Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Mon July 16 2018 ,

জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন সরকার : মির্জা ফখরুল

Published:2017-11-05 01:40:23    

নিজস্ব প্রতিবেদক:  সরকারের ওপর জনগণ আস্থা হারিয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের সাথে তাদের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এজন্যই তারা গায়ের জোরে, মিথ্যা মামলা দিয়ে, খুন-জখম-গুম করে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চাচ্ছে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাচ্ছে।

শনিবার এক সভায় তিনি বলেন, ‘সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার করে খালেদা জিয়ার মামলাগুলোর দ্রুত শুনানি করছে। দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা। সাধারণভাবে দেখা যায় যে মামলাগুলোর এক মাস-দুই মাস-তিন মাস পরে তারিখ পড়ে। কিন্তু দেশনেত্রীর মামলার প্রতি সপ্তাহে তারা তারিখ দিচ্ছে। এসব তারিখ দিয়ে তারা আজকে তাকে আটকিয়ে রাখতে চায়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে। যেটা বলেছেন দেশনেত্রী নিজেই আশঙ্কা করছেন নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্যই এই কাজগুলো সরকার করছে।’

আজ বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আফসার আহমদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মরহুম আফসার আহমদ সিদ্দিকীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়।

সংগঠনের আহবায়ক মরহুম নেতার সহধর্মিনী বেগম জাহানারা সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈসার পরিচালনায় সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামাস দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক সহসম্পাদক হেলেন জেরিন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

দেশের চলমান সঙ্কটাপন্ন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে আমরা যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি, জনগণের অধিকারকে ফিরিয়ে দেয়া বিশ্বাস করি, যারা মনে করি জনগণের অধিকার রয়েছে তাদের নিজেদের সরকার নির্বাচিত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করতে হবে সবাইকে নিয়ে। কে কোন দল করি না করি সেটা নয়। আজকে দেশকে বাঁচানোর জন্য, গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আওয়ামী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে আমাদেরকে নির্বাচন হোক, আন্দোলন হোক- আমাদেরকে জয়যুক্ত হতে হবে, ওদের পরাজিত করতে হবে।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দেয়ার যাত্রাপথে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ঘটনা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সাংবাদিকসহ আমাদের নেতাকর্মীদের গাড়িতে আক্রমণ করা হলো। আমাদের স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন মারাই গেছেন। ১৪ জন আহত হয়েছেন। তিনজনকে গাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেছে। একজন তিন ঘণ্টা ধরে নিখোঁজ ছিলেন পরে পুলিশ তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করেছে। এসব ঘটনার পর ক্ষমতাসীনরা অবলীলায় বলছে এটা বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে হয়েছে। জাতি দেখেছে, সাংবাদিকরা দেখেছেন, সবাই দেখেছেন তারা এই কাজটা করেছে। এখনো তারা মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। গ্রেফতার করেছে, মামলা করেছে আমাদের দলের ৩২ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। জাতির সাথে এই প্রতারণা, সরকার যদি নিজেই জাতির সাথে মিথ্যা কথা বলে, প্রতারণা করে, সরকার যদি নিজেই একটা অসত্যকে সত্য প্রমাণিত করতে চায় তাহলে তো কখনো সেই সরকারের ওপর বিশ্বাস রাখা যায় না, আস্থা রাখা যায় না। এরা আস্থা হারিয়েছে, এদের জনগণের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হয়ে গেছে বলেই তারা গায়ের জোরে মিথ্যা মামলা দিয়ে তারা খুন করে গুম করে রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা করছে ক্ষমতায় টিকে থাকবার জন্য।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে বাংলাদেশে একটা কঠিন সময় উপস্থিত হয়েছে। এমন একটা শাসকগোষ্ঠী আমাদের ওপর চেপে বসেছে যারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়। যারা সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে, সন্ত্রাসের মধ্যে দিয়ে, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। তারা রাষ্ট্রের সব স্তম্ভ ধ্বংস করে ফেলেছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। যতগুলো প্রতিষ্ঠান ছিল সব ধ্বংস করে তাদের পকেটের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে।

মরহুম আফসার আহমদ সিদ্দিকী প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি ছিলেন দক্ষ রাজনীতিবিদ। কর্মীবান্ধব রাজনীতিবিদ হিসেবে তার খ্যাতি রয়েছে। তার মতো রাজনীতিবিদ আমাদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে না। এখন রাজনীতি করা সম্মানজনক এমনটি কেউ মনে করতে চান না। রাজনীতি এখন হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আমাদের সরকারের সময় এমনটি ছিল না।

সরকারের ওপর জনগণ আস্থা হারিয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের সাথে তাদের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এজন্যই তারা গায়ের জোরে, মিথ্যা মামলা দিয়ে, খুন-জখম-গুম করে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চাচ্ছে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাচ্ছে।

আজ শনিবার এক সভায় তিনি বলেন, ‘সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার করে খালেদা জিয়ার মামলাগুলোর দ্রুত শুনানি করছে। দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা। সাধারণভাবে দেখা যায় যে মামলাগুলোর এক মাস-দুই মাস-তিন মাস পরে তারিখ পড়ে। কিন্তু দেশনেত্রীর মামলার প্রতি সপ্তাহে তারা তারিখ দিচ্ছে। এসব তারিখ দিয়ে তারা আজকে তাকে আটকিয়ে রাখতে চায়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে। যেটা বলেছেন দেশনেত্রী নিজেই আশঙ্কা করছেন নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্যই এই কাজগুলো সরকার করছে।’

আজ বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আফসার আহমদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মরহুম আফসার আহমদ সিদ্দিকীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়।

সংগঠনের আহবায়ক মরহুম নেতার সহধর্মিনী বেগম জাহানারা সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈসার পরিচালনায় সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামাস দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক সহসম্পাদক হেলেন জেরিন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

দেশের চলমান সঙ্কটাপন্ন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে আমরা যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি, জনগণের অধিকারকে ফিরিয়ে দেয়া বিশ্বাস করি, যারা মনে করি জনগণের অধিকার রয়েছে তাদের নিজেদের সরকার নির্বাচিত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করতে হবে সবাইকে নিয়ে। কে কোন দল করি না করি সেটা নয়। আজকে দেশকে বাঁচানোর জন্য, গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আওয়ামী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে আমাদেরকে নির্বাচন হোক, আন্দোলন হোক- আমাদেরকে জয়যুক্ত হতে হবে, ওদের পরাজিত করতে হবে।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দেয়ার যাত্রাপথে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ঘটনা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সাংবাদিকসহ আমাদের নেতাকর্মীদের গাড়িতে আক্রমণ করা হলো। আমাদের স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন মারাই গেছেন। ১৪ জন আহত হয়েছেন। তিনজনকে গাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেছে। একজন তিন ঘণ্টা ধরে নিখোঁজ ছিলেন পরে পুলিশ তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করেছে। এসব ঘটনার পর ক্ষমতাসীনরা অবলীলায় বলছে এটা বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে হয়েছে। জাতি দেখেছে, সাংবাদিকরা দেখেছেন, সবাই দেখেছেন তারা এই কাজটা করেছে। এখনো তারা মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। গ্রেফতার করেছে, মামলা করেছে আমাদের দলের ৩২ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। জাতির সাথে এই প্রতারণা, সরকার যদি নিজেই জাতির সাথে মিথ্যা কথা বলে, প্রতারণা করে, সরকার যদি নিজেই একটা অসত্যকে সত্য প্রমাণিত করতে চায় তাহলে তো কখনো সেই সরকারের ওপর বিশ্বাস রাখা যায় না, আস্থা রাখা যায় না। এরা আস্থা হারিয়েছে, এদের জনগণের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হয়ে গেছে বলেই তারা গায়ের জোরে মিথ্যা মামলা দিয়ে তারা খুন করে গুম করে রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা করছে ক্ষমতায় টিকে থাকবার জন্য।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে বাংলাদেশে একটা কঠিন সময় উপস্থিত হয়েছে। এমন একটা শাসকগোষ্ঠী আমাদের ওপর চেপে বসেছে যারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়। যারা সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে, সন্ত্রাসের মধ্যে দিয়ে, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। তারা রাষ্ট্রের সব স্তম্ভ ধ্বংস করে ফেলেছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। যতগুলো প্রতিষ্ঠান ছিল সব ধ্বংস করে তাদের পকেটের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে।

মরহুম আফসার আহমদ সিদ্দিকী প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি ছিলেন দক্ষ রাজনীতিবিদ। কর্মীবান্ধব রাজনীতিবিদ হিসেবে তার খ্যাতি রয়েছে। তার মতো রাজনীতিবিদ আমাদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে না। এখন রাজনীতি করা সম্মানজনক এমনটি কেউ মনে করতে চান না। রাজনীতি এখন হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আমাদের সরকারের সময় এমনটি ছিল না।

আরও সংবাদ