Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

সাকিব-মোস্তাফিজ তাণ্ডবে অবিস্মরণীয় জয় টাইগারদের

Published:2017-04-06 23:30:51    
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার টি-২০ ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে অবিস্মরণীয় জয় পেয়েছে টাইগাররা।
 
বাংলাদেশের দেয়া ১৭৭ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ১৮ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় স্বাগতিক শ্রীলংকা।
 
সাকিব-মোস্তাফিজ তাণ্ডবে চরম বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলংকা। দলীয় ৪০ রানে টপ অর্ডারের ৫ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের শংকায় পড়ে স্বাগতিকরা।
 
তবে থিসারা পেরেরা ও কাপোগেদারা ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৫৮ রান করে টাইগারদে দুৰস্বপ্ন হয়ে দাঁড়ান।  ইনিংসের ১৩তম ওভারে দলীয় ৯৮ রানের মাথায় সাকিবের শিকার হয়ে থিসারা পেরেরা (২৭) বিদায় নিলে ম্যাচ বাংলাদেশের দিকে হেলে পড়ে। দলীয় ১১৯ রানে অধিনায়ক মাশরাফি গত ম্যাচে শেষ দিকে ঝড় তোলা প্রসন্নকে সরাসরি বোল্ড করে টাইগারদের সমর্থকদের জানান দেন আজকের দিনটি আসলে বাংলাদেশেরই!
 
১৭তম ওভারে দলীয় ১২৩ রানে ম্যাচের একমাত্র হাফসেঞ্চুরিয়ান ক্যাপোগেদেরাকে (৫০) সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজ। একই ওভারে দলীয় ১২৪ রানে মালিঙ্গাকে (০) বোকা বানিয়ে বোল্ড করেন টাইগারদের বাংলাদেশ ক্রিকেটের বিস্ময় বালক মোস্তাফিজ।
 
মোস্তাফিজ তিন ওভারে ২১ রানে চার উইকেট নিয়ে লংকান ইনিংসের ধস নামান। এছাড়াও  সাকিব চার ওভারে ২৪ রানে লংকানদে মূল্যবান তিনটি উইকেট শিকার করেন।  মাহমুদউল্লাহ, সাইফুদ্দিন ও অধিনায়ক মাশরাফি একটি  করে উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।
 
এর আগে টি-২০ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে মাশরাফি বাহিনী।
 
বৃহস্পতিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে নিজের ক্যারিয়ারের শেষ টি২০ ম্যাচে টস জেতেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।
টস জিতে মাশরাফিরা প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন।
 
সফরকারীদের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন সাকিব আল হাসান। তিনি ৩১ বলে ৩৮ রান করেন। এছাড়া ইমরুল কায়েসের ২৫ বলে ৩৬ রানের ইনিংসটি ছিল বিশেষ উল্লেখযোগ্য। তার ইনিংসটি ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো।
 
তামিমের ইনজুরির কারণে একাদশে সুযোগ পাওয়া ইমরুল কায়েস উদ্বোধনী জুটিতে সৌম্য সরকারকে নিয়ে করেন ৭১ রান। মাত্র ৬.৩ ওভারেই উদ্বোধনী জুটি থেকে এ রান আসে।
 
এ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন শ্রীলংকার পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। ইনিংসের ১৯তম ওভারে প্রথমে মুশফিক ও মাশরাফিকে সরাসরি বোল্ড করেন। পরের বলেই মিরাজকে এলবিডব্লউয়ের ফাঁদে ফেলে হ্যাটট্রিক নিশ্চিত করেন।  
এ ম্যাচে তামিমের অনুপস্থিতিকে বুঝতে দেননি ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার।
 
ব্যাট হাতে ঝড় তোলা ওপেনিং জুটিতে ৬ দশমিক ৩ ওভারে আসে ৭১ রান। এরপর ১৭ বলে ৩৪ করা সৌম্যকে ফেরান আসেলা গুনারত্নে। ২টি ছয় ও ৪টি চারের মারে সাজানো তার ইনিংস।
 
পরের ওভারেই রান আউট হয়ে ফিরে যান ইমরুলে কায়েস। ২৫ বলে ৩২ রান করেন কায়েস। ১টি ছয় ও ৪টি চারের মারে সাজানো তার ইনিংস।
 
তৃতীয় উইকেট জুটিতে সাকিব-সাব্বির ৪৬ রান করে বাংলাদেশকে বড় ইনিংসের স্বপ্ন দেখান। সাকিব ৩৮ ও সাব্বির ২৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
দলীয় ১৫২ রানে  মোসাদ্দেক ব্যক্তিগত ১৭ রানে আউট হন। শেষ দিকে মুশফিক ৬ বলে ১৫ রানের ঝড়ো ইনিংস উপহার দেন।

আরও সংবাদ