Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

খালেদা জিয়া মামলার ভয়ে পালিয়ে গেলেন ? ওবায়দুল কাদের

Published:2017-07-17 21:04:41    

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডন সফরের সমালোচনায় করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘একজন মামলার ভয়ে বিদেশ থেকে আসে না, সে কতদিন হয়ে গেল, কত বছর হয়ে গেল তিনি আর আসেন না। আরেকজন আবার টেমসনদীর পাড়ে গেলেন। উনি যাচ্ছেন এ ব্যাপারে আমাদের কোনো আপত্তি থাকার কথা না। কিন্তু শনিবার থেকে ফেসবুকে দেখছি, টুইটারে দেখছি বিভিন্ন স্ট্যাটাস, এত বেশি সময়ের জন্য একটা বড় দলের চেয়ারপারসন বিদেশে যাচ্ছেন, এখন জনশ্রুতি হচ্ছে তিনি কি মামলার ভয়ে পালিয়ে গেলেন? তিনি কি মামলার ভয়ে ফিরে আসবেন না?’

আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। এর আগে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের নেতাদের মতবিনিময় করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মামলায় ১৫০ বার আদালতে সময় চাওয়ার পর এ সন্দেহটা ঘনীভূত হচ্ছে। জনগণ এ গুঞ্জনটার শাখা-প্রশাখা করে ফেলেছে। আমরা দেখব শেখ হাসিনার মতো ওয়ান-ইলেভেনের মতো সাহস করে তিনি ফিরে আসবেন কি-না। মামলার ভয়ে সময় আবার বর্ধিত হবে কি-না। ডেট আবারো মামলার তারিখের মতো পেছাবে কি-না।’

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইসির পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন। এ রোডম্যাপ নিয়ে নির্বাচন কমিশন পথ চলুক। রোডম্যাপের বাস্তবায়নের অগ্রগতি দেখে আমরা কথা বলব। তারা যা বলেছেন তা রোডম্যাপ। আমরা একটু বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াটা দেখতে চাই।’

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর দায় এড়াতে পারব না
এদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশে দুর্ঘটনায় মানুষ পাখির মতো পথের বলি হচ্ছে। এ মানুষগুলোর মৃত্যু অনেক পরিবারকে নি:স্ব করে দেয়। পথের বলিতে অনেক পরিবার পথে বসেছে। আমরা এর দায় এড়াতে পারব না।’

সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গঠিত ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের নেতাদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি গাড়ির মালিকও নই, চালকও নই। তারপরও মন্ত্রী হিসেবে আমি এ দায় এড়াতে পারি না। আমার কষ্ট লাগে। আমি বেদনায় বিদ্ধ হই।’

কাদের বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা খুব একটা কমেনি। আমরা ব্ল্যাক স্পটের যে সমাধান করেছি তাতে এতোটা হবে আশা করিনি। আগে রাস্তাঘাট খারাপ ছিল। এখনতো ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবলেমও তেমন নেই। ফাঁকা রাস্তা হলে আমি বেশি ভয় পাই। তখন সব আলেকজান্ডার পথে পথে স্টিয়ারিংয়ে বসেই পথের রাজা। রাস্তা ভালো থাকলে আরো বেশি হয়। এটা আরো একটি চিন্তার বিষয়।’

‘আমরা সত্যি এ বিষয়টা নিয়ে দুর্ভাবনায় থাকি। রাস্তায় যখন মানুষের রক্ত দেখি তখন খুব খারাপ লাগে। আমি চাই আরো কমাতে। তাই আমাদের আরো চেষ্টা করতে হবে। অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।’

মতবিনিময় সভায় নিরাপদ সড়ক চাই-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘সড়ক দূর্ঘটনার ভয়াবহতা আগের মতো নেই। কিছুটা উন্নতির দিকে আমরা আছি। আমরা এখান থেকে শপথ করব, আমরা আমাদের সড়কে দুর্ঘটনা কমিয়ে নিয়ে আসব। আমাদের যে টার্গেট আছে আমরা সেটা অবশ্যই পূরণ করব। আমি বিশ্বাস করি, আমরা চালক, মালিক, যাত্রী, পথচারী, প্রশাসন এবং সরকার সবাই মিলে যদি চেষ্টা করি এটা কমিয়ে নিয়ে আসা এমন কোনো দুরূহ ব্যাপার না।’

সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এম এ এন, ছিদ্দিক, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মশিউর রহমানসহ ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও সংবাদ