Widget by:Baiozid khan
শিরোনাম:

ঢাকা Tue August 20 2019 ,

  • Techno Haat Free Domain Offer

নার্ভাস ৯৯ রানে বিদায় নিলেন মুশফিকুর রহিম

Published:2018-09-26 21:21:59    

ক্রীড়া প্রতিবেদক: 

সেঞ্চুরী থেকে মাত্র ১ রান দূরে থেকে আউট হয়ে গেলেন বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশকে স্বপ্ন দেখানো মুশফিকুর রহিম। ব্যাক্তিগত ৯৯ রানে তিনি আউট হয়েছন শাহিন আফ্রিদির বলে।

এর আগে মোহাম্মদ মিঠুনকে সাথে নিয়ে চতুর্থ উইটেক জুটিতে ১৪৪ রান করেছিলেন। এই রিপোর্ট লেখার সময় বাংলাদেশর সংগ্রহ ৪২ ওভার শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ২০৭ রান। ব্যাট করছেন, মাহমুদউল্লাহ ১৭, মেহিদী হাসান ৬ রান নিয়ে।

এর আগে সুপার ফোর পর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। আঙুলের চোটের জন্য সাকিব আল হাসান এ ম্যাচে খেলছেন না। তড়িঘড়ি করে দেশ থেকে উড়িয়ে আনা ওপেনার সৌম্য সরকার সুযোগ পেয়েছেন এ ম্যাচে। নাজমুল হোসেন শান্তর জায়গায় খেলছেন তিনি। সাকিবের জায়গায় মুমিনুল হক ফিরেছেন দলে। আর স্পিনার নাজমুলের জায়গায় খেলছেন রুবেল হোসেন।


দলে ফিরে আসাটা সৌম্য উদ্‌যাপন করেছেন শূন্য দিয়ে। এক ম্যাচ ভালো খেলে আবার হারিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিকতা ধরে রেখে লিটন দাস করেছেন ৬। দুই ওপেনারের মাঝখানে আউট হয়েছেন মুমিনুল। আউট হয়েছেন ৫ রানে। একাদশে ফেরাটা মুমিনুল কিংবা সৌম্য কাজে লাগাতে পারেননি; তবে কাজে লাগিয়েছেন জুনায়েদ খান। মোহাম্মদ আমিরের বদলে জায়গা পাওয়া জুনায়েদের শিকার হয়েছেন দুই ওপেনার। মুমিনুলকে ফিরিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি। ৪.২ ওভারে ১২ রানে নেই ৩ উইকেট। সেখান থেকে ইনিংস মেরামতে নেমেছেন মুশফিক-মিঠুন। 

বাংলাদেশ দল: লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদি হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশ-পাকিস্তান আজ অলিখিত সেমিফাইনাল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
 
‘দেখতে দেখতে অনেকটা পথ পার হয়ে আসলাম। ২০০১ সালে যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথ চলা শুরু করেছিলাম তখন মনে মনে একটাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যতদিন খেলব দেশের জন্য খেলব। কিন্তু মাঝ পথে বারবার পা দু’টা সঙ্গ ছেড়ে দিচ্ছিল। যতবার ইনজুরিতে পড়েছি, ততবার মনে হয়েছে আর বোধ হয় পারব না। কিন্তু যখনি গ্যালারি ভর্তি মানুষের চিৎকার শুনেছি, তখনি পা দু’টাকে বলেছি তৈরি হ, কারণ আমি আবার মাঠে নামব।’ উক্তিটি মাশরাফি ছাড়া আর কার হতে পারে!

গ্রুপ পর্বে ভারত ও আফগানিস্তানের কাছে হেরে যখন চারদিকে হতাশা তখন মাশরাফিই বলেছিলেন, ‘সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি।’ দর্শকরা অল্পতেই হা পিত্তেশ শুরু করলে সান্ত্বনা দিয়ে মনোবল বাড়িয়ে আফগানদের হারিয়ে ভরসার জায়গা পোক্ত করে নিয়ে এসেছেন অলিখিত সেমি ফাইনালের সমীকরণে। এশিয়া কাপের ১৪তম আসরে দুটিতে জিতে ইতোমধ্যে ফাইনালে উঠে গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। অন্যদিকে টানা দুই ম্যাচ হেরে বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে আফগানিস্তানের। বাকি দুই দল বাংলাদেশ ও পাকিস্তান জিতেছে একটি করে ম্যাচ। ম্যাচটি রূপ নিয়েছে অঘোষিত সেমিফাইনালে। সুপার ফোরে বাঁচা-মরার ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টিকে আছে বাংলাদেশ। নিভে যাওয়া স্বপ্ন পুনরায় জ্বালিয়েছেন মাশরাফি। সে লক্ষ্যেই আজ মাঠে নামবে টাইগাররা।

এশিয়া কাপের এবারের আসরে হট ফেভারিট ভাবা হয়েছিল পাকিস্তানকে। সরফরাজ আহমেদের এই দলটিই গত বছর জুনে ভারতকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল। তার ওপর আরব আমিরাতকে বলা হয় পাকিস্তানের দ্বিতীয় হোম গ্রাউন্ড। কিন্তু সেই পাকিস্তান কি না চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে উড়ে গেল দুবার করে। গ্রুপ পর্বে ৮ উইকেটে এবং সুপার ফোরে ৯ উইকেটে। দলের এই হারে দারুণ হতাশ পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ওয়াসিম আকরাম। ‘এটা খুবই হতাশার, হৃদয়বিদারক। জয়-পরাজয় থাকবেই। তাই বলে এভাবে নয়। ভারত একপেশে খেলে জিতেছে। নিজেদেও সেরা খেলোয়াড় (বিরাট কোহলি) ছাড়াও এশিয়া কাপে ভারত অবিশ্বাস্য খেলছে।’ বাংলাদেশ ম্যাচকে সামনে রেখে পাকিস্তানের দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ মিকি আর্থার স্পষ্ট করেই বললেন, পাকিস্তান শিবিরে ভয় ঢুকে গেছে! ভারত-ধাক্কার প্রভাবে মহাগুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে পাকিস্তান কিছুটা হলেও ভাবছে। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিংÑ তিন বিভাগেই ফুটে উঠেছে পাকিস্তানিদের অসহায়ত্ব।

তবে দলটি যে পাকিস্তান। কাটার মাস্টার খ্যাত মোস্তাফিজুর রহমান তো বলেই দিলেন, ‘ক্রিস গেইল ও পাকিস্তান- কাউকে বিশ্বাস নেই। আমরা সেরাটা দেয়ারই চেষ্টা করব। পাশাপাশি দিনটিও আমাদের হতে হবে।’ 

ওয়ানডে ক্রিকেটে দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০১৫ সালে। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত ওই দ্বিপাক্ষিক সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করেছিল মাশরাফি বাহিনী। এমনকি টি-২০ ক্রিকেটেও সর্বশেষ তিন দেখায় দুটিতেই জিতেছে বাংলাদেশ। আজ প্রেরণা হতে পারে ওই জয়।

আরও সংবাদ