Widget by:Baiozid khan

মিয়ানমারে পূর্ণাঙ্গ ও বাধাহীন প্রবেশাধিকারের দাবি জাতিসংঘের

Published:2017-09-20 09:37:52    

জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারীরা মিয়ানমারে চলমান সহিংস পরিস্থিতি তদন্তে পূর্ণাঙ্গ ও বাধাহীন প্রবেশের সুযোগ দাবি করেছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলকে সংস্থাটির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের প্রধান মারজুকি দারুসমান বলেছেন, ‘যেসব স্থানে অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে সে জায়গাগুলো স্বচক্ষে দেখাটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’ মিয়ানমারে পূর্ণাঙ্গ ও বাধাহীন প্রবেশের সুযোগ চেয়ে দারুসমান বলেন, ‘গর্হিত এক মানবিক সংকট চলছে যেখানে অবিলম্বে মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন।’ এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। খবরে বলা হয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল মিয়ানমারে সম্ভাব্য অধিকার লঙ্ঘন তদন্ত করতে মার্চ মাসে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনটি প্রতিষ্ঠা করে। বিশেষভাবে এই মিশনের টার্গেট হলো রাখাইনের রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগগুলো তদন্ত করা। মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেতা অং সান সুচি একাধিকবার জাতিসংঘের এই তদন্তের নিন্দা জানিয়েছেন। তার সরকার এতে সহযোগিতা করবে না বলেও মন্তব্য করেন সুচি। গতকাল মঙ্গলবার রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মিয়ানমারের টিভি চ্যানেলে বক্তব্য রাখেন সুচি। সেখানে তিনি বাইরের পর্যবেক্ষকদের মিয়ানমারে গিয়ে পরিস্থিতি দেখার আহ্বান জানান। এএফপি’র রিপোর্টে বলা হয়, রাখাইনে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে চলমান সহিংসতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ প্রশমিত করাই ছিল এই বক্তব্যের লক্ষ্য। সুচি বলেন, মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সমালোচনায় ভয় পায় না। তার দেশ সংকটের স্থায়ী সমাধান আনতে সংকল্পবদ্ধ। এর আগে জাতিসংঘ রাখাইনের সামরিক অভিযানকে জাতিগত নিধনযজ্ঞ আখ্যা দেয়। তবে, সুচি তার বক্তব্যে এর জবাব দেন নি। তার সরকার আইনের শাসনের প্রতি প্রতিশ্রুদ্ধিবদ্ধ বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে, সুচির ওই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত হতেন লিন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন নিয়ে বলেন, ‘আমরা এখনো বিশ্বাস করি এমন একটি মিশন স্থাপন করা ইতিমধ্যে জটিল আকার ধারণ করা রাখাইন ইস্যু সমাধানে সহায়ক পদক্ষেপ নয়।’
আর মিশন প্রধান দারুসমান ফের প্রবেশের সুযোগ দাবি করে বলেছেন, মিয়ানমার সরকার ও দেশটির জনগণের স্বার্থেই তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও তথ্যপ্রমাণ সরাসরি জাতিসংঘ মিশনের কাছে তুলে ধরা উচিত।  
দারুসমান আরো জানিয়েছেন, তার মিশন জরুরিভিত্তিতে একটি দল পাঠিয়েছে বাংলাদেশে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেনা অভিযান থেকে বাঁচতে ৪ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

আরও সংবাদ