Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Mon June 18 2018 ,

এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দাম দ্বিগুণ

Published:2017-05-22 09:21:15    
রমজান আসার আগেই বেগুনের দাম ঊর্ধ্বমুখী। বাজারে বেগুনের চাহিদা ও জোগান বেশি থাকার পরও বিভিন্ন অজুহাতে দাম বাড়াচ্ছেন বিক্রেতারা।
 
গত এক সপ্তাহ আগে খুচরা বাজারে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া বেগুন এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। শনিবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
 
বেগুনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শসার দামও।
 
দেশের প্রধান পাইকারি বাজার কারওয়ানবাজারে এক সপ্তাহ আগেও বেগুনের পাল্লা (পাঁচ কেজি) বিক্রি হয়েছে ১২০-১৩০ টাকায়। খুচরা বাজারে তা দাঁড়ায় প্রতি কেজি ৩০-৩৫ টাকা।
 
ক্রেতাদের প্রশ্ন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কী এমন হলো যে দ্বিগুণ বেশি দামে বেগুন কিনতে হবে।
 
হাতিরপুল বাজারে নিয়মিত আসা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভাই বেগুন কেনা বন্ধ করে দিয়েছি। দেখি কী হয়? দাম কমলে ফের বেগুন কিনব। রোজা হচ্ছে সংযমের মাস। অথচ আমরা খাবারের বেলায় অসংযমী হয়ে উঠি। দোষ ভাই আমাদেরও আছে।
 
খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রমজানে লম্বা বেগুনের চাহিদা বেশি। তাই বাজারে প্রতি কেজি লম্বা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। আর লম্বা বেগুনের ধাক্কায় অন্য বেগুনের দামও বেড়ে গেছে। গোল বেগুন ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
 
গত সপ্তাহে লাগাতার বৃষ্টির কারণে কাঁচা সবজির পাশাপাশি বেগুনের খেতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে- এমন দাবি করে বেগুনের সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ খুচরা বিক্রেতাদের।
 
কারওয়ানবাজারের পাইকারি বিক্রেতা আলমগীর হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, রমজান এলেই বেগুনের সঙ্গে সঙ্গে মরিচ, শসা, লেবুসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। রাজধানীতে রমজান মাসে বেগুনের চাহিদা প্রায় দেড়গুণ বাড়ে।কিন্তু গত সপ্তাহজুড়ে সারাদেশে বৃষ্টি হওয়ায় বেগুনসহ অন্যান্য সবজির খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে পর্যাপ্ত বেগুন না পাওয়ায় দাম বেড়ে গেছে। এখানে আমাদের কোনো কারসাজি নেই।
 
তিনি আরও জানান, আগামীতে সরবরাহ আরও কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ফলে বেগুনের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।

আরও সংবাদ