত সরকারি কলেজ হিসেবে বিবেচনা করে সুযোগ সুবিধা আরও উন্নত করা হোক।”
 
ঢাবি শিক্ষক সমিতির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, “সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন হলে সিট বণ্টনকে কেন্দ্র করে পরস্পরের প্রতি দোষারোপ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা এবং একদল উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র কর্তৃক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের নাজেহাল করা হয়েছে।
 
এতে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট ও আইন শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করে শিক্ষাঙ্গন স্থিতিশীল রাখতে এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়।
 
সোমবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হল ও বৃহস্পতিবার রাতে রোকেয়া হলের ‘সিট দখল করতে গিয়ে’ সাধারণ শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে পড়ে ছাত্রলীগ।
 
বিজয় একাত্তর হলের বিভিন্ন কক্ষে নিজেদের কর্মী তুলতে শিক্ষার্থীদের বাধা পেয়ে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে ভাংচুর ও বিক্ষোভ করেন হল ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা।
 
আর রোকেয়া হলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ, গত কয়েক দিনে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি লিপি আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক শ্রাবণী ইসলাম মিলে রুম দখল করছেন।

আরও সংবাদ