Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

জব্দ স্বর্ণের 'এক আনা'রও হিসাব দেখাতে পারেনি

Published:2017-05-18 09:12:42    
আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শোরুম থেকে জব্দ করা ৪৯৮ কেজি স্বর্ণের 'এক আনা'রও হিসাব দেখাতে পারেননি ওই জুয়েলার্সের মালিকরা।
 
বুধবার সকালে আপন জুয়েলার্সের মালিক- দিলদার আহমেদ এবং তার দুই ভাই গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
 
এরপর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মইনুল খান।
 
কাকরাইল শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অফিসে তিন ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ডিজি মইনুল খান বলেন, মৌখিক ও লিখিত জিজ্ঞাসাবাদে অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি তারা।
 
তবে নিজেদের স্বর্ণ ব্যবসা বৈধ দাবি করে দিলদার আহমেদ বলেন, 'আমার কোনো অবৈধ স্বর্ণ নেই। সারাদেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা যেভাবে ব্যবসা করে, আমিও সেভাবে ব্যবসা করছি। আমার প্রতিষ্ঠান যদি বন্ধ করে দেয়া হয়, তাহলে সারাদেশের স্বর্ণ ব্যবসা বন্ধ করা উচিত।'
 
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের ডিজি বলেন, শুনানিতে উপস্থিত হয়ে জব্দকৃত স্বর্ণ ও ডায়মন্ডের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে তারা ১৫ দিনের সময় চায়।
 
তিনি বলেন, 'ন্যায়বিচারের কথা বিবেচনা করে আমরা তাদের ছয় দিনের সময় দিয়েছি। আগামী ২৩ মে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও দলিলাদি সংগ্রহ করে তারা শুল্ক গোয়েন্দা অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানের ব্যাখ্যাহীনভাবে মজুদ স্বর্ণ ও ডায়মন্ডের বিষয়ে শুনানিতে অংশ গ্রহণ করবেন।
 
ওই তারিখে প্রয়োজনী কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে বলেও জানান ডিজি মইনুল খান।
 
তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে যেসব গ্রাহক আপন জুয়েলার্সের বিভিন্ন শাখায় স্বর্ণ রিপেয়ারিং ও এক্সচেঞ্জের জন্য জমা দিয়েছেন, তাদের দাবিকৃত স্বর্ণ ফেরত দিতে রশিদসহ সোমবারের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
 
তবে এ বিষয়ে দিলদার আহমেদ বলেছেন, এ ধরনের স্বর্ণ ২-৫ কেজি কিংবা সর্বোচ্চ ১০ কেজি হতে পারে।
 
প্রসঙ্গত, 'ব্যাখ্যাহীনভাবে মজুত রাখা'র দায়ে রোববার ও সোমবার রাজধানীতে আপন জুয়েলার্সের গুলশান, উত্তরা, মৌচাক ও সীমান্ত স্কয়ারের পাঁচটি বিক্রয়কেন্দ্র থেকে ৪৯৮ কেজি স্বর্ণ ও ৪৩০ গ্রাম ডায়ামন্ড আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা।
 
এরপর মজুদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বুধবার সকালে দিলদার আহমেদসহ জুয়েলার্সের সব শাখার মালিককে তলব করে শুল্ক গোয়েন্দারা।

আরও সংবাদ