Widget by:Baiozid khan
  • Advertisement

বিএনপি ছাত্রদল ও যুবদলকে দিয়ে হামলা চালিয়েছে : ওবায়দুল কাদের

Published:2017-10-30 03:17:07    

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বহরে হামলা হলো কোথায় সেই প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবাদপত্রে দেখলাম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা। কিন্তু তিনি ও তার গাড়ি অক্ষত আছে। তাহলে হামলাটা হলো কোথায়? কিভাবে হলো?

আজ রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার সফরকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সব সুবিধা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন, উনি (খালেদা জিয়া) বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। উনি সার্কিট হাউজ ব্যবহার করবেন, ভিআইপি রুমে অবস্থান করবেন। তার আপ্যায়ন ও অবস্থানের সময় যেন কোনো ত্রুটি না হয়। অথচ এই চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে শেখ হাসিনাকে ভিআইপি রুম দেয়া হয়নি। তিনি আমাদের দলের সভানেত্রী। তাকে নিয়ে আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা মাঠে দাঁড়িয়ে ছিলাম। একই ঘটনা ঘটেছিল বরিশালে। তারা অধম হলে আমরা কেন উত্তম হবো না।’

খালেদা জিয়া বিমানে গিয়ে ত্রাণ দিতে পারতেন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তিনি সড়কপথে কেন গেলেন? এখন নিজেরা নিজেরা মারামারি করে সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে। এই হামলা ঘটিয়ে একটি বড় সংবাদ কাভারেজ পাওয়াই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। এতো হামলা হলো কিন্তু তাদের কোনো নেতাই তো আহত হলেন না। আর সাংবাদিকদের গাড়িতে হামলা করার উদ্দেশ্যই ছিল কাভারেজ পাওয়া।’

তিনি বলেন, ‘লন্ডন থেকে ফেরার পর ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ জানিয়েছিলেন- খালেদা জিয়া চিকিৎসা অসমাপ্ত রেখেই দেশে চলে এসেছেন। সেই অসুস্থ নেত্রী এই দীর্ঘ পথ সড়কে কেন পাড়ি দিতে গেলেন? এর মাধ্যমে পরিষ্কার বোঝা যায় উনার উখিয়া যাওয়ার উপলক্ষ্য মানবিক কিন্তু উদ্দেশটা রাজনৈতিক।’

এ হামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ জড়িত- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অবিযোগ সম্পর্কে কাদের বলেন, ‘আমি খবর নিয়েছি পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদল ও যুবদল এ হামলা করেছে। পরে তারা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ওপর দায় চাপাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে দেখলাম নিজেদের দলের আইনজীবীরা হাতাহাতি করছেন। তারা একে অপরকে সরকারের দালাল বলে গালিগালাজ করেন। এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। সদস্য সংগ্রহের জন্য ফখরুল ইসলাম আলমগীর বরিশালে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রকাশ্যে নয় একটি ঘরের মধ্যে অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন। সেখানেও অভ্যন্তরীণ কোন্দল, মারামারি, হামলা হয়েছে। পরে ছয় ঘণ্টা সফর কমিয়ে তিনি ঢাকায় ফেরেন। সারা বাংলাদেশে নিজেদের কোন্দল ও মারামারি ছাড়া কবে কোন অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে তারা করতে পেরেছেন।’

আরও সংবাদ