Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Thu February 21 2019 ,

  • Techno Haat Free Domain Offer

ভোটকেন্দ্র ছেড়ে পালালেন নির্বাচন কমিশনার অর্ন্তদ্বন্দ্বেস্থগিত গনপূর্তের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নির্বাচন

Published:2018-05-14 19:13:30    

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বর্তমান কমিটির দুই গ্রুপের অর্ন্তদ্বন্ধে ভন্ডুল হয়ে গেছে বাংলাদেশ পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির কেন্দ্রীয় পরিষদ ও ঢাকা জেলার কাউন্সিলর নির্বাচন। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চললেও কেন্দ্রের বাইরে অপ্রীতিকর ঘটণার দোহাই দিয়ে নির্বাচন স্থগিত করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা ব্যালট বাক্স সিলগালা করার আগেই কাউকে কিছু না বলে লাপাত্তা হয়ে যান দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার। যেকারণে বাক্সবন্দি হয়ে আছে নির্বাচনী ফলাফল। সদস্য প্রকৌশলীরা অভিযোগ করেছেন, বর্তমান কমিটির সাধারন সম্পাদক আলী আকবর সরকারের নেতৃত্বাধীন প্যানেলের ভরাডুবি নিশ্চিত হতে পেরে পূর্বপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই সাজানো গন্ডগোল বাধানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের প্যানেল হিসেবে পরিচিত শেখ নবীব-রায়হান-মনিরুজ্জামান-ইউনুছ নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধু পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির প্যানেলের বিজয় নিশ্চিত জেনে বহিরাগতদের নিয়ে নিজেরা হুরোহুরি করে নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। ভোট দিতে আসা প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, পূর্ব নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী শনিবার ঢাকার সেগুনবাগিচায় পূর্ত ভবনে নির্বাচন শুরু হওয়ার আগেই বিপুল পরিমাণ বহিরাগত লোকের সমাগম ঘটে। সকাল ৮টায় নির্বাচন শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। এমন সময় হঠাৎ করেই সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আলী আকবর সরকারের নেতৃত্বে বহিরাগতরা এসে নির্বাচনে আসা ভোটারদের বাঁধা প্রদান এবং তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার শুরু করে ভোট ভন্ডুল করার পায়তারা চালায়। তবে শাহবাগ থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং যথারীতি ভোটগ্রহণ চলে। অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনে পরাজয় হবে ভেবে বর্তমান কমিটির সাধারন সম্পাদক আলী আকবর সরকারের নেতৃত্বাধীন ভিন্ন ধারার প্যানেলের প্রাথী ও সমর্থকরা নির্বাচন ভন্ডুল করার মিশনে নামে। তারা নিজেরাই দুটি গ্রুপ সৃষ্টি করে হুড়োহুড়ি শুরু করে। সাধারন ভোটাররা তাদের প্রতিহতের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে তারা আলী আকবর সরকারসহ ওই প্যানেলের প্রার্থীদের লাঞ্চিত করেন। অবশ্য এরআগেও নির্বাচনে পদ ভাগাভাগি নিয়ে সমিতি অফিসেই একদফা লাঞ্চিত হয়েছিলেন আলী আকবর। একাধিক প্রার্থী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্বাচন ভন্ডুল করার প্রচেষ্ঠা কোনোভাবেই সফল করতে না পেরে নির্বাচন কমিশনারকে ভোট স্থগিতে বাধ্য করেন লাঞ্চিত ওই সাধারন সম্পাদক। যেকারণে প্রিসাইডিং ও সহকারি প্রিসাইডিং অফিসাররা ভোটগ্রহণ করে ব্যালট সিলগালা করলেও ফলাফল না দিয়ে গোপনে কেন্দ্র ত্যাগ করে চলে যান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহ আলম ভুঞা। পরে এক বিবৃতির মাধ্যমে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে বলে ঘোষণা দেন তিনি। এবিষয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কেউই মুখ খুলতে রাজী হননি। আর নির্বাচন কমিশনার কেন্দ্র থেকে বের হয়ে ফোন বন্ধ করে রাখায় তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

আরও সংবাদ