Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধি অজর্ণে এডিও’র পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে : এডিবি

Published:2017-07-20 21:21:12    

অর্নৈতিক প্রতিবেদক:

বাংলাদেশে গত ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ অর্থবছরের জন্য প্রাথমিক সরকারি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হার এশীয় উন্নয়ন আউটলুক (এডিও)-২০১৭ পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে।
গত এপ্রিল মাসে প্রকাশিত এডিবি’র এডিও-২০১৭তে বলা হয়, বাংলাদেশে ২০১৭ সালের অর্থ বছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৯ শতাংশ। অথচ গত ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ সালের অর্থ বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে ৭.২৪ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।
আজ প্রকাশিত এডিও ২০১৭-এর এক সাপলিমেন্ট রিপোর্টে অঞ্চলে এডিবি’র আপগ্রেড প্রবৃদ্ধি আউটলুকে ২০১৭ সালে ৫.৭ থেকে ৫.৯ শতাংশ এবং ২০১৮ সালের জন্য প্রবৃদ্ধি ৫.৭ থেকে ৫.৮ শতাংশের পূর্বাভাস করা হয়েছে। প্রবৃদ্ধি হারে ২০১৮ সালের এই সামান্য বৃদ্ধি টেকসই রফতানির দিকে সতর্ক দৃষ্টিরই প্রতিফলন।
২০১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে কৃষি প্রবৃদ্ধি ছিল সবোর্চ্চ। কৃষি প্রবৃদ্ধি এবং পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্যে, আবাসন, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট এবং পরিবহন খাতে প্রবৃদ্ধি ভাল হওয়ায় সাবির্ক প্রবৃদ্ধি ছিল কাঙ্খিত পর্যায়ে।
দক্ষিণ এশিয়ায় ২০১৭ সালে মূদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাসে বলা হয়, ৫.২ শতাংশ থেকে কমে ৪.২ শতাংশ হয়েছে এবং ২০১৮ সালে মূদ্রস্ফীতির হার ৫.৪ শতাংশ থেকে কমে ৪.৭ শতাংশ হবে। মূদ্রাস্ফীতি হার হ্রাস পাবার এই প্রবনতা ভারত, ভূটান ও নেপালের চেয়েও কিছুটা বেশি। রিপোর্টে আরো বলা হয়,আর্ন্তজাতিক বাজারে পণ্যমূল্য স্বাভাবিক থাকায় বাংলাদেশে ননফুড পণ্যে মূদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, নেপাল এবং পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি হারের অগ্রগতি অর্জনে ভূটান ও শ্রীলংকার শ্লথ প্রবৃদ্ধি হারের সাথে ভারসাম্য সৃষ্টি করেছে। ভূটানে প্রবৃদ্ধি হার হ্রাস পাওয়ায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প কাজ বিলম্ব হচ্ছে।
শ্রীলংকায় গত মে মাসে ১৫ থেকে ২৫টি জেলায় প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় এবং কিছু এলাকায় ভূমিধ্বসে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ব্যাহত হয় এবং কৃষির ক্ষতি হয়। এতে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে সমাপ্ত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হ্রাস পায়। তবে ২০১৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধির পূবাভাস করা হয়েছে।
ভারতে ৩১ মার্চ সমাপ্ত অর্থবছর ২০১৭ তে প্রবৃদ্ধি আগের বছরের চেয়ে কিছুটা কম হয়েছে। ২০১৫ সালের প্রবৃদ্ধি ছিল ৮.০ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে কমে হয়েছে ৭.১ শতাংশ। ২০১৬ সালে ব্যাংক নোট জমা দেয়া নিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটায় প্রবৃদ্ধি আয়ে এর বিরূপ প্রভাব পড়ে।

আরও সংবাদ