Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Thu September 20 2018 ,

রোহিঙ্গাদের সাথে স্থানীয়দের সংঘাতে উদ্বিগ্ন জাতিসঙ্ঘ

Published:2017-11-02 22:03:50    

কূটনৈতিক প্রতিবেদক : কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠির সাথে রোহিঙ্গাদের সঙ্ঘাতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসঙ্ঘের আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ওয়াটকিন্স বলেছেন, রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ায় উখিয়া ও টেকনাফের অধিবাসীরা কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের জীবন-জীবিকার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ-সম্পদ রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয় অধিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে ন্যায্যতার সাথে বন্টনের পরিকল্পনা হাতে নিয়ে জাতিসঙ্ঘ।

বৃহস্পতিবার রাজধানী একটি হোটেলে বাংলাদেশ কূটনৈতিক সংবাদদাতা সমিতি (ডিকাব) আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ সব কথা বলেন। ডিকাব টক নামে পরিচিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস। স্বাগত বক্তব্য দেন ডিকাব সাধারন সম্পাদক পান্থ রহমান।

ওয়াটকিন্স বলেন, মাত্র দুই মাসে ছয় লাখের বেশি শরণার্থী আসা ইতিহাসে নজিরবিহীন। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের জন্য এটি সবচেয়ে বড় সঙ্কট। এই সঙ্কট ইতোমধ্যে দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের রাখাইনে প্রত্যাবাসন সহজসাধ্য হবে না। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জাতিসঙ্ঘে সংস্থাগুলোকে উত্তর রাখাইনে প্রবেশাধিকার দিচ্ছে না। জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদ রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে একমত হতে পারছে না। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ম্যান্ডেট ছাড়া শান্তিরক্ষী বাহিনী বা অন্য কোনো পন্থায় মিয়ানমারে হস্তক্ষেপ করার অধিকার জাতিসঙ্ঘের নেই।

কক্সবাজারে অবস্থিত শরণার্থী ক্যাম্পগুলো নতুন আসা রোহিঙ্গাদের চাপে ভয়ানক জনাকীর্ণ হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে জাতিসঙ্ঘের আবাসিক সমন্বয়ক বলেন, রোহিঙ্গাদের স্থান সংকুলানের জন্য আরো জায়গার প্রয়োজন। বাংলাদেশ সরকার তাদের একটি চরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করছে। চরটিকে বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে এবং রোহিঙ্গাদের সেখানে স্বেচ্ছায় যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এ জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি প্রয়োজন। এ লক্ষে বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করতে জাতিসঙ্ঘ আগ্রহী।

আরও সংবাদ